Thursday, March 26, 2026
Home Blog Page 182

যে কারণে শ্রীলংকা গেলেও আয়ারল্যান্ড সফরে যাচ্ছেনা বাংলাদেশ

বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা সিরিজ মোটামুটি নিশ্চিত। কিন্তু কিছুদিন আগে গুঞ্জন উঠেছিল শ্রীলংকার পর আয়ারল্যান্ড সফরে যেতে পারে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। কিন্তু ভেতরের খবর হলো, সে চিন্তা থেকে সরে এসেছে বিসিবি। আয়ারল্যান্ড সফরে না গিয়ে শ্রীলঙ্কায় খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত।

আয়ারল্যান্ড বাদ দিয়ে শুধু শ্রীলঙ্কায় খেলতে যাওয়া কেন? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, মূলত ঠাণ্ডার কথা মাথায় রেখে সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বরে আয়ারল্যান্ড না যাওয়ার সিদ্ধান্ত। বলার অপেক্ষা রাখে না, ঐ সময়টা আয়ারল্যান্ডে শীতের প্রকোপ বেশি থাকে। আর তখন খেলতে যাওয়ার অর্থ করোনা সংক্রমণের বাড়তি ঝুঁকি।

মূলত এ কারণেই আয়ারল্যান্ড সফর বাতিলের চিন্তা। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান আজ (রোববার) জানিয়েছেন, আগামী দু-তিন মাসের ভেতরে জাতীয় দলের আয়ারল্যান্ড যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আয়ারল্যান্ড যাওয়ার চিন্তা থেকে মোটামুটি সরে এসেছি। কারণ যে সময়টায় যাওয়ার কথা হচ্ছিল, তখন আয়ারল্যান্ডে বেশ ঠাণ্ডা পড়ে যাবে। আর প্রচন্ড শীতের ভেতর করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি খুব বেশী।

আমরা অযথা ঝুঁকি নিতে চাইনা। আমরা এমন কোনো সফর করতে চাই না, যেখানে ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে। আমরা ক্রিকেটারদের জীবন ও স্বাস্থ্যের নিরাপত্তার কথা ভেবেই আয়ারল্যান্ড না গিয়ে শ্রীলঙ্কায় খেলতে যাওয়ার কথা ভাবছি।’

ভারতের ভূখণ্ড দখল করে কাঁটাতারের বেড়া দিলো নেপালিরা!

ভারতকে পাত্তা না দিয়ে এবার উত্তরাখণ্ডের ‘নো ম্যানস  ল্যান্ড’-এ অবকাঠামো নির্মাণ শুরু করেছে নেপালিরা। নো ম্যানস  ল্যান্ডের ১০০-১৫০ মিটারের ওই এলাকাটি নিজেদের দাবি করে তারা ভারত-বিরোধী স্লোগানও তুলেছে।

তনকপুরের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেছেন, ওই বিতর্কিত জায়গাটি কার এবং সীমান্ত নির্ধারণের জন্য ভারত ও নেপালের যৌথ দল গঠন করা হয়েছিল। এলাকায় জরিপ পরিচালনার কথা ছিল সেই দলের। তবে করোনাভাইরাস মহামারির প্রকোপে সেই পরিকল্পনা স্থগিত হয়ে যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে গত ২২ জুলাই (বুধবার) কাঁটাতার লাগানোর জন্য ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’-এ ১৫-১৮ টি কাঠামো পুঁতে দেয় নেপাল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ভারতীয় কর্মকর্তারা। তবে নেপালের বাসিন্দারা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। তারা ভারতবিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করে। উত্তেজনা প্রশমনে পরে দু’দেশের সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেন।

তনকপুরের মহকুমা শাসক দয়ানন্দ সরস্বতী জানান, কাঠামো লাগানোর খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান সশস্ত্র সীমা বলের (এসএসবি) কর্মকর্তারা। খবর দেওয়া হয় জেলা প্রশাসনকে। মহকুমা শাসক বলেন, ‘চম্পাবত জেলার তনকপুর ব্যারেজ এবং ৮১১ পিলারের কাছে কয়েকটি কাঠামো বানিয়ে নেপালের বাসিন্দারা নো ম্যানস ল্যান্ডে জবরদখল করেছে বলে দেখা যায় এবং নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে। ওই এলাকাটি নেপালের ব্রক্ষ্মদেব এলাকার কাছে। যেখানে একটি ছোটো বাজার আছে।’

