Wednesday, April 1, 2026
Home Blog Page 147

কুষ্টিয়া সুগারমিলের ৫৩ টন চিনি গায়েব, তদন্ত কমিটি গঠন

0

কুষ্টিয়া সুগারমিলের প্রায় ৫৩ মেট্রিকটন চিনির হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। মিলের গুদামে ১০০ টনের ওপরে চিনি মজুদ থাকলেও এখন প্রায় অর্ধেকটার সন্ধান মিলছে না।

এ ঘটনায় গুদাম কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম কে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি। গত মৌসুমে উৎপাদনবন্ধ থাকা কুষ্টিয়া সুগারমিলের গুদামে ১১০ টন মত চিনিমজুদ ছিল।

বৃহস্পতিবার মিলের কর্মকর্তারা স্টক রেজিষ্টারের সঙ্গে মজুদ চিনির পরিমান মেলাতে গিয়ে দেখতে পান সেখানে প্রায় ৫৩ টন চিনি কম আছে। এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে সুগারমিল প্রশাসনে।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

গোপালগঞ্জে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ডেলটার অস্তিত্ব, দুই গ্রামে কঠোর লকডাউন

0

গোপালগঞ্জে এবার করোনায় আক্রান্ত ৭ জনের শরীরের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ডেলটার অস্তিত্ব মিলেছে। আক্রান্ত ওই ৭ জনের বাড়ী গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার তেলিভিটা ও কালীভিটা গ্রামে।

এ ঘটনায় সদর উপজেলার সাতপাড় ইউনিয়নের তেলিভিটাসহ নতুন করে কালিভিটা গ্রামকে ৭ দিনের কঠোর লকজাউনের আওতায় আনা হয়েছে।

শনিবার (৫ জুন) দুপুরে গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা: সুজাত আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা: সুজাত আহমেদ জানান, তেলিভিটা গ্রামের ২৫২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৫০ জনের করোনা পজেটিভ আসে। এর থেকে ১১ জনের নমুনা জিনম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষার জন্য ঢাকার আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়। সেখান থেকে ৭ জনের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ডেলটা অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, করোনা সংক্রমণরোধ তেলিভিটা গ্রামের ৯ দিনের দিনের লকডাউন শেষে নতুন করে এবং কালিভিটা গ্রামকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। ফলে এই দুই গ্রাম থেকে কেউ ভিতরে ও বাইরে-আসা যাওয়া করতে পারবে না। এরা সার্বক্ষণিক প্রশাসনের নজরদারীতে থাকবেন এবং আক্রান্তদের দেখভালের জন্য ওই এলাকায় ১০ জন ডাক্তার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৭ মে তেলিভিটা গ্রামে ৭ দিনের লকডাউন দেয়ার পর ৩ জুন শেষ হলে আরো দুই দিন বৃদ্ধি করা হয়েছিল।

গেলো ২৪ ঘণ্টায় গোপালগঞ্জে নতুন করে ১৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৪৩ জন। মারা গেছেন ৪০ জন।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

দাদার আমলের দাবী করতোয়া নদীর হাজিরঘাটের ব্রীজ !

0

দিনাজপুর-গাইবান্ধার পলাশবাড়ী সীমানাবর্তী করতোয়া নদীর হাজিরঘাট। দীর্ঘ স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছরেও ব্রীজ না হওয়ায় প্রতিদিন স্কুল,কলেজ,পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশা লাখো মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই।সময়ের ব্যবধানে উন্নয়নে সমাজ তথা দেশের পরিবর্তন ঘটলেও আজও উন্নয়নে পরিবর্তন হয়নি লাখো মানুষের পারাপারের বৃহত্তর এই হাজিরঘাটের।

এ ভোগান্তি চলে আসছে পথচারীরা বছরের পর বছর।দীর্ঘ স্বাধীনতার ৫০ বছরেও কোন সরকারের আমলেই নজরে আসেনি এই ব্রীজটির কথা।এ ভোগান্তির যেন শেষ নেই।এই হাজিরঘাট দিয়ে প্রতিনিয়ত ছাত্র/ছাত্রী,ব্যবসায়ী,চাকুরীজীবি এনজিও কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার হাজার হাজার লাখো পথচারী খেয়া পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা।

এপাড়ে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ওপারে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট মাঝামাঝি দ্বি-সীমানা দিয়ে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীর হাজিরঘাট।এই হাজিরঘাট দিয়ে প্রতিনিয়ত খেয়া পারাপার হচ্ছে প্রায় শতাধিক গ্রামের বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ।

