Sunday, May 17, 2026
Home Blog Page 183

বান্দরবানে জেএসএসের দু’পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত ৬

0

বান্দরবানের বাগমারায় পার্বত্য জনসংহ‌তি স‌মি‌তির (জেএসএস) দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও আহত হয়েছেন তিনজন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে পার্বত্য জনসংহ‌তি স‌মি‌তি (জেএসএস) এর মূল ও সংস্কার দুই গ্রু‌পের মধ্যে এই গু‌লি বিনিময় হয়। এ ঘটনায় ‌জেএসএস-এর সংস্কার গ্রু‌পের ৬ জন ‌নিহত হ‌য়ে‌ছেন। গু‌লিবিদ্ধ হ‌য়ে‌ছেন আ‌রও ৩ জন। ত‌বে হতাহতদের নাম এখ‌নও জানা যায়‌নি।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার (এসপি) জেরিন আখতার জানিয়েছেন, সকাল সাতটার দিকে ওই সংঘর্ষের খবর পেয়েছেন তারা। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এখন সেখানে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা রয়েছেন। এবং পুলিশ ফোর্সও সেখানে রওনা দিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পাওয়া সূত্রে নিহতরা হলেন, জেএসএস সংস্কার এর জেলা সভাপ‌তি রতন তঞ্চঙ্গ্যা, সহসভাপ‌তি প্র‌জিত চাকমা, সদস্য ডে‌বিট বাবু, মিলন চাকমা, জয় ত্রিপুরা ও দি‌পেন ত্রিপুরা। যদিও পুলিশ নিহতদের নাম নিশ্চিত করতে পারেনি।

আবারও করোনাভাইরাস পজিটিভ মাশরাফি

চার দিন আগে দ্বিতীয় দফা করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফির বিন মর্তুজার। শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে মাশরাফির মামা নাহিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাশরাফির পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, চার দিন আগে মাশরাফির দ্বিতীয় দফা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। তবে মাশরাফি সুস্থ আছেন এবং ঢাকার বাসাতে ভালো আছেন।

এর আগে গত ২০ জুন প্রথম দফা পরীক্ষায় মাশরাফির দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। ২২ জুন তার ভাই সিজারেরও করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। এরপর থেকেই ছোটভাইসহ তিনি ১৪ দিনের আইসোলেশনে আছেন।

এদিকে মাশরাফি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরেই তার দুই সন্তান-সাহেল ও হুমায়রাকে নড়াইলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মাশরাফির বাবা গোলাম মোর্তজা স্বপন ও মা হামিদা মোর্তজাসহ তার দুই সন্তানের নমুনা পরীক্ষার পর করোনাভাইরাস নেগেটিভ আসে।

রানী কাইলিকে সরিয়ে ইনস্টাগ্রামের রাজা এখন রক

0

হলিউডে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া তারকাদের তালিকার প্রথম সারিতে নাম লিখিয়েছেন ‘রক’ খ্যাত ডোয়েইন জনসন। এখন তিনি ইনস্টাগ্রামেও সবচেয়ে দামি তারকা।

কাইলিকে হারিয়ে ইনস্টাগ্রামের প্রতি পোস্টে সবচেয়ে বেশি আয়ের তারকা হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছেন রোক। অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রামে কোনো পণ্যের ব্র্যান্ডিং করতে প্রতি পোস্টে এক মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ নেন এই তারকা। কাইলি নেন ৯ লাখ ৮৬ হাজার ডলার।

এরপরেই আছে কিম কার্দেশিয়ান, আরিয়ানা গ্র্যান্ডে, সেলেনা গোমেজ, বিয়ন্সে, জাস্টিন বিবার, টেইলর সুইফট এবং নেইমারের নাম।

ইনস্টাগ্রামে ডোয়েইন জনসনের ফলোয়ারের সংখ্যা ১৮৮ মিলিয়ন। আর কাইলির ফলোয়ারের সংখ্যা ১৮৩ মিলিয়ন। ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ফলোয়ার সংখ্যা এই দুজনের চাইতে বেশি। ২২৭ মিলিয়ন ফলোয়ার থাকলেও আয়ের দিক দিয়ে এই তারকা পিছিয়ে আছেন।