এসএসবি কমান্ড্যান্ট আর কে ত্রিপাঠী জানিয়েছেন, কাঠামোগুলি স্থায়ী নয়। সেগুলো সাধারণ কংক্রিট এবং কাঠের। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সেগুলো তুলে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নেপালের সশস্ত্র বাহিনী। যদিও বৈঠকে উপস্থিত এক এসএসবি কর্মকর্তা জানান, মুখে কাঠামো সরিয়ে নেওয়ার কথা বললেও আদতে কোনো কাজ করা হয়নি। শুক্রবারও নেপালের লোকজনদের পিলারের উপর কাঁটাতার বসাতে দেখা গেছে।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস।

এক বেলা পান্তা ভাত খেয়ে থাকা ছেলেটিই কি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ মিচেল স্টার্ক!

দেশের একবারে সর্ব উত্তরের এক জেলা পঞ্চগড়। সেখানকার অনুন্নত এক গ্রামে শরিফুল ইসলাম নামের এক কিশোর প্রায়ই গভীর মনোযোগে পুকুরে মাছ শিকার করে দিন কাটাত। কারণ একটাই, নিজের ধৈর্য বাড়ানো। যত সময় বড়শির পেছনে দেয়া যাবে, ততই বড় মাছ ধরা পড়ার সম্ভাবনা বাড়বে। একইসঙ্গে বাড়বে ধৈর্য।

বলা হচ্ছে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পেস আক্রমণের প্রধান কাণ্ডারি শরিফুল ইসলামের গল্প যার নেতৃত্বে উনিশের বিশ্বকাপ এসেছে বাংলাদেশের হাতে। বর্তমানে এই দলের যে কয়জনকে জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ ভাবা হচ্ছে তাদেরই একজন এই বাঁহাতি পেসার। লম্বা গড়নের কিশোরটি যেমন একই জায়গায় টানা বল ফেলে ব্যাটসম্যানকে বিরক্ত করতে ওস্তাদ, তেমনি বাউন্সারে প্রতিপক্ষকে কুপোকাত করতেও বেশ পারদর্শী।

সম্প্রতি ক্রিকেটবিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের উঠে আসার গল্প জানিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। ক্রিকেটার হওয়ার ভাবনা কিংবা ভবিষ্যৎ চিন্তা, কোনোটাই নাকি ছিল না শরিফুলের মনোজগতে। সর্বপ্রথম স্থানীয় এক ক্রিকেট টুর্নামেন্টে টেপ টেনিসে তার বল করা দেখে মুগ্ধ হন রাজশাহীর স্বনামধন্য কোচ আলমগীর কবির।

তার ডাকেই দিনাজপুর থেকে রাজশাহীতে আসেন এই বোলার। সালটা তখন ২০১৬। উঠে আসার কৃতিত্ব কোচকে দিতে কার্পণ্যবোধ করেননি শরিফুল, ‘সমস্ত কৃতিত্ব আলমগীর কবির স্যারের। তিনিই আমাকে দিনাজপুর থেকে রাজশাহীতে নিয়ে আসেন। কিন্তু আমার খেলার মতো কোনো সরঞ্জাম ছিল না।

তিনিই আমার হাতে ভারত থেকে আনা নাইকির একজোড়া নতুন বুট তুলে দেন। সকালে শুধু আমাকে নিয়েই একটা আলাদা প্র্যাকটিস সেশন রাখতেন। বিকেল বেলা যত্ন নিতেন নিজের সন্তানের মতো। এ পেসার যোগ করেন, ‘স্যারের একাডেমিতেই আস্তে আস্তে আমার উন্নতি ঘটতে থাকে, খুব দ্রুত ডাক আসে রাজশাহীর বয়সভিত্তিক দলে।

পরে ঢাকায় তৃতীয় বিভাগের দলে সুযোগ পাই, ২০১৭ সালে খেলি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে। প্রিমিয়ার লিগের সেই আসরেই নিজেকে চেনান শরিফুল ইসলাম। মাত্র ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে হন আসরের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। সেই সাফল্যে বিপিএল ও বাংলাদেশ ‘এ’ দলে সুযোগ পেয়ে যান।

নিজের এগিয়ে যাওয়ার গল্প বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আমার সবচেয়ে সেরা উইকেটটা পেয়েছিলাম বাংলাদেশ এ-দলের হয়ে। আমরা শ্রীলংকা এ-দলের বিপক্ষে খেলছিলাম। উইকেটে ছিল থিসারা পেরেরা। সে সবার বলেই পেটাচ্ছিল। আমি ভেবে-চিন্তে একটা কাটার দিলাম, সে বোল্ড হয়ে গেল। আমরা শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা জিতেছিলাম।’