সর্ববস্তরের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র অবহেলিত এই হাজিরঘাট।এ হাজিরঘাট থেকে দক্ষিনে ঘোড়াঘাটের দুরত্ব-৩ কিঃমিঃ।উত্তরে পশ্চিম রামচন্দ্রপুর হয়ে কাশিয়াবাড়ী বাজারের দুরত্ব–৫কিঃমিঃ।পূর্বদিকে পলাশবাড়ী উপজেলার দুরত্ব প্রায়-১৩ কিঃমিঃ।পীরগন্জ চতরা দুরত্ব-৯ কিঃমিঃ।

এই ঘাট দিয়ে ভাল প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা লাভের আশায় আলোকিত হওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত অসংখ্য ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেনী পেশা পথচারীরা নিজের জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হয়ে থাকেন।

আর পরিবার পরিজনরা থাকেন উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠার মধ্যে। বর্ষা মৌসুম এলেই নদী কানায় কানায় ভরে গেলে বেড়ে যায় আরও দুর্গতি।এছাড়াও হঠাৎ কোন রোগী অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তার জীবন নির্ভর করে সময়ের উপর। একটু দেরি হলে রোগীর জীবন অসহ্য যন্ত্রনাসহ পোহাতে হয় এ ঘাটে। বাই সাইকেল, মোটরসাইকেল, অটো-চালিত ভ্যান,মাল বোঝাই ভ্যানসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য কৃষকরা তাদের ফসল বিক্রয়ের জন্য জীবনের ঝুকি নিয়ে বৃহত্তর হাটবাজারগুলোতে যাতায়াত করে থাকেন।

বর্ষা মৌসুমে ভরা নদীর অথৈয় পানিতে খেয়া পারাপারে আধা ঘন্টার স্থলে ১ঘন্টাও বেসামাল হয়ে পড়ে।এপার থেকে ওপারে অপেক্ষার দীর্ঘ সময় গুনতে হয়।
এমন তো অবস্থায় ছাত্রছাত্রীরা অনেক সময় বঞ্চিত হয় ক্লাস থেকে।বঞ্চিত হয় সাধারন ব্যবসায়ীরা কর্ম থেকে।এই ব্রীজটি নির্মানে ভোটের আগে জনপ্রতিনিধিরা প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি।

এমনি ভাবে ব্রীজের অভাবে যুগ যুগ ধরে চলছে আসছে এ ভোগান্তি।সাধারন মানুষের দীর্ঘদিনের দাবী এই গুরুত্বপুর্ন স্থানে করতোয়া নদীর উপরে দিয়ে ব্রীজ নির্মান হওয়া অত্যন্ত জরুরী পড়েছে।

হাজিরঘাটে এই ব্রীজটি নির্মান হলে স্বল্প খরচে অল্প সময়ে ঘোড়াঘাট দিয়ে দিনাজপুর এবং রংপুরের পীরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ যাতায়াত করতে পারবে।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

গল্পটি ভয় কে জয় করার

জীবনের অনেকগুলো বছর গৃহিণী হিসেবে কাটিয়ে দেওয়ার পর মনে হল যে, এভাবে আর নয় কিছু একটা করার প্রয়োজন। এই প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি তাও প্রায় তিন বছর যাবত।

গৃহিণী হিসেবে এতোগুলো বছর পার করেছি যে, মাথায় কিছুই আসছে না বা বলতে পারেন সাহস পাচ্ছিনা। তিন বছর ধরে ভাবছি আর ভাবছি। কিছু করার জন্য যখনি ভাবি তখনি ভয় নামক এক অদ্ভুত জিনিস মাথায় চেপে বসে। তাৎক্ষণিক সব গুলিয়ে ফেলি। তারপরও থামতে পারছি না বা থেমে নেই। ভয় কে জয় করার নেশা যেন আমাকে ছাড়ছেই না।

অবশেষে ভয় থেকেই ভয় কে জয় করলাম। ভয় থেকে জয় এটা আবার কি?