ডোয়েইন জনসনকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছে ‘হবস এন্ড শ জুমানজি: দ্য নেক্সট লেভেল’ সিনেমা। এরপর তাকে দেখা যাবে ‘জঙ্গল ক্রুজ’ এবং ‘ব্ল্যাক অ্যাডাম’ সিনেমায়।

শতাব্দীর সেরা সাকিব আল হাসানের আবেগঘন স্ট্যাটাস

একুশ শতকে ওয়ানডেতে দ্বিতীয় ও টেস্টে ষষ্ঠ মূল্যবান বা সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন সাকিব আল হাসান। বিখ্যাত ক্রিকেট সাময়িকী উইজডেন ক্রিকেট মান্থলির এ স্বীকৃতি পেয়ে আপ্লুত সাকিব আল হাসান। বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার জানিয়েছেন উইজডেনের এ মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে তিনি সম্মানিত।

গতকাল শনিবার (৪ জুলাই) অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে সাকিব বলেন, ‘সেরা খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শতাব্দীর সবচেয়ে মূল্যবান ক্রিকেটারদের তালিকায় আমাকে ওয়ানডে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে দ্বিতীয়য় এবং টেস্ট ক্রিকেটে ষষ্ঠ স্থানে নির্বাচিত করায় ক্রিকেটের বাইবেলখ্যাত ম্যাগাজিন উইজডেনকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

বিয়ের একদিন পরই স্ত্রীকে ৩ লাখ রুপির বিনিময়ে বিক্রি!

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের গুজরানওয়ালা এলাকায় সম্প্রতি এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, ঘটানার ৩ সপ্তাহ পর লাহোর থেকে পালিয়ে মেয়েটি নিজ বাবার বাড়িতে আসে। পুলিশ আরও জানায়, বিয়ের একদিন পর স্বামী উসমান স্ত্রীকে লাহোরে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাকে বিক্রি করে দেয়।

এক বয়ানে ওই মেয়ে জানিয়েছে, স্বামী উসমান তাকে ৩ লাখ রুপির বিনিময়ে বিক্রি করেছে। গুজরানওয়ালার ডিএসপি নাওয়াজ সেয়াল জানিয়েছেন, ভিকটিম মেয়েটির মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার পর মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, মেয়েটির স্বামী এবং তাকে ক্রয় করা ব্যক্তিদের সন্ধান করছে পুলিশ। খুব দ্রুতই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

লন্ডন-কলকাতা রুটে বাস চলত! অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি

0

ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো থেকে পেরুর রাজধানী লিমা পর্যন্ত চলাচলরত বাস রুটটিই হলো বর্তমান সময়ের সবচেয়ে দীর্ঘ বাস রুট। যার দূরত্ব প্রায় ৬ হাজার ৩০০ কিলোমিটার। তবে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, একসময়ের ভারতবর্ষের রাজধানী কলকাতা থেকে ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডন পর্যন্ত চলতো বাস। বাসটি দুই শহরের মাঝে প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতো।

কিন্তু এটি একদমই ঠিক। সুদূর লন্ডন থেকে বাস আসত কলকাতায়। সেই বাসে কলকাতায় আসতেন লন্ডনের অভিজাত ধনীরা।সম্প্রতি এ সম্পর্কিত একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ছবিতে দেখা যায়- লন্ডনের ভিক্টোরিয়া কোচ স্টেশনে একটি বাসে যাত্রী উঠছেন।

বাসের উপরে লেখা, লন্ডন থেকে কলকাতা। প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলেন, ছবিটি হয়তো ভুয়া। কিন্তু না! ১৯৫০-এর দশকে লন্ডন থেকে কলকাতা বাস পরিষেবা ছিল। কী রকম ছিল সেই বাস পরিষেবা? তত্‍কালীন সময়ের অত্যন্ত ধনী ব্যক্তিরাই ওই বাসে উঠতে পারতেন। টিকিটের দাম ছিল ৮৫ পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮ হাজার টাকা)। তখনকার দিনে ৮ হাজার টাকা খুবই দামি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই বাসের টিকিটের একটি ছবিও ভাইরাল হয়েছে।