বিপিএলে খুলনা টাইটান্সের জার্সিতে অভিষেক হয় শরিফুলের। সেখানে অভিজ্ঞ বিদেশী ক্রিকেটারদের থেকে যখন যেটুকু পেরেছেন শেখার চেষ্টা করেছেন। সেই স্মৃতি রোমন্থন করে বলতে থাকেন, ‘খুলনা টাইটান্সে অনেকটা সময় কাটিয়েছি কার্লোস ব্র্যাথওয়েট ও ডেভিড মালানের সঙ্গে। তাদের কাছে যতটুকু সম্ভব জানার চেষ্টা করতাম।

ব্র্যাথওয়েটের কাছে জানতে চেয়েছিলাম কীভাবে নিজের সেরাটা দেয়া যায়। সেদিন আমাকে তিনি যে উত্তরটা দিয়েছিলেন, সেটা কোনোদিনই ভুলতে পারবো না। তিনি বলেছিলেন, নিজের আত্মবিশ্বাসটাই সব সাফল্যের চাবিকাঠি। তুমি যদি নিজে আত্মবিশ্বাসী হও, তবে ব্যাটসম্যানের মনোভাবটা পড়া তোমার জন্য সহজ হবে। যদি তুমি ভয় পাও, যতই ভালো হও না কেনো সাফল্য পাবে না।’

একটা সময় বাংলাদেশের খেলা দেখার জন্য ১২ মিনিট সাইকেল চালিয়ে প্রতিবেশীর বাড়ি যেতেন শরিফুল। অভাবের সংসারে সারাদিনে এক বেলা পান্তাভাতের সঙ্গে লবণ-পেঁয়াজ মাখিয়ে খেয়েছেন। এত কষ্টের পরেও চালিয়ে গেছেন অনুশীলন। আজ সেই শরিফুল খেলার টাকায় গরুর ফার্ম করে দিয়েছেন বাবাকে, পঞ্চগড়ে বানাচ্ছেন নতুন বাড়ি।

দেশের আর দশটা পরিবারের মতোই শরিফুলের পরিবারেরও ইচ্ছে ছিল না ছেলে ক্রিকেটার হবে। তাদের কাছে এটা ছিল আকাশকুসুম স্বপ্ন দেখার মতো, ‘আমার বাবা-মা চাইতেন না আমি ক্রিকেটার হই। তারা বলতেন, তুমি পারবে না। প্রথম ২-৩ মাস তারা আমাকে কোনো সাহায্যই করেননি, কেবলমাত্র আমার ভাই ছাড়া।

আমার ভাই আমাকে বলেছিলেন, দরকার হলে গায়ের রক্ত বিক্রি করে তোকে খেলাবো। চিন্তা করিস না। এরপর আবাহনীর হয়ে ৪ উইকেট পাওয়ার পর টিভিতে একদিন বাবা-মা আমার সাক্ষাৎকার দেখতে পান। তখনই তারা প্রথম উপলব্ধি করেন যে, বড়কিছু হওয়ার সামর্থ্য আমার আছে।’

ভালো পেস বোলিংয়ের পেছনে জেলা পর্যায়ে ভলিবল খেলার অভিজ্ঞতাকে মূল কারিগর মনে করেন শরিফুল। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘ভলিবল খেলার কারণে আমি লাফিয়ে বল ডেলিভারি দিতে পারি। কাঁধ থেকে যে শক্তি আসে তার পেছনে আসল রহস্য ভলিবল।’

পছন্দের ক্রিকেটারের প্রশ্নে শরিফুল সোজা জানিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্কের কথা। তবে বাংলাদেশিদের মধ্যে মুস্তাফিজুর রহমানকে আদর্শ মানেন তিনি, ‘মোস্তাফিজ ভাইকে দেখে আমার মনে হয়েছিল তার মতো ঢ্যাঙ্গা স্বাস্থ্যের কেউ যদি পেস বোলার হতে পারে, আমি পারবো না কেন?

যখন তার সঙ্গে প্রথম দেখা হয়, জিজ্ঞেস করেছিলাম, কঠিন সময়ে আপনি কী করেন? তিনি বলেছিলেন, খারাপ সময়ে অনেকে অনেক কিছু বলবে। সময়টাতে তোকে যে টেনে তুলতে পারবে সে হল আয়নার ওপাশে দাঁড়ানো মানুষটা!’