২০২০ সালে চীনের উহানে যখন মহামারি করোনায় প্রচুর লোক মারা যাচ্ছিল, তখন থেকেই সারা পৃথিবীর মানুষ ভীত হয়ে গিয়েছিল। তারপড় যখন মার্চ মাসের ৮ তারিখে বাংলাদেশে প্রথম করোনার রোগী শনাক্ত হলো এবং একই মাসের ২৬ তারিখে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় লকডাউন শুরু হয়ে গেল, তখনই অনেক মানুষের মত আমার পরিবারেও আর্থিক সমস্যা দেখা দিল। খুব ভাবনায় পড়ে গেলাম।

আমার স্বামীর ব্যবসার অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে লাগল। বুঝে উঠতে পারছিনা আমার কি করা উচিত। আমি কিভাবে সংসারে কিছুটা সহযোগিতা করতে পারি। এই মহামারীর ভয়, আমি কিছু করতে পারবো কিনা সেই ভয়, দুটো মিলে মূলত আজকের এই উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা।

এই লকডাউনে থেকে থেকে যখন জীবন অতিষ্ঠ ঠিক তখনই, একদিন ভাবলাম কোথাও গিয়ে কিছু আপন মানুষদের সাথে কিছুটা সময় পার করতে পারলে হয়তবা ভাল লাগতে পারে। যেমন ভাবা ঠিক তেমনি কাজ। তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আমার খালার বাসা বর্ধিত পল্লবীর উদ্দেশ্যে রওনা হই।

খালার বাসায় গিয়ে দেখি আমার মামা-মামী, মামাতো ভাই-বোনসহ আরও অনেক ভালো বাসার লোকজন। আমার আনন্দটাও দ্বিগুণ হয়ে গেল। সকলে একসাথে অনেক গল্প,অনেক স্মৃতিচারণ, অনেক খাওয়া-দাওয়া করলাম। এর মাঝে আমার ছোট মামাত ভাই আদিত্য আমাকে বলে কান্তা আপু তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে।

আদিত্য যখন আমাকে ডেকে নিয়ে গেল আমি ভাবতেও পারিনি যে, আমার উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি হওয়ার সাহস আমাকে ডাকছে। ওর প্রথম কথাটাই ছিল “আপু তুমি কিছু একটা করো” আমি বললাম কি করব? ও বলে, তুমি যে কাজটা ভালো পারো, সেটাই করো। যেকোনো ধরনের সহযোগিতা তুমি চাইলে আমার কাছ থেকে নিতে পারো। এক মুহুর্তের জন্য আমার সব ভয় দূর হয়ে গেল। মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম যে, অনলাইনে থ্রি-পিসের বিজনেস শুরু করবো।

এরপর থেকে আমার ভাই কয়েকদিন ফোন করে ফলোআপ করছিল এবং আমার আরো ছোট দুই মামাতো উর্মি ও অমিয়াকে ফোন দিয়ে বলল যে, কান্তা আপুকে অনলাইন নিয়ে সকল প্রকার সহযোগিতা করতে। তারপড় উর্মি আমার পেইজের নাম ঠিক করল এবং পেইজ এর লোগো তৈরি করে পেইজ ওপেন করে দিল।

শুরু হলো Farheen Glam and Fashion এর কার্যক্রম। সেই থেকে পথ চলা। আজ নয় মাস চলছে। এর মাঝে আমার পরিবারের কিছু সদস্যের কথা উল্লেখ না করলেই নয়। তার মধ্যে আমার হাজব্যান্ড একজন। যে কিনা ফিনান্সিয়ালি, মেন্টালি এবং ফিজিক্যালি সকলভাবে আমার পাশে ছিল এবং আছে।

আমার কাছ থেকে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে পণ্য কিনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আমার ভালোবাসার আত্মীয়-স্বজন। যে কারণে আজ আমার লক্ষ টাকার উপরে সেল সম্ভব হয়েছে।

তারপর যার অবদান না বললে গল্পটা অর্পূণই থেকে যাবে। সেটা হচ্ছে উই গ্রুপ Women and e- Commerce forum ( WE ) আমার প্রানের গ্রুপ। এখানে শতশত উদ্যোক্তা আপুদের সাথে খুব ভালো একটা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এখান থেকেও আমি অনেক অর্ডার পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।নিশা আপু এবং রাজিব স্যারে কাছে আমি কৃতজ্ঞ, এত সুন্দর একটা গ্রুপ তৈরি করে উদ্যোক্তা হিসেবে আমাদের পরিচিতি করিয়ে দেওয়ার জন্য।

