Thursday, April 9, 2026
Home Blog Page 121

টেকনাফে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গুলিতে ৩ ভাই গুলিবিদ্ধ

0

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ২৭ নম্বর জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের (নেছারী পার্ক উত্তর) সি/৮ ব্লক এলাকার হাবিবুর রহমানের বাড়িতে পূর্ব শত্রুতার জেরে বুধবার (৩০ জুন) রাত ৩টার দিকে রোহিঙ্গার সন্ত্রাসীদের গুলিতে 3 ভাই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

টেকনাফ ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তারিকুল ইসলাম জানান, বুধবার ভোর রাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জাদিমুড়ার রোহিঙ্গা হাসেমুল্লা, নুরু, আবু তাহের কালুর নেতৃত্বে একদল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা করে হাবিবুর রহমানের বাড়িতে।

সেখানে তারা ওই পরিবারের লোকজনদের মারধর ও এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে হাবিবুর রহমানের তিন ছেলে রহমতুল্লাহ, সালামতুল্লাহ ও মোহাম্মদ হোসেন গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাদের দ্রুত টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। এরপর ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। আহতরা বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

ভারি বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে বন্যার আশঙ্কা

0

ভারি বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে বৃদ্ধি পেয়েছে তিস্তায় পানি। বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে চর অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বুধবার (৩০ জুন) দুপুরে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২.৪৫ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে ব্যারেজ রক্ষায় ৪৪টি গেট খুলে দেয়া হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ৬টা থেকে থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সর্বশেষ দুপুর ১২টায় পানি ৫২.৪৫ সেন্টিমিটার স্পর্শ করে। ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে তিস্তার পানি।

জানা যায়, তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে ভাঙন।

এ বিষয়ে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) আব্দুল আল মামুন বলেন, ‘উজানে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবু জাফর জানান, বন্যার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া আছে। বন্যার্তদের সহায়তা দেয়ার জন্য শুকনো খাবার মজুত রয়েছে।

বগুড়ায় গত ২৪ ঘন্টায় ৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১২৭

0

মহামারি করোনায় বগুড়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারিয়েছে আরও ৮ জন। এ নিয়ে গত ৪৮ ঘণ্টায় ১৫ জনের মৃত্যু হলো।

নতুন করে আরও ১২৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একই সময় সুস্থ হয়েছেন ৬১ জন।

বুধবার (৩০ জুন) বেলা ১১টায় বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, এনিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হলেন ১৩ হাজার ৮৩৯ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ৬১২ জন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৯৪ জন। বর্তমানে করোনায় চিকিৎসাধীন আছেন ৮৩৩ জন।

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বের হওয়া যাবে না : ডিএমপি কমিশনার

0

মহামরি করোনা সংক্রমণ রোধে ১ জুলাই থেকে ৭ দিনের লকডাউনে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বের হওয়া যাবে না। এমনটাই বলেছেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মোহা. শফিকুল ইসলাম।

তিনি আরও বলেন, কঠোর লকডাউনে কেউ যদি বের হন তার বিরুদ্ধে সংক্রমণ ব্যাধি আইনে সর্বোচ্চ ৬ মাসের সাজা কার্যকর করা হবে। এ জন্য মাঠে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করবে।

বুধবার (৩০ জুন) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বরিশাল জেলার পাটিসাপটা পিঠা তৈরির রেসিপি

পিঠা-পায়েস বাংলাদেশের খাবারের তালিকায় সব সময়ই স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশের একটি জেলা বরিশাল।বরিশালের পিঠার সুনাম রয়েছে সর্বত্র।একবার যে এখানকার পিঠা খাবে সব সময় তা মনে রাখবে।

মজাদার সব পিঠার মধ্যে পাটিসাপটাও কোন অংশে কম যায় না।আজ পাটিসাপটা পিঠা তৈরির রেসিপি দিবো-