তাতে লেখা রয়েছে বাসের রুট।লন্ডন থেকে বাসটি ছেড়ে প্রথমে যেত বেলজিয়াম। সেখান থেকে পশ্চিম জার্মানি, অস্ট্রিয়া, যুগোস্লোভিয়া, বুলগেরিয়া, তুরস্ক, ইরান, আফগানিস্তান, পশ্চিম পাকিস্তান হয়ে ভারতে ঢুকত। ভারতে ঢুকে দিল্লি, আগ্রা, এলাহাবাদ, বারাণসী হয়ে কলকাতা পৌঁছত। ৫ দিন সময় লাগত কলকাতা পৌঁছতে।ওয়ান সাইড ট্র্যাভেলে ফুডিং, লজিংসহ সব লাক্সারি সুবিধা নিয়ে টিকিটের মোট দাম ১৪৫ পাউন্ড (বর্তমানে ১৩ হাজার ৬৪৪ টাকা)।

লাক্সারি বাসটির ট্যাগ লাইন ছিল, ‘Your complete home while you travel’. শাটারস্টকের আর্কাইভের একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ১৯৫৭ সালে লন্ডন থেকে কলকাতা যাত্রার সময়ে যুগোস্লোভিয়ায় একটি নদীর ধারে পিকনিক সেরে ফের বাসে উঠছেন প্রায় ২০ জনের মতো ব্রিটিশ নাগরিক।লন্ডন-কলকাতা এই বাস পরিষেবা ১৫টি লাক্সারি ট্রিপ করেছিল বলে ভারতের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।

আলহামদুলিল্লাহ বলে নিজের ও পরিবারের করোনামুক্ত হওয়ার ঘোষণা দিলেন আফ্রিদি

পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি পরিবারসহ প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। টানা ২০ দিন করোনার সাথে লড়াই করে সুস্থ হয়েছেন আফ্রিদি পরিবার।

করোনাভাইরাস থেকে সপরিবারে মুক্তি পেয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে নিজেই জানিয়েছেন আফ্রিদি। আফ্রিদি জানান, স্ত্রী-দুই মেয়েসহ তিনি নিজে কোভিড-১৯এ আক্রান্ত হলেও এখন তাদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

টুইটারে ছোট কন্যাকে উপরে তুলে চুমু দেয়ার ছবি পোস্ট করে আফ্রিদি লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমার স্ত্রী ও কন্যার- আকসা ও আনশা এবং আমি কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার পর ফের পরীক্ষা করিয়েছি। আমরা সকলেই এখন করোনামুক্ত। আমাদের জন্য দোয়া করার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং সৃষ্টিকর্তা যেন আপনাদের সবাইকে ভালো রাখে।

এখন পরিবারকে সময় দেওয়ার পালা। আমি এখন এটাই সবচেয়ে বেশি মিস করছি।’ করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পর থেকেই নিজ দেশের অসহায় ও কর্মহীন মানুষজনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আফ্রিদি। আফ্রিদি ফাউন্ডেশন থেকে প্রতিদিনই দুস্থ-অসহায়দের আর্থিক ও খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহায়তা করা হয়।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় নিজের প্রিয় ব্যাট নিলামে তুলেছিলেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রফিম। সেই ব্যাটটি নিলাম থেকে ২০ হাজার ডলারে কিনেছিলেন আফ্রিদি। আফ্রিদির আগে পাকিস্তানের ক্রিকেটার তৌফিক উমর ও জাফর সরফরাজ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। জাফর করোনায় মারা গেলেও তৌফিক সুস্থ হন।

আর সম্প্রতি ইংল্যান্ড সফরের আগে পাকিস্তানের দশজন ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হন। তৃতীয় দফার পরীক্ষায় ছয়জনের করোনা নেগেটিভ আসে। আর চারজনের পজিটিভ আসে। পজিটিভ আসা চারজন হলেন- ইমরান খান, কাশিফ ভাট্টি, হায়দার আলি ও হারিস রউফ।

চায়ের নে’শায় হাসপাতাল থেকে পালালেন করোনা রোগী!