সবশেষে বলতে চাই। ভাল পজিশনে যেতে সবাই চায়, কিন্তু কখনো নিজেকে পরিবর্তন করে নয়। নিজের ভিতর থেকেই উন্নতি করতে হবে। ভুলে যাওয়া উচিত, কে আঘাত করেছে, কে শত্রু ছিল। তবে ভুলে যাওয়া উচিত হবে না, কে ভালোবাসতো। অতীতকে ভুলে যাওয়া শ্রেয়, যা কাঁদায় এবং বর্তমানের দিকে মনোনিবেশ করা উচিত যা আনন্দ দেয়।

এটাই ছিল আমার ভয়কে জয় করার গল্প। আমি আপনাদের ভালোবাসার কান্তা চৌধুরী, সব সময় চাই আমার মতন আরও হাজার কান্তা আছে যারা ভয়কে জয় করার জন্য প্রতিনিয়ত লড়ছে তাদের পাশে থাকুন।

আর সময় সুযোগ করে আমার স্বপ্নের ঘরে ঘুরে আসতে পারেন। আমার স্বপ্নের ঘরের ঠিকানা হচ্ছে Farheen Glam and Fashion

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

সারাদেশে করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু

0

মহামারি করোনাভাইরাসে সারাদেশে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৭২৪ জনে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৬৮৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্ত হলো মোট ৮ লাখ ৫ হাজার ৯৮০ জনের। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৭০ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫ জন।

মারা যাওয়া ৩০ জনের মধ্যে ২১ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী। এরমধ‌্যে সরকারি হাসপাতালে ২৪ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৪ জন ও বাসায় ২ জন মারা গেছেন।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

বাগেরহাটে টাকা পাচারের মামলায় নিউ বসুন্ধরার এমডির জামিন বাতিল

0

বাগেরহাটে ১১০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগের মামলায় নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মান্নান তালুকদারের জামিন বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। সেই সঙ্গে তাকে দুই সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোম্পানির চেয়ারম্যান আনিসুর রহমানের জামিন স্থগিতাদেশও বহাল রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান ও আসিফ হোসেন। আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস ও আশরাফ আলী।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ মে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মান্নান তালুকদার ও চেয়ারম্যান আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে ১১০ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ১৩৫ টাকা ৫৮ পয়সা অবৈধ সম্পদ অর্জন, অপরাধলব্ধ আয় স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের অভিযোগের মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি টাকা। কোম্পানির মোট এক হাজার শেয়ারের মধ্যে আবদুল মান্নান তালুকদারের ৮৫০টি, চেয়ারম্যান আনিসুর রহমানের ৫০টি, তার মা সালেহা বেগম ও স্ত্রী জেসমিন নাহার ৫০টি করে শেয়ারের মালিক।

প্রকৃতপক্ষে নিউ বসুন্ধরার চেয়ারম্যান হিসেবে মো. আনিসুর রহমানের নাম থাকলেও প্রতিষ্ঠানের সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুল মান্নান তালুকদার।

গত কয়েক বছরে বাগেরহাটের ১৬টি ব্যাংকের ৩০টি (অ্যাকাউন্ট) হিসাবে ১১০ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ১৩৫ টাকা জমা করেন। গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া এই বিপুল পরিমাণ অর্থ তিনি ব্যাংক থেকে তুলে পাচার করেছেন বলে অভিযোগ উঠে।

এ মামলায় গত বছরের শেষের দিকে তাদের জামিন দেন হাইকোর্ট। পরে তারা কারামুক্ত হন। এর মধ্যে দুদক ওই জামিনের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে। ২৫ এপ্রিল আনিসুর রহমানকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন আপিল বিভাগ। সে অনুসারে তিনি আত্মসমর্পণ করে এখন কারাবন্দী।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট পেশ সংসদে

জাতীয় সংসদে‘জীবন-জীবিকায় প্রাধান্য দিয়ে সুদৃঢ় আগামীর পথে বাংলাদেশ’ শিরোনামে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এটি দেশের ৫০তম ও আওয়ামী লীগ সরকারের ২১তম এবং বর্তমান অর্থমন্ত্রীর ৩য় বাজেট। প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মন্ত্রীদের মধ্যে উপস্থিত রয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, তথ্যমন্ত্রী ড হাছান মাহমুদসহ আরও অনেকে।‌

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ায় ৭ দিনের জন্য লকডাউন

0

সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমন ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় শনিবার (৫ জুন) সকাল ৬ টা থেকে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা করেনা প্রতিরোধ কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল জানান, লকডাউনের সময় সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১২ টা পর্যন্ত জরুরি নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া এ সময় সকল প্রকার গনপরিবহন বন্ধ থাকবে।