পুরের জন্য : দুধ – ২লিটার,এলাচ – ২ টি,দারুচিনি – ২ টি,তেজপাতা – ২ টি,চিনি – স্বাদমত,লবণ – সামান্য,চালের গুঁড়া – ২ টেবিল চামচ

প্রণালিঃ চুলায় দুধে দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা দিয়ে জ্বাল দিতে হবে।২ লিটার দুধ কমে হাফ লিটার হলে তাতে চিনি, লবণ চালের গুঁড়া মেশাতে হবে।ঘরে যদি ছানা বানানো থাকে নামানোর আগে মিশিয়ে নিতে হবে, তাতে পুর আরও ঘন হবে। পুর আঠালো হলে নামিয়ে নিতে হবে।

পাটিসাপটার রুটির জন্যঃসুজি – ১/২ কাপ,গুঁড়া দুধ – ১/২ কাপ,ময়দা – ১/২ কাপ,ডিম – ১ টি,চিনি স্বাদ অনুযায়ী,চালের গুঁড়া – ৪ টেবিল চামচ।

প্রণালি : দুধ ও সুজি ১ কাপের একটু বেশি পানি দিয়ে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে।৩০ মিনিট পর ডিম ভালো করে ফেটে, ময়দা, চিনি ও সুজির মিশ্রণ, চালের গুঁড়া ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। পানি দিতে হবে আন্দাজমত। মিশ্রণটা ঘন হবে না, আবার খুব বেশি পাতলাও হবে না । যেন ফ্রাইপ্যাণে দিলে রুটির মত সেপ আসে।

এবার ফ্রাইপ্যাণে একটু তেল মাখিয়ে চুলায় দিতে হবে তবে খেয়াল রাখতে হবে বেশি তেল যেন না হয় ।প্যান গরম হলে ছোট কাপের হাফ কাপ পরিমাণ করে গোলানো ময়দার মিশ্রণ দিতে হবে এবং সাথে সাথে প্যান ঘুরিয়ে ছড়িয়ে গোল আকারে করে নিতে হবে
এবার পুর রুটির উপর দিয়ে ভাঁজ করে নিতে হবে এবং এপিঠ ওপিঠ করে ভেজে নামিয়ে নিতে হবে।

বই রিভিউ (আদর্শ হিন্দু হোটেল)

0

সফলতার চাবিকাঠি বলতে শুধু মেধা, পরিশ্রম কিংবা সততা যেকোনো একটিকে বিশেষায়িত করা উচিত নয় যার জ্বলন্ত প্রমাণ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়েছেন তাঁর লেখা “আদর্শ হিন্দু হোটেল” বইটিতে।

শুধু পরিশ্রমই যদি প্রয়োজন ছিল তবে গায়ে খাটা শ্রমিকরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সফল ব্যক্তি হতে পারতেন নতুবা শুধু মেধাই যদি হতো একমাত্র সম্বল তবে যেকেউ ঘরের কোণে বসে মেধার জোরেই করে নিত বিশ্বজয়।অন্যদিকে সততা ছাড়া মেধা আর পরিশ্রমের কোনো মূল্য আদো আছে কি?

হিন্দু হোটেলের হাজারি অজোপাড়া থেকে উঠে আসা এক হতদরিদ্র রাধুনি যার পরিবার অনাহারে,অর্ধাহারে দিন কাটাতো। অথছ সেই হতদরিদ্রের স্বপ্ন ছিল আকাশচুম্বী এবং সে প্রমাণ করেছে মানুষ তার স্বপ্নের সমানই বড়।

হাজারিকে তাচ্ছিল্য করার দাঁত ভাঙ্গা জবাব সে দিয়েছে সফলতা দিয়ে, তুঙ্গস্পর্শী প্রাপ্তি নিয়ে হাজারি এখন একসময়কার বিত্তবান ব্যক্তিদের রক্ষক।