বাংলাদেশে কোয়ালিটি পেস বোলারের সংকট দীর্ঘদিনের। মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ও মুস্তাফিজ ছাড়া আর কেউই সেভাবে দীর্ঘসময় জাতীয় দলে থিতু হতে পারেননি। তবে বয়সভিত্তিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে শরিফুল যে ঝলক দেখিয়েছেন সেটা জাতীয় দলে এসে পুনরাবৃত্তি করতে পারলে বাংলাদেশ একজন পেস বোলিং রত্ন পেতে যাচ্ছে সেটা বলাই যায়।

তথ্যসূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ।

পাখির বাসা বাঁচাতে টানা ৩৫ দিন গ্রাম অন্ধকারে!

0

চারিদিকে চলছে করোনাভাইরাসের প্রভাব। মানুষের মন মানুষিকতা ক্রমশই বিধ্বংসি হয়ে উঠছে। যেখানে মানুষ মানুষের জন্যই কিছু করতে চাচ্ছে না সেখোনে পাখির জন্য কিছু করা সত্যি অবিশ্বাস্য।

কিন্তু এমন কিছু ঘটনা চারপাশে ঘটে যায় যে তার পরই আবার মানুষ ও মানবিকতার উপর আমাদের বিশ্বাস ফিরে আসে। এই ঘটনাও সেরকমই। গ্রামের কমিউনিটি সুইচবোর্ড-এর ভিতর বাসা বেঁধেছিল একটি পাখি। সেই বাসায় আবার ডিম পেড়েছিল পাখিটি।

একজন গ্রামবাসী সবার প্রথমে সেটি দেখতে পান। তিনি ছবি তুলে সেটি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে পাঠান। তার পরই গোটা গ্রাম অন্ধকার। এক-দুদিন নয়। টানা ৩৫ দিন গ্রামবাসীরা অন্ধকারে থাকলেন।ভারতের তামিলনাড়ুর শিবগঙ্গা জেলার একটি গ্রামের ঘটনা।

আসলে গ্রামবাসীরা সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, পাখির ডিম থেকে ছানা ফুটে বের না হওয়া পর্যন্ত ওই গ্রামে আলো জ্বালানো হবে না। বুলবুলি পাখিটির বাসা ও ডিম বাঁচাতে জন্য টানা ৩৫ গ্রামবাসীরা রাস্তার আলো জ্বালাননি। এই ভরা বর্ষায় গোটা গ্রামের লোকজন অন্ধকার রাস্তা দিয়েই চলাচল করেছেন।

কারুপ্পুরাজা নামের এক কলেজ পড়ুয়া যুবক জানিয়েছেন, গ্রামে মোট ৩৫টি স্ট্রিটলাইট রয়েছে। কিন্তু তাঁরা গত ৩৫দিন একটিও জ্বালাননি। কারণ সব সুইচ ওই কমিউনিটি সুইচবোর্ডে। মোবাইলের টর্চ, টর্চ লাইট ব্যবহার করেই গ্রামবাসীরা এই কদিন রাস্তায় যাতায়াত করেছেন।

হাটেই হাঁড়ি ভাঙবে ‘করোনা’!

0

দেশে করোনা ভাইরাসের চূড়ান্ত সংক্রমণ কবে হবে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে দ্বিমত রয়েছে। কিন্তু যখনই হোক, আমাদের দেশের বাস্তবতায় তা যে খুব ভয়াবহ হবে এ নিয়ে সবাই একমত। বিশেষত আসন্ন কুরবানির ঈদ ও গরুর হাট ঘিরে এই আশঙ্কা আরো তীব্র হয়েছে। যদিও দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন সব হাটেই মেনে চলতে হবে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি। পশুর হাটে থাকবে ম্যাজিস্ট্রেটের টহল। নির্দেশনা মেনে না চললে ইজারা বাতিল করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। এদিকে জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, সরকারের পক্ষ থেকে সব ক্ষেত্রে ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে’ চলার দোহাই দিলেও বাস্তবে যে তা কেউ মানছে না তা স্পষ্ট। করোনা সংক্রমণ ক্রমেই বাড়ছে। আক্রান্ত ও মৃতের তালিকা যখন ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে তখন রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গরুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এতে ইজারাদারদের পকেট ভারি হবে বটে; কিন্তু করোনার সংক্রমণ মারাত্মক রূপ নেবে ও মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হবে। এই পশুর হাটেই হয়তো হাড়ি ভাঙবে করোনা।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন পশুর হাটের মধ্যে রয়েছে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মহানগর হাসপাতালের সামনের সড়ক। এই দুটি হাসপাতালই করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারিত। ওই দুই জায়গা থেকে হাট সরানো হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. ইমদাদুল হক ভোরের কাগজকে জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাটে এমনিতেই রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। এর মধ্যে কোভিড হাসপাতালের সামনে হাট বসানোর সিদ্ধান্ত আরো বেশি উদ্বেগের।