করোনা আক্রান্ত সত্তরোর্ধ্ব ওই বৃদ্ধকে ভর্তি করা হয়েছিল হাসপাতালে। সেখানে দিব্যি ছিলেন তিনি। তবে বৃদ্ধের দাবি একটাই, মাঝে মধ্যে নে’শা মেটাতে তাকে গরম গরম চা খেতে দিতে হবে। কিন্তু হাসপাতাল কর্মীরা তার সেই দাবি কানে তোলেননি। অগত্যা চায়ের নে’শায় হাসপাতাল ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধ মধুসূদন।

পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে ঠিকই। তবে এই ঘটনার পর থেকেই করোনা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন চায়ের দোকানি।

ভারতের ব্যাঙ্গালুরুর নাগারভাবির বাসিন্দা ওই বৃদ্ধ অনেক আগে থেকেই ডায়াবেটিস রোগী। রক্তে শর্করার পরিমাণ ছিল যথেষ্ট বেশি। তার উপর আবার দিনকয়েক ধরে একটুতেই ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। তাই কোনো ঝুঁকি নেয়নি তার পরিবার। ভর্তি করিয়েছিল একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে করোনা পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট পসিটিভ আসে।

ওই বেসরকারি হাসপাতালেই কয়েকদিন চিকিৎসা হয় তার। পরে আর্থিক সমস্যার কারণে সেখান থেকে সরিয়ে মাইসুরু রোডের এক সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।

এদিকে, প্রতিদিন মুখের সামনে গরম গরম চায়ের পেয়ালা দেখেই ঘুম চোখ খুলতে অভ্যস্ত ওই বৃদ্ধ। কিন্তু হাসপাতালে সেই নিয়ম বদল। ঘড়ির কাঁটায় পাঁচটা বাজতে না বাজতেই চায়ের দাবি জানাতে থাকেন করোনা আক্রান্ত ওই বৃদ্ধ। তা মেলেনি। ঘণ্টাদুয়েক পর তার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়। চায়ের দোকানের খোঁজে হাসপাতাল ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে যান তিনি।

কিছু দূরেই একটি চায়ের দোকানও দেখতে পান। সেখানেই ধোঁয়া ওঠা চায়ে চুমুক দিয়ে সবে গলা ভিজিয়েছেন। এমন সময়ে তার হাতের স্যালাইনের নল দেখে এক ব্যক্তির কৌতূহল জাগে। তিনি জানতে চান কী হয়েছে? বৃদ্ধের সাফ জবাব, তিনি করোনা আক্রান্ত। হাসপাতালে চা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে বেরিয়ে পড়েছেন।

সে কথা শুনে চায়ের দোকানের সকলেই হতচকিত হয়ে যান। এরপর ওই চায়ের দোকান মালিকই হাসপাতালে খবর দেন। হাসপাতাল কর্মীরা খবর পাওয়া মাত্রই চায়ের দোকান থেকে বৃদ্ধকে উদ্ধার করেন। তবে চায়ের দোকানি-সহ ওই বৃদ্ধ করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিরা আপাতত উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন। সংক্রমণের আশঙ্কায় চিন্তিত সবাই।

রাজশাহীর সব এলাকা এখন রেড জোনে!

0

শুরু থেকেই কোরোনাভাইরাস নিয়ে খুবই সচেতন ছিল রাজশাহী। তাই দেশের অনেক এলাকায় যখন করোনা সংক্রমণ ঘটে মারাত্মক আকারে তখন রাজশাহীতে তার ছিটে ফোঁটা লাগেনি। কিন্তু গত দুই মাসে সবকিছুই কেমন যেন পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন রাজশাহী জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এখন পর্যন্ত ৯১০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে এবার রাজশাহী জেলার সব এলাকা এখন রেড জোনে।

রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এনামুল হক বলেন, রাজশাহীতে জনসংখ্যা ৩০ লাখ। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৯১০ জন। জোন ঘোষণার শর্ত অনুযায়ী জেলা ও মহানগরের সব এলাকা এখন রেড জোন। কিন্তু লকডাউনের শর্ত ভিন্ন। যার কারণে লকডাউন ঘোষণা করা সম্ভব হচ্ছে না।