লকডাউনের সময় সাধারন মানুষের চলাচল ও ভিড় এড়ানোর জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। সাতক্ষীরার সাথে যশোর ও খুলনাসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়কের যোগাযোগের পয়েন্টগুলিতে পুলিশ চেকপোষ্ট থাকবে।

এ সময় সীমান্তে পারাপার বন্ধ থাকবে। শহরে থাকবে ভ্রাম্যমান আদালত। বাধা নিষেধ অমান্যকারীদের জরিমানা করা হবে। তবে, ভোমরা স্থল বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম চালু থাকলেও সেখানে সকল প্রকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়েত জানান করোনা সংক্রমনরোধে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

বাগেরহাটে গত মাসে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে ১২২ শতাংশ

0

বাগেরহাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। গত মে মাসে আগের ১২ মাসের তুলনায় সংক্রমণ ১২২ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে মোংলা উপজেলা উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে।

বাগেরহাট সিভিল সার্জন অফিসের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এমনটি জানা গেছে। মে মাসে জেলার ৯ উপজেলায় ২৫২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। যেখানে ২০২০ সালের মে থেকে গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত অর্থাৎ ১২ মাসে শনাক্ত হয় ১ হাজার ৩৬২ জন। অর্থাৎ প্রতিমাসে গড়ে আক্রান্ত প্রায় ১১৪ জন। সেই তুলনায় গত মে মাসে আক্রান্ত বেড়েছে ১২২ শতাংশ। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির।

বাগেরহাট সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের মে মাসের প্রথম দিকে বাগেরহাটে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে বাড়তে থাকে শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। ২০২০ সালের মে থেকে ২০২১ সালের ০১ জুন পর্যন্ত জেলায় ১ হাজার ৬১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়ে। এর মধ্যে মারা গেছে ৪২ জন। সুস্থ হয়েছে ১ হাজার ৬৬২ জন।

শনাক্তের দিক দিয়ে সব থেকে বেশি বাগেরহাটের সদর উপজেলা। এই উপজেলায় এ পর্যন্ত ৬৬৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর পরেই রয়েছে ফকিরহাট। এই উপজেলা ২৩৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে সব থেকে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে মোংলা উপজেলা। এখন পর্যন্ত বন্দর নগরীর এই উপজেলায় ১৮৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে গত এক সপ্তাহে ৬৩ জনের শনাক্ত হয়। আর সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ৩৩ জনের। এ কারণে এই উপজেলায় আট দিনের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার বলেন, ঈদের পরে হঠাৎ করে মোংলা উপজেলায় করোনা সংক্রমণ বেড়ে যায়। সংক্রমণ ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংক্রমিত কয়েকটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন রয়েছে।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, গত মাসে বাগেরহাটে করোনা সংক্রমণ পূর্বের তুলনায় বেশ বেড়ে গেছে। করোনা সংক্রমণরোধে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানান তিনি।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

আরও দুইদিন বাড়ল গোপালগঞ্জের লকডাউন

0

মহামারি করোনা সংক্রমণরোধে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাতপাড়, বৌলতলী ও সাহাপুর ইউনিয়নে লকডাউন আরো ২ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে সাতপাড় ইউনিয়নের তেলিভিটা গ্রামের লকডাউন চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

বুধবার (২ জুন) ৭ দিনের লকডাউন শেষ হওয়ায় ২ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিষয়টি সিভিল সার্জন ডা: সুজাত আহমেদ নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাতপাড়, বৌলতলী ও সাহাপুর ইউনিয়নে হঠাত করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রেড়ে যায়। এতে আতংকিত পড়লে গত বৃহস্পতিবার (২৭ মে) ওই তিন ইউনিয়নে লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছিল। তবে করোনা না কমায় আবারো আরো দুই দিনের লকডাউন দেয়া হয়।

গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানাগেছে, গত ৭ দিনে গোপালগঞ্জে নতুন করে আরো ৯০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় ৩ হাজার ৮৯১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪০ জন।

এদিকে করোনা মোকাবেলায় ‌গোপালগ‌ঞ্জে সদ‌র উপজেলার ২১ ইউ‌নিয়নের গ্রাম পু‌লিশদের নিয়ে এক কর্মশালা করেছে গোপালগঞ্জ সদর থানা পু‌লিশ। বৃহস্প‌তিবার দুপুরে সদর থানার হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: ম‌নিরুল ইসলাম।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১