রিভিউ ক্রেডিট জান্নাত ফাতেমা।

বই রিভিউ (পুবাল হাওয়া)

0

রেলস্টেশনে রকমারি সব মানুষের মিলনমেলা হয়ে থাকে,চোর-চামার-বিজ্ঞ আর বিত্তমান আগুন্তুক কিংবা রেলের নষ্ট বগীতে জন্ম নেয়া নিষ্পাপ শিশু সকলের সমাগমে চলে যায় রেলস্টেশনের দিন গুলো।

ব্যস্ত স্টেশনে কার মন ভাঙ্গল,কার ঘর ভাঙ্গল,কার দেহ বিক্রি হলো এসব নিয়ে চিন্তা করার সময় যাত্রীদের না থাকলেও থেমে থাকেনা রেলের অন্ধকার গলিতে বেড়ে উঠা জনজীবন।তাদেরও কিছু সুখের গল্প থাকে,প্রণয়ের পরিণতি থাকে,থাকে স্বপ্ন হরণের গল্পও।ভিক্ষুকদের দলনেতা নতুবা কুলিদের সর্দার পদ লাভ করা নিয়েও থাকে দ্বন্দ।এভাবেই চলতে চলতে রোগে-শোকে ব্যস্ত থাকে রেলচিত্র।

শাহজাহান আহমেদ এর লেখা ‘পুবাল হাওয়া‘ বইটিতে রেলস্টেশনে বেড়ে উঠা বঞ্চিত ছন্নছাড়া কিছু চরিত্র গল্পের নায়ক,নায়িকার রুপে স্থান পেয়েছে। অর্থাৎ সুবিধাবঞ্চিত বলে তারা কারো প্রেয়সী বা প্রেমিক পুরুষ হতে পারবেনা এমনটি নয়।রিকসার হুড ফেলে স্রী-সন্তানকে নিয়ে ধর্মসাগর পার ঘুরতে যাওয়া তাদেরও চিরদিনের স্বপ্ন হতে পারে!

রিভিউ ক্রেডিট জান্নাত ফাতেমা।

বই রিভিউ (সাতকাহন)

0

সমরেশ মজুমদারের ‘সাতকাহন’ বাংলা সাহিত্যের এক সাড়াজাগানো উপন্যাস নিঃসন্দেহে। অত্যন্ত নারীবাদী এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘দীপা’ পুরোনাম ‘দীপাবলি বন্দোপাধ্যায়’। আড়ংভাসার তীরের সুবিশাল চা-বাগানের মধ্যে বেড়ে উঠেছে দীপা।

দশবছর বয়স থেকেই যাকে অতিক্রম করতে হয়েছে একের পর এক বাধা-বিপত্তি, কখনো বা দাঁড়াতে হয়েছে জীবনের অপ্রকাশিত অমোঘ সত্যের মুখোমুখি হয়ে। কিন্তু দীপা কখনোই হাল ছাড়েনি। নিরন্তর এগিয়ে গিয়েছে ওর স্বপ্নের রেখা ধরে।

পুরো উপন্যাস জুড়েই জীবনের বিভিন্ন ধাপে দীপাকে নিতে হয়েছে বেশ কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত। সবচেয়ে খারাপ সময়টা দীপা পার করেছে, বাবা অমরনাথের মৃত্যুর পর, পারিবারিক দুর্যোগকালে, চা-বাগানের চাকরিটা ফিরিয়ে দিয়ে। কিশোরী দীপার এই দৃঢ়চেতা আপোষহীন ব্যক্তিত্ব সত্যি মুগ্ধ করার মতো।