জেলায় আক্রান্ত ৯১০ জনের মধ্যে ৬৫০ জনই মহানগর এলাকার। এছাড়াও জেলার বাঘা উপজেলায় ২০, চারঘাটে ২৮, পুঠিয়ায় ১৪, দুর্গাপুরে ১২, বাগমারায় ৩১, মোহনপুরে ৪১, তানোরে ৩৭, পবায় ৬৭ ও গোদাগাড়ীতে ১০ জন রয়েছেন।

রাজশাহীতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন নয়জন। এর মধ্যে রাজশাহী মহানগরীতেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর বাইরে বাঘা, চারঘাট, পবা ও মোহনপুরে একজন করে মারা গেছেন। রাজশাহীতে মোট মারা গেছেন ১৪০ জন।

এক রাতের ব্যবধানে কোটিপতি! ১৫ কেজি পাথর বিক্রি করে ২৯ কোটি টাকার মালিক

তানজানিয়ায় ১৫ কেজি পাথর বিক্রি করে প্রায় ২৯ কোটি টাকা পেলেন এক ক্ষুদ্র খনি ব্যবসায়ী। অনেকটা ‘এক রাতের ব্যবধানে কোটিপতি’ হওয়ার মতো ঘটনা। তবে এটি সাধারণ কোনো পাথর নয়। তানজানিয়াট নামের রত্নপাথর। আর কোটিপতি হওয়া ওই ব্যক্তি হলেন আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার এক ক্ষুদ্র খনি ব্যবসায়ী সানিনিউ লাইজার।

তানজানিয়ার সেই নিদৃষ্ট এলাকাতেই পাওয়া যায় এই রত্নপাথর তানজানিয়াট। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি তানজানিয়াট পেয়েছেন লাইজার। এর একটির ওজন নয় কেজি ২০০ গ্রাম আর অন্যটির ওজন পাঁচ কেজি ৮০০ গ্রাম। বুধবার দেশটির মানিয়ারা এলাকায় পাথর দুটি বিক্রি করেন তিনি। পাথর দুটি কিনেছে দেশটির রত্নপাথর-সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়।

এই পাথর পাওয়া ও তা বিক্রি করার ঘটনা রটে গেছে সারা দেশে। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিজেই লাইজারকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। ২০১৫ সালে তানজানিয়ায় প্রেসিডেন্ট জন মাগুফুলি ক্ষমতায় এসে দেশটির ভবিষ্যৎ বদলে দেয়ার জন্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খনি ব্যবসায়ীকে অনুমোদন দেন। ফলে লাইজারের মতো অনেকেই এই ব্যবসা করে থাকেন।

বিবিসি’র একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, তানজানিয়াট অন্যতম একটি দুর্লভ পাথর। অলংকার তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয় এই পাথর। স্বচ্ছতা ও রঙের ওপর নির্ভর করে এর দামের হেরফের হয়ে থাকে। তানজানিয়ায় এতো বড় তানজানিয়াট আগে কখনো পাওয়া যায়নি। এর আগে সবচেয়ে যে বড় পাথরটি পাওয়া গিয়েছিল, সেটির ওজন ছিল তিন কেজি ৩০০ গ্রাম। স্থানীয় ভূতাত্ত্বিকেরা জানিয়েছেন, আগামী ২০ বছর এই পাথর সরবরাহ করতে পারবে তানজানিয়া।

এদিকে এই পাথর পেয়ে লাইজার জানিয়েছেন, একটি বড় গরু জবাই করে খাওয়াবেন সংশ্লিষ্ট সবাইকে। আর এই অর্থের একটি বড় অংশ সমাজের উন্নয়নে খরচ করার ঘোষণা দিয়েছেন ৩০-এর বেশি ছেলেমেয়ের এই বাবা। তিনি জানিয়েছেন, তিনি পড়াশোনা করতে পারেননি। তাই বাড়ির পাশে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করবেন, যাতে দরিদ্র পরিবারের শিশুরা পড়াশোনা করতে পারে।

হঠাৎ ধনী বনে যাওয়া লাইজার আরো বলেছেন, তার জীবনযাপনের কোনো বদল হবে না। তিনি এই খনি খননের ব্যবসা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান। এছাড়া একটি বিপণিবিতান গড়ে তোলার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।