Monday, March 30, 2026
Home Blog

‘ভারত বাস্ততে পারে না, তাই সিনেমায় যুদ্ধ জয় করে’

0

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর ২’। ১৯ মার্চ মুক্তির পর প্রথম দিনেই ছবিটি আয় করেছে ১০২ কোটি ৫৫ লাখ রুপি। তবে শুধু ভারতে নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও জায়গা করে নিয়েছে ছবিটি। ‘ধুরন্ধর ২’ তে একজন ভারতীয় গুপ্তচরের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা রণবীর সিং। ছবিটির গল্প পাকিস্তানের করাচির লিয়ারি এলাকাকে কেন্দ্র করে। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল, অক্ষয় খান্না, সারা অর্জুন ও সঞ্জয় দত্ত।

তবে ছবিটি এরই মধ্যে তোপের মুখে পড়েছে। এমনকি ছবিটি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ নাবিল গাবোল। অনেকের ধারণা, ছবিতে রাকেশ বেদি অভিনীত ‘জামিল জামালি’ চরিত্রটি তার সঙ্গে মিল রয়েছে, বিশেষ করে গল্পের সময় তিনি করাচির লিয়ারি এলাকার এমএনএ ছিলেন। এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারত বাস্তবে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে পারে না, তাই সিনেমায় যুদ্ধ জয় করে।’

সম্প্রতি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে আলাপে গাবোল বলেন, ‘তারা (ভারত) পাকিস্তান বা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করতে পারে না, তাই একটি সিনেমা বানিয়েছে। এর মাধ্যমে তারা লিয়ারিকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত করেছে। লিয়ারির মানুষ এসব নিয়ে মাথা ঘামায় না, তারা অনেক শক্ত। আমার চরিত্রে একজন কমেডিয়ান, রাকেশ বেদিকে নেওয়া হয়েছে এবং তাকে নাবিল গাবোল হিসেবে দেখানো হয়েছে।’

আরও পড়ুনঃ ইরানের নেতৃত্ব ও রেজিম চেঞ্জ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ট্রাম্পের

তিনি আরও বলেন, ‘রাকেশ বেদি বলেছেন, তিনি শুধু আমাকে নয়, সব পাকিস্তানি রাজনীতিবিদদের মিলিয়ে চরিত্রটি করেছেন। কিন্তু ২০০৭ সালে লিয়ারির এমএনএ ছিলাম আমি।’

সামাজিক মাধ্যমে ট্রলিং নিয়েও গাবোল বলেন, ‘ভারতীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই জিজ্ঞাসা করছে, নাবিল গাবোল কেন চুপ। আমি জোরালো জবাব দেব। যেমন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জবাব দিয়েছে, আমিও লিয়ারি আসলে কী, তা দেখাব।’

তিনি আরও জানান, নিজের অবস্থান তুলে ধরতে একটি সিনেমা বানানোর পরিকল্পনা করছেন, যার সম্ভাব্য নাম ‘লিয়ারি কা গব্বর’।

এর আগে ‘ধুরন্ধর’ প্রথম কিস্তি মুক্তির সময়ও তিনি একই ধরনের আপত্তি তুলেছিলেন। তখন তিনি বলেন, ‘আমার চরিত্রকে সঠিকভাবে দেখানো হয়নি। আমি অনেক দাপুটে ছিলাম, কিন্তু সেটি ঠিকভাবে তুলে ধরা হয়নি।’

ইরানের নেতৃত্ব ও রেজিম চেঞ্জ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ট্রাম্পের

সম্প্রতি ফাইনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধের প্রথম দিনেই দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়তুল্লাহ আল খামেনিসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যার মাধ্যমে ইরান এখন রেজিম চেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আমরা এখন যাদের বিরুদ্ধে লড়ছি, তারা ভিন্ন। তারা অনেক প্রফেশনাল।’

আরও পড়ুনঃ বাতিল হচ্ছে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’, ভবিষ্যতে আর কোনো গণভোট হবে না

একই সঙ্গে ইরানের বর্তমান সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আল খামেনির সন্তান মোজতাবা আলি খামেনি সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘মোজতাবা আলি খামেনি হয় মারা গেছেন কিংবা মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন।’

দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর প্রকাশ্যে মোজতাবা আলি খামেনিকে দেখা যায় নি কিংবা কোনো ভাষণ শোনা যায় নি দেখে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তার কাছ থেকে কোনো কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। সে নাই।’

বাতিল হচ্ছে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’, ভবিষ্যতে আর কোনো গণভোট হবে না