বিদেশ থেকে সন্তানরা ফিরলেই সমাহিত হবেন এন্ড্রু কিশোর

0

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী দুই সন্তান দেশে ফেরার পরই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন কিংবদন্তি শিল্পী এন্ড্রু কিশোর। শিল্পীর বন্ধু ড. দ্বীপকেন্দ্র নাথ দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, দুই সন্তান অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরলে তাদের বাবার মরদেহ সমাহিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত মরদেহ হিমঘরেই থাকবে। শিল্পীর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী, তার মায়ের পাশেই তাকে সমাহিত করা হবে।

এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় মরণব্যাধি ক্যানসারের কাছে হার মেনে মারা যান এন্ড্রু কিশোর। তিনি রাজশাহী নগরীর মহিষবাথান এলাকায় বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাসায় ছিলেন। মৃত্যুর পর এদিন রাতেই তার মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের হিমঘরে নেওয়া হয়।

জানা গেছে, এন্ড্রু কিশোরের মেয়ে সঙ্গা (২৬) ও ছেলে সপ্তক (২৪) অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করছেন। সঙ্গার পড়াশোনা প্রায় শেষের দিকে। তার স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু একজন চিকিৎসক। তিনি রাজশাহীতেই বসবাস করেন।

গতকাল এন্ড্রু কিশোরের বোনজামাই ডা. প্যাট্টিক বিপুল বিশ্বাস বলেন, ‘বর্তমানে শিল্পীর মরদেহ রাজশাহীর একটি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। আগামীকাল সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে তার মায়ের পাশে সমাহিত করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মৃত্যুর আগে এন্ড্রু কিশোর নিজেই বলে গেছেন তাকে যেন মায়ের পাশেই সমাহিত করা হয়। সেই ইচ্ছায়ই মায়ের পাশেই তাকে সমাহিত করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে সময় এখনো ঠিক করা হয়নি।’

সিঙ্গাপুরে ৯ মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর এন্ড্রু কিশোর ১১ জুন রাত আড়াইটার একটি বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরেন। তারপর ঢাকার বাসায় বেশকিছু দিন অবস্থান করে শরীরের অবস্থা বিবেচনায় ও কোলাহলমুক্ত থাকতে তিনি গ্রামের বাড়ি রাজশাহী চলে যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বর রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন এন্ড্রু কিশোর। তার বাবার নাম খিতিশ চন্দ্র বাড়ই। মা মিনু বাড়ই। রাজশাহীতেই কেটেছে এন্ড্রু কিশোরের শৈশব ও কৈশোর। গানের টানে মুক্তিযুদ্ধের পরপর তিনি রাজধানী ঢাকায় নিয়মিতভাবে বসবাস শুরু করেন।

বান্দরবানে জেএসএসের দু’পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত ৬

0

বান্দরবানের বাগমারায় পার্বত্য জনসংহ‌তি স‌মি‌তির (জেএসএস) দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও আহত হয়েছেন তিনজন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে পার্বত্য জনসংহ‌তি স‌মি‌তি (জেএসএস) এর মূল ও সংস্কার দুই গ্রু‌পের মধ্যে এই গু‌লি বিনিময় হয়। এ ঘটনায় ‌জেএসএস-এর সংস্কার গ্রু‌পের ৬ জন ‌নিহত হ‌য়ে‌ছেন। গু‌লিবিদ্ধ হ‌য়ে‌ছেন আ‌রও ৩ জন। ত‌বে হতাহতদের নাম এখ‌নও জানা যায়‌নি।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার (এসপি) জেরিন আখতার জানিয়েছেন, সকাল সাতটার দিকে ওই সংঘর্ষের খবর পেয়েছেন তারা। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এখন সেখানে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা রয়েছেন। এবং পুলিশ ফোর্সও সেখানে রওনা দিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পাওয়া সূত্রে নিহতরা হলেন, জেএসএস সংস্কার এর জেলা সভাপ‌তি রতন তঞ্চঙ্গ্যা, সহসভাপ‌তি প্র‌জিত চাকমা, সদস্য ডে‌বিট বাবু, মিলন চাকমা, জয় ত্রিপুরা ও দি‌পেন ত্রিপুরা। যদিও পুলিশ নিহতদের নাম নিশ্চিত করতে পারেনি।