দীপার স্বপ্ন ছিলো আরও বড়, স্বপ্ন ছিলো এক উন্নত জীবনের। স্বপ্নগুলো একসময় পূরণ হলেও কালগর্ভে হারিয়ে যায় ওর আশপাশের আপন সব মানুষ,ওর মা, ছোট দুইভাই, বন্ধু-বান্ধব,এমনকি ভালোবাসার মানুষজনও। অতুল, অমল, শমিত, অর্জুন একে একে জীবন থেকে বিদায় নেয়ার পর দীপা গাঁটছড়া বেধে সংসার শুরু করে অলোকের সাথে। কিন্তু জীবন সম্পর্কে ওদের দৃষ্টিভঙ্গি পারস্পরিক বিপরীত হওয়ায়, সে সংসারও বেশিদিন স্থায়িত্ব পায় না।

সমাজের সব শৃঙ্খলা, রীতিনীতি-র শিকল ভেঙ্গে জীবনের পথ বেয়ে দীপা এগিয়ে চলে একরাশ শূন্যতা হাতে নিয়ে, পাশে থেকে ওর সঙ্গী হয় আরেক শূন্য মানবী, দীপার বৃদ্ধা ঠাকুমা মনোরমা।

লকডাউনে জরুরি কারণ ছাড়া বের হলেই কঠোর শাস্তি

0

মহামারি করোনার সংক্রমণ রোধে ১ জুলাই ভোর ৬টা থেকে সারাদেশে ৭ দিনের জন্য কঠোর লকডাউন চলবে। এ সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হলেই কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২৯ জুন) সরকারের এক তথ‌্য বিবরণীতে এ কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তথ‌্য বিবরণীতে বলা হয়, কঠোর বিধিনিষেধের সময় সরকারি, বেসরকারি অফিসসহ সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত প্রজ্ঞাপন বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হবে।

লকডাউনে সরকারি বিধিনিষেধ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ মাঠে থাকবে। স্বাস্থ‌্যবিধি মেনে চলাসহ লকডাউন কড়াকড়িভাবে প্রতিপালনে এই প্রথম সেনাসদস‌্যদের মাঠে নামানো হচ্ছে।

বই রিভিউ (ঝিলাম নদীর দেশ)

0

অপরূপ কাশ্মীরকে নিয়ে লেখা এই ভ্রমণ কাহিনী। নান্দনিক সৌন্দর্যের বিবরণ নিখুঁতভাবে দিয়েছেন বুলবুল সরওয়ার।

বিভিন্ন জায়গার বর্ণনা দিতে গিয়ে কাশ্মীরের ইতিহাস ও উঠে এসেছে। কাশ্মীরের চারপাশ ঘিরে থাকে মিলেটারিরা। ভারত অংশের পরাধীন এই কাশ্মীরের মানুষের মনে যে সুখ নেই তা আন্দাজ করা যায় সহজে।

তাই তো কাশ্মীরের নারী নাজনীন রুমালে চোখ মুছতে মুছতে বলে— দুনিয়াটা একটা যুদ্ধক্ষেত্রে। কি সংসার, কি অফিস–আদালত, আর কিইবা রাজনীতি —সর্বত্রই লড়াই। অন্ধকার কখনোই জায়গা ছেড়ে দেবে না, প্রদীপকে জ্বলে উঠতে হবে। আমরা হচ্ছি সেই প্রদীপ। পোড়ার জন্যই এ জীবন। তুমি আমার জন্য দোয়া করো।

তারপর নাজনীন মিলিয়ে যায়। যে নাজনীনের প্রেমে পড়েছিলেন লেখক।

এই ভ্রমণ কাহিনী পড়ার পর, মনের ভিতরে কাশ্মীর ঘুরে দেখার তীব্র ইচ্ছে তৈরি হয়েছে। কল্পনার চোখে ঝিলমিল করছে ঝিলাম নদীর জল। নাজনীনকে মনে হচ্ছে স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা। ডাল লেক, শ্রীনগর, পেহেলগাঁও, বুট হাউস, ইউসুফ শাহ, হাব্বা খাতুনের কবিতা আর লেখকের কাশ্মীরের বন্ধুদের সাথে কল্পনায় কেটে গেলো মধুময় সময়!