0

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের অধিকাংশ যাচাই-বাছাই শেষে বিশেষ কমিটি আগামী ২ এপ্রিল সংসদে উপস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে গণভোট সম্পর্কিত অধ্যাদেশ ইতোমধ্যেই প্রয়োগ হয়ে যাওয়ায় সেটি বিল আকারে সংসদে তোলা হবে না। এ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।

সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংসদে উত্থাপনের জন্য নির্ধারিত অধ্যাদেশের মধ্যে রয়েছে মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার সংক্রান্ত অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয়। এই অধ্যাদেশগুলোর সংশোধনীসহ সংসদে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে কমিটিতে থাকা জামায়াতের সংসদ সদস্যরা এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। মোট ১৫টি অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে বিরোধী সদস্যরা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন।

রোববার (২৯ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টায় জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে বিশেষ কমিটির বৈঠক শুরু হয়। প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকে তৃতীয় দিনের আলোচনায় ১৩৩টি অধ্যাদেশের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়। কমিটির প্রতিবেদন ২ এপ্রিল সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

সংবিধানে গণভোটের বিধান সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন কমিটির সদস্য ও জামায়াতের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘গণভোটে পুরো জাতি সরাসরি যুক্ত ছিল। কিছু পক্ষ এটি বাতিলের দাবি করছে, যা আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। যদি গণভোটকে সংবিধানবিরুদ্ধ বলা হয়, তাহলে একই দিনে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন কিভাবে বৈধ ধরা হবে? জনগণ ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করেছে, তাই গণভোটের রায় কার্যকর করতে হবে এটাই আমাদের মূল দাবি।’

অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণভোট অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়ে গেছে। যে কারণে এটি প্রণয়ন করা হয়েছিল, এর অধীনে ভবিষ্যতে আর কোনো গণভোট হবে না। তাই এটিকে বিল আকারে এনে আইন করার প্রয়োজন নেই এবং এটি রেটিফিকেশনেরও দরকার নেই।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। এতে অংশ নেন কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানসহ অন্যরা। বিশেষ কমিটির আমন্ত্রণে মোহাম্মদ নাজিবুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই প্রসঙ্গে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, কিছু মৌলিক বিষয়ে আগে থেকেই মতভেদ ছিল এবং এখনো তা রয়ে গেছে। সরকারি দল সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কিছু সিদ্ধান্ত পাস করার চেষ্টা করেছে। মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন ও গুম-খুন প্রতিরোধ কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগের অবস্থায় নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং বিচারপতি নিয়োগের বাছাই কমিটি, যেগুলো সংস্কারের মাধ্যমে আনা হয়েছিল, সেগুলো তারা রহিত করে আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চায়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) স্বাধীনতা খর্ব করার বিষয়েও আমরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়নি, সেগুলো চূড়ান্ত আলোচনার জন্য সংসদে তোলা হবে। ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১০-১৫টি বিষয়ে আমরা কিছু সংশোধনীসহ একমত হয়েছি। বাকি যেগুলোতে জনগণের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা আছে, সেগুলোতে আমরা ছাড় দেব না। সংসদে এসব বিষয়ে ভোটাভুটি বা বিস্তারিত আলোচনা হবে।

এ বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশের প্রতিটির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অনেকগুলো যেভাবে আছে, সেভাবে পাস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিছু সংশোধন করে বিল আনা হবে। আর কিছু বিল আনার সময় নাও পাওয়া যেতে পারে। সেগুলো পরবর্তী অধিবেশনে আনা হবে। বিরোধী ও সরকারি দলের সদস্যদের নোট অব ডিসেন্টগুলো প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং বিল উত্থাপনের সময় সবাই বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

যে স্বর্গে তুমি করো বসবাস

0

যে স্বর্গে তুমি করো বসবাস
সেই স্বর্গ হোক তোমার সর্বনাশ
আমি থাকি আষাঢ় শ্রাবণে পদ্ম ভাসা জলে
বসন্ত আমার কাল হয়েছে ফাগুনের মাসে।

নাই কোন সুখ হৃদয়ে আমার
অচিন গাঁয়ে করি বাস
যে ছিল মোর কাছের মানুষ সেই যে হলো পর।

হায় নিয়তি একি করলি চোখ মুদলে আসে জল
যায়না ভুলা অনেক কথা
নিত্য করি স্মৃতিচারণ
তোমার সুখটি দেখলে শুধু আমায় করলে পথহারা।

কামাল হোসেন কলিম

গুমের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ জমা মাইকেল চাকমার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে গুমের শিকার হওয়া ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুলের কাছে তার গুমের ঘটনার মৌখিক অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন আলোকচিত্রী শহীদুল আলম ও তার স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ।