আবারও করোনাভাইরাস পজিটিভ মাশরাফি

চার দিন আগে দ্বিতীয় দফা করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফির বিন মর্তুজার। শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে মাশরাফির মামা নাহিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাশরাফির পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, চার দিন আগে মাশরাফির দ্বিতীয় দফা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। তবে মাশরাফি সুস্থ আছেন এবং ঢাকার বাসাতে ভালো আছেন।

এর আগে গত ২০ জুন প্রথম দফা পরীক্ষায় মাশরাফির দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। ২২ জুন তার ভাই সিজারেরও করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। এরপর থেকেই ছোটভাইসহ তিনি ১৪ দিনের আইসোলেশনে আছেন।

এদিকে মাশরাফি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরেই তার দুই সন্তান-সাহেল ও হুমায়রাকে নড়াইলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মাশরাফির বাবা গোলাম মোর্তজা স্বপন ও মা হামিদা মোর্তজাসহ তার দুই সন্তানের নমুনা পরীক্ষার পর করোনাভাইরাস নেগেটিভ আসে।

রানী কাইলিকে সরিয়ে ইনস্টাগ্রামের রাজা এখন রক

0

হলিউডে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া তারকাদের তালিকার প্রথম সারিতে নাম লিখিয়েছেন ‘রক’ খ্যাত ডোয়েইন জনসন। এখন তিনি ইনস্টাগ্রামেও সবচেয়ে দামি তারকা।

কাইলিকে হারিয়ে ইনস্টাগ্রামের প্রতি পোস্টে সবচেয়ে বেশি আয়ের তারকা হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছেন রোক। অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রামে কোনো পণ্যের ব্র্যান্ডিং করতে প্রতি পোস্টে এক মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ নেন এই তারকা। কাইলি নেন ৯ লাখ ৮৬ হাজার ডলার।

এরপরেই আছে কিম কার্দেশিয়ান, আরিয়ানা গ্র্যান্ডে, সেলেনা গোমেজ, বিয়ন্সে, জাস্টিন বিবার, টেইলর সুইফট এবং নেইমারের নাম।

ইনস্টাগ্রামে ডোয়েইন জনসনের ফলোয়ারের সংখ্যা ১৮৮ মিলিয়ন। আর কাইলির ফলোয়ারের সংখ্যা ১৮৩ মিলিয়ন। ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ফলোয়ার সংখ্যা এই দুজনের চাইতে বেশি। ২২৭ মিলিয়ন ফলোয়ার থাকলেও আয়ের দিক দিয়ে এই তারকা পিছিয়ে আছেন।

ডোয়েইন জনসনকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছে ‘হবস এন্ড শ জুমানজি: দ্য নেক্সট লেভেল’ সিনেমা। এরপর তাকে দেখা যাবে ‘জঙ্গল ক্রুজ’ এবং ‘ব্ল্যাক অ্যাডাম’ সিনেমায়।

শতাব্দীর সেরা সাকিব আল হাসানের আবেগঘন স্ট্যাটাস

একুশ শতকে ওয়ানডেতে দ্বিতীয় ও টেস্টে ষষ্ঠ মূল্যবান বা সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন সাকিব আল হাসান। বিখ্যাত ক্রিকেট সাময়িকী উইজডেন ক্রিকেট মান্থলির এ স্বীকৃতি পেয়ে আপ্লুত সাকিব আল হাসান। বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার জানিয়েছেন উইজডেনের এ মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে তিনি সম্মানিত।

গতকাল শনিবার (৪ জুলাই) অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে সাকিব বলেন, ‘সেরা খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শতাব্দীর সবচেয়ে মূল্যবান ক্রিকেটারদের তালিকায় আমাকে ওয়ানডে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে দ্বিতীয়য় এবং টেস্ট ক্রিকেটে ষষ্ঠ স্থানে নির্বাচিত করায় ক্রিকেটের বাইবেলখ্যাত ম্যাগাজিন উইজডেনকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’