আরও পড়ুন: ২০২৪ সালে বাংলাদেশি টাকা এশিয়ার অন্যতম দুর্বল মুদ্রা

পরে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আইনের বিধান অনুযায়ী গুমের এই মৌখিক অভিযোগ আমলে নেওয়া হবে। মাইকেল চাকমা লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর তদন্ত কাজ শুরু হবে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে মাইকেল চাকমা বলেন,২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের সাত আগস্ট পর্যন্ত গুম ছিলেন তিনি।চলতি বছরের ৭ আগস্ট ভোরে চট্টগ্রামের একটি স্থানে তাকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ২০১৩ সালে ইউপিডিএফের হয়ে তারা অবরোধ করেছিলেন। এই ঘটনায় তখন শেখ হাসিনা দেখে নেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছিলেন। এছাড়া শান্তি চুক্তির বিরোধীতা করায় গুম হওয়ার পর তাকে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। তার আশঙ্কা এসব ঘটনায় তাকে গুম করা হয়েছিল। এই জন্যই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন।

২০২৪ সালে বাংলাদেশি টাকা এশিয়ার অন্যতম দুর্বল মুদ্রা

0

টানা তৃতীয় বছরেও অব্যাহত রয়েছে ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকার বড় অবমূল্যায়ন। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অবমূল্যায়ন ঘটেছে ৯ শতাংশেরও বেশি। তবে এ হিসাব কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষিত দরের ক্ষেত্রে।

কার্ব মার্কেট বা খোলা মুদ্রাবাজারের দর আমলে নিলে চলতি বছর টাকার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার বেড়েছে সাড়ে ১৪ শতাংশ। সে হিসাবে ২০২৪ সালে এশিয়ার উল্লেখযোগ্য মুদ্রাগুলোর মধ্যে টাকার অবস্থানই সবচেয়ে দুর্বল।

আরও পড়ুন: গাজায় বর্বর হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল, নিহত আরও ৩১

বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত দর অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শুরুতে প্রতি ডলারের সর্বোচ্চ বিনিময় হার ছিল ১১০ টাকা। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রতি ডলারের সর্বোচ্চ দর ১২০ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

ঘোষিত এ দর আমলে নিলে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ। তবে ব্যাংকগুলো এখন ১২৬ টাকায়ও রেমিট্যান্সের ডলার কিনছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক দশক আগে ডলারের দর বেঁধে রাখার যে নীতি বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়েছিল, গত তিন বছর সেটিরই খেসারত দিতে হচ্ছে। ২০১২ সাল পরবর্তী সময় থেকেই দেশে ডলারের দর বেঁধে রাখা হয়েছিল। ওই সময় দরকার ছিল ডলারের দরের সঙ্গে সংগতি রেখে ধীরে ধীরে টাকার অবমূল্যায়ন ঘটানো।

আরও পড়ুন: মিশরের পথে প্রধান উপদেষ্টা

কিন্তু ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকার টাকাকে শক্তিশালী দেখাতে চেয়েছে। এ কারণে টাকাকে অতিমূল্যায়িত করে রাখা হয়েছিল। কিন্তু ২০২২ সাল পরবর্তী সময়ে এসে বাঁধ দিয়ে রেখেও টাকার অবমূল্যায়ন ঠেকানো যায়নি।

বিমান বাংলাদেশে চাকরি, আবেদন করুন আজই

0

সম্প্রতি ৩টি পদে ৫২৫ জনকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড। আগ্রহীরা ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন ব্যতিত অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

চাকরির ধরন: স্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আরও পড়ুন: গাজায় বর্বর হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল, নিহত আরও ৩১

বয়স: ৪ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ ১৮-৩২ বছর। এসএসসি পাসের সনদপত্রের ভিত্তিতে বয়সসীমা নির্ধারণ করা হবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে। ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে যারা ইতোপূর্বে আবেদন করেছেন তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।

আবেদন ফি: টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে প্রতিটি পদের জন্য ৩৩৫ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে।
তথ্যসূত্র: সমকাল, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

ইজতেমা ময়দানে দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ২

আজ (১৮ ডিসেম্বর) ভোরে গাজীপুরে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মাওলানা সাদ ও জুবায়েরপন্থিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ২ জন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইস্কান্দার হাবিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন-কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জুবায়েরপন্থি সাথি মো. আমিনুল ইসলাম বাচ্চু ও বগুড়া জেলার সাদপন্থি সাথি তাইজুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: গাজায় বর্বর হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল, নিহত আরও ৩১

ওসি ইস্কান্দার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ইজতেমা ময়দানে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহতের খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ব ইজতেমার আগে ২০ ডিসেম্বর থেকে পাঁচদিনের জোড় ইজতেমা করার জন্য সাদ অনুসারী মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। আর সাদপন্থিরা যেন ইজতেমা ময়দানে প্রবেশ করতে না পারেন সেজন্য আগে থেকেই ময়দানে অবস্থান করছিলেন জুবায়েরপন্থিরা।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ৩টার পর মাওলানা সাদ অনুসারী শত শত মুসল্লি কামারপাড়া ব্রিজ পার হয়ে ইজতেমা ময়দানের বিদেশি নিবাসের গেট দিয়ে ময়দানে প্রবেশ করেন। এসময় ইজতেমা ময়দানের ফটকে জুবায়ের অনুসারীরা পাহারায় থাকায় তাদের মারধর করে ফটক খুলে ময়দানে প্রবেশ করেন সাদপন্থিরা। ময়দানের বিভিন্ন স্থানে ঘুমিয়ে থাকা জুবায়েরপন্থি মুসল্লিদের ওপর হামলা চালান মাওলানা সাদের অনুসারীরা। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কিছু মুসল্লি আহত হন। তাদের উদ্ধার করে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন: মিশরের পথে প্রধান উপদেষ্টা

তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের (শুরায়ি নেজাম) মাওলানা জুবায়ের অনুসারী মিডিয়া সমন্বয়কারী হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বুধবার দুপুর ১২টায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ সভা করার কথা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিসসহ কয়েকজন সমন্বয়ক রাত আড়াইটায় কাকরাইল মসজিদে আমাদের সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন কীভাবে সমস্যা সমাধান করা যায়। একটু পরই খবর আসে সাদপন্থিরা আশপাশ থেকে বিভিন্ন গুন্ডা সন্ত্রাসী ভাড়া করে এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের নতুন, পুরাতন সমস্ত সাথি জমা করে টঙ্গী ময়দানের বিদেশি তাবু ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। সাদপন্থিরা কোনোভাবেই প্রশাসনিক কোনো সিদ্ধান্ত পাচ্ছে না দেখে মাঠে ইজতেমার কাজে নিয়োজিত ঘুমন্ত তাবলীগের সাথিদের ওপর রাত ৪টার দিকে সন্ত্রাসীমূলক হামলা চালায়। এতে বিপুল সংখ্যক সাথি আহত হয় এবং ঘটনাস্থলেই মো. আমিনুল ইসলাম বাচ্চু নামে আমাদের একজন সাথি নিহত হয়েছেন। বর্তমানে প্রচুর দাওয়াত ও তাবলীগের সাথি ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কিছুক্ষণ আগে ঢাকা মেডিকেলে আমাদের আরও একজন মারা যান। তবে তার নাম জানতে পারিনি।

এদিকে মাওলানা সাদ অনুসারী মিডিয়া সমন্বয়কারী মো. সায়েম জানান, শান্তিপূর্ণভাবে তাদের সাথিরা ইজতেমা ময়দানে প্রবেশের চেষ্টাকালে জুবায়ের অনুসারীরা হামলা চালায়। এতে তাইজুল ইসলাম নামের এক সাথি নিহত হন।

মিশরের পথে প্রধান উপদেষ্টা

ডি-৮ সম্মেলনে যোগ দিতে মিশরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত ১টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি মিশরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: গাজায় বর্বর হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল, নিহত আরও ৩১

ডি-৮ (ডেভেলপিং এইট) অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার ২০২৪ সালের শীর্ষ সম্মেলন মিশরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মিশর এই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ডি-৮ সংস্থা বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান এবং তুরস্কের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন ইস্তাম্বুল ঘোষণার মাধ্যমে এই সংস্থার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

গাজায় বর্বর হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল, নিহত আরও ৩১

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের বর্বর হামলায় আরও ৩১ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ৭৯ জন। এতে করে এই পর্যন্ত উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৪৫ হাজার ৫০ ছাড়ালো। আহতের সংখ্যা লক্ষাধিক।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় কমপক্ষে আরও ৩১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ১৭ ডিসেম্বর গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা ৪৫ হাজার ৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া মোট আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ৭ হাজার ৪১ জন ফিলিস্তিনি।

আরও পড়ুন: নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন

অন্যদিকে, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজা উপত্যকা জুড়ে ধ্বংস হওয়া ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও লোকবলের কারণে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর থেকেই গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই হামলায় গাজার হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ ও গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা