Sunday, May 17, 2026
Home Blog Page 184

বাংলাদেশিরা এখন কোন কোন দেশে যেতে পারবে?

0

করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিদের সাধারণ যাতায়াত কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। তবে খুব জরুরি প্রয়োজনে অনেকে বিশেষ ফ্লাইটে নানা দেশে যাতায়াত করছেন। কবে স্বাভাবিক হবে এ পরিস্থিতি? এটি নির্ভর করছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতির ওপর।

ভারত

চলতি জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকে কিছু দেশের সাথে ভারতের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট যোগাযোগ শুরু হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে দেশটির বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম। তবে এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারি কোন ঘোষণা আসেনি।

নানা কাজে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ ভারত যায়। এর মধ্যে রয়েছে ব্যবসা, চিকিৎসা এবং প্রমোদ ভ্রমণ। কিন্তু ভারতের সাথে বাংলাদেশের সবগুলো স্থলবন্দর এখন মানুষ আসা-যাওয়ার জন্য বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ভারতে সব ধরণের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও বন্ধ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, বাংলাদেশিদের জন্য যাতায়াত একেবারে উন্মুক্ত করা না হলেও কিছু কিছু বিষয় অগ্রাধিকার পেতে পারে। 

ইউরোপ

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বিদেশিদের আগমনের জন্য তাদের বিমান চলাচল শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বাংলাদেশে এই তালিকায় নেই। 

শুধু বাংলাদেশই নয়, আমেরিকা, ব্রাজিল এবং রাশিয়াও এই তালিকায় নেই। কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে-

১. যেসব দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার কম। অর্থাৎ যেসব দেশে এক লাখ মানুষের মধ্যে ১৬ জনের কম সংক্রমিত হয়েছে সেসব দেশের নাগরিকদের ভ্রমণের অনুমতি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন,

২. যেসব দেশে সংক্রমণের হার নিচের দিকে,

৩. যেসব দেশে সামাজিক দূরত্বের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

সিঙ্গাপুর

সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী স্বল্প সময়ের জন্য যারা সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করতে চান তাদের জন্য একটি উপায় আছে। যারা জরুরি ব্যবসা কিংবা অফিসিয়াল কাজে সিঙ্গাপুর যেতে চান তাদের জন্য রয়েছে এই বিশেষ ব্যবস্থা।

এই ব্যবস্থাটিকে বলা হয় গ্রিন/ফাস্ট লেন অ্যারেঞ্জমেন্ট। এর আওতায় একটি সেফ ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করতে হবে। এটি ছাড়া সিঙ্গাপুরে ঢোকা যাবেনা।

এছাড়া সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমোদন নিয়ে স্বল্প সময়ের জন্য সেখানে যাওয়া যাবে।

যেসব বিদেশী নাগরিক স্বল্প সময়ের জন্য সিঙ্গাপুর সফর করবেন তাদের জন্য কিছু নির্দেশনা দেয়া আছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে।

সিঙ্গাপুর সরকার দেশের অর্থনীতি এবং জীবনযাত্রা ধীরে-ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় আনার কাজ শুরু করেছে। তবে যারা স্বল্প সময়ের জন্য সিঙ্গাপুর ভ্রমণে যেতে চান তাদের ক্ষেত্রে এখনো বাধা রয়েছে।

১৭ই জুন থেকে যারা সিঙ্গাপুরে যাবেন স্বল্প সময়ের জন্য তাদের জন্য সিঙ্গাপুরে কোভিড-১৯ টেস্ট করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে সফরকারীকে টেস্টের খরচ বহন করতে হবে।

থাইল্যান্ড

যারা ব্যবসার কাজে থাইল্যান্ডে যাবেন তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এছাড়া যারা চিকিৎসার জন্য যাবেন তাদের ক্ষেত্রেও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে থাইল্যান্ড। এর পাশাপাশি রয়েছে দক্ষ কর্মী এবং বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী।

জানানো হয়েছে, যারা থাইল্যান্ড যাবেন তাদের ক্ষেত্রে ‘কোভিড-১৯ মুক্ত’ সনদ থাকতে হবে এবং পাশাপাশি তাদের থাইল্যান্ডে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

এই শর্ত মেনে থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে এরই মধ্যে ৫০ হাজার মানুষ রেজিস্ট্রেশন করেছে।

বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ প্রতিবছর পর্যটনের জন্য থাইল্যান্ড যায়। তবে দেশটি আপাতত পর্যটন ভিসা দিচ্ছে না।

মালয়েশিয়া

শুধু পর্যটনের জন্য বিদেশ থেকে এখন মালয়েশিয়া যাওয়া বন্ধ আছে।

বর্তমানে স্পাউস, বিজনেস এবং প্রফেশনাল ভিসায় মালয়েশিয়ায় যাবে। তবে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট দেশে মালয়েশিয়ার দূতাবাসের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে অনাপত্তিপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

মালয়েশিয়া ঢোকার আগে বিমানবন্দরে তাদের অবশ্যই ‘কোভিড-১৯ মুক্ত’ সনদ দেখাতে হবে। যদি সেটি না থাকে তাহলে মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে কোভিড-১৯ টেস্ট করাতে হবে। সেজন্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় পাঁচ হাজার টাকা লাগবে।

যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের বিমান চলাচল এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে ঢাকা থেকে লন্ডন যাতায়াতের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ মুক্ত সনদের প্রয়োজন নেই। তবে একটি হেলথ ডিক্লারেশন ফর্ম পূরণ করতে হবে।

এছাড়া লন্ডনে পৌঁছানোর পর ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। তবে করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর আগে যারা ভিসা পেয়েছিলেন তারাই এখন যেতে পারছেন।

অতি প্রয়োজনীয় না হলে মহামারির এই সময় নতুন করে ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে না।

যুক্তরাষ্ট্র

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো বিধি-নিষেধ নেই। ঢাকা থেকে যেসব এয়ারলাইন্স ফ্লাইট চালু করেছে তাদের মাধ্যমে ভ্রমণ করা যাবে।

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের একটি সূত্র জানিয়েছে করোনাভাইরাস মহামারির সময় নতুন কোন ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে না। যাদের পুরনো ভিসা আছে শুধু তারাই ভ্রমণ করতে পারবেন। সূত্র : বিবিসি বাংলা।

করোনাভাইরাস বিকল করে দিচ্ছে ফুসফুস?

ব্রিটেনে কোভিড-১৯ যে গুরুতর আক্রান্ত হয়ে সেরে উঠেছে, এমন হাজার হাজার মানুষকে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, তাদের ফুসফুস চিরকালের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করার জন্য।

ব্রিটেনে চিকিৎসকরা বিবিসিকে বলেছেন, যারা করোনাভাইরাসে গুরুতরভাবে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তারা আশঙ্কা করছেন, তাদের একটা বড় অংশের ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে, যাকে বলা হয় পালমোনারি ফাইব্রোসিস।

ফুসফুসের এই ক্ষতি থেকে সেরে ওঠা যায় না এবং এর উপসর্গগুলো হলো মারাত্মক শ্বাসকষ্ট, কাশি ও ক্লান্তিবোধ।

ইংল্যান্ডের জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অধীনে সেরে ওঠা রোগীদের বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেওয়ার ও পুর্নবাসনের জন্য কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

ইংল্যান্ডের একজন ট্যাক্সিচালক, কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর যার অবস্থার অবনতি হয় এবং ১৩ দিন ভেন্টিলেটারে থাকাসহ প্রায় চার সপ্তাহ যাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়, তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর এরকম একটি পুর্নবাসন কেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছেন আরও দুই সপ্তাহ।

সেরে ওঠার ছয় সপ্তাহ পর এপ্রিলের মাঝামাঝি বাসায় ফিরে অ্যান্টনি ম্যাকহিউ এখনো সিঁড়ি ভাঙতে বা ছোটখাট সহজ কাজ করতে গিয়ে হাঁপিয়ে পড়ছেন। নিচু হতে গিয়েও তার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।

ফুসফুসে আস্তরণ

হাসপাতালে সিটি স্ক্যানে দেখা গেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর তার দুটি ফুসফুসের ওপরই একটা সাদা কুয়াশার আস্তরণ তৈরি হয়েছে, সেটি অনেকটা ভাঙা কাঁচের মতো দেখতে। চিকিৎসকরা বলছেন, এটা করোনাভাইরাস আক্রমণের একটা বৈশিষ্ট্য।

করোনাভাইরাসে গুরুতরভাবে আক্রান্ত হলে শরীরের প্রতিরোধী ব্যবস্থা যখন অতিমাত্রায় সক্রিয় হয়ে ওঠে, তখন এর ফলে প্রচুর শ্লেষ্মা, জলীয় পদার্থ এবং কোষ তৈরি হয়, যা ফুসফুসে যে বাতাস চলাচলের থলিগুলো আছে যাকে অ্যালভিওলি বলা হয়, সেগুলোকে ভর্তি করে ফেলে। এটা যখন হয়, তখন নিউমোনিয়া দেখা দেয় এবং সাহায্য ছাড়া মানুষের পক্ষে নিঃশ্বাস নেওয়া সম্ভব হয় না।

আক্রান্ত হওয়ার ছয় সপ্তাহ পর নেওয়া ম্যাকহিউয়ের এক্স-রে-তে দেখা গেছে, তার ফুসফুসের ওপর একটা সাদা ছায়ার মতো স্তর তৈরি হয়েছে যেটাকে ডাক্তাররা বলছেন, পালমোনারি ফাইব্রোসিস বা ফুসফুসে ক্ষত সৃষ্টির প্রাথমিক লক্ষণ।

ব্রিটিশ সোসাইটি অফ থোরাসিক ইমেজিং-এর একজন সদস্য এবং রয়াল কলেজ অফ রেডিওলজিস্টের উপদেষ্টা ড. স্যাম হেয়ার বলেন, ‘সাধারণত এ ধরনের ভাইরাস সংক্রমণের পর ছয় সপ্তাহ হয়ে গেলে ফুসফুসের অবস্থা আবার আগের জায়গায় ফিরে যাওয়ার কথা, অন্তত চিকিৎসকরা সেটাই আশা করেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেটা হয়নি এবং সেজন্যই এটা উদ্বেগের কারণ।’

পালমোনারি ফাইব্রোসিস কী?

পালমোনারি ফাইব্রোসিস এক ধরনের রোগ, যেখানে ফুসফুসের নরম অংশগুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এতে ফুসফুসের কলাগুলো (টিস্যু) মোটা ও শক্ত হয়ে যায়, ফলে ফুসফুসে বাতাসের থলিগুলো ঠিকমত কাজ করতে পারে না।

কোনো কোনো রোগীর ক্ষেত্রে এর ফলে নিঃশ্বাস নেওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে এবং ক্লান্তিবোধ দেখা দেয়। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে অন্য নানা ধরনের ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই রোগ সারে না। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা আরও মারাত্মক রূপ নিতে পারে অর্থাৎ দিনে দিনে এই রোগীর অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

কোভিড-১৯ এর ফলে ফুসফুসের যে ক্ষতি হয়, তা নিয়ে গবেষণার কাজ এখনো খুবই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে।

ধারণা করা হচ্ছে, যাদের হালকা উপসর্গ হয়, তাদের ক্ষেত্রে স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু যাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে, বিশেষ করে যাদের নিবিড় পরিচর্যায় রাখার দরকার হচ্ছে বা যাদের সংক্রমণ খুবই গুরুতর পর্যায়ে হচ্ছে, তাদের ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আছে।

মার্চ মাসে চীনে চালানো এক জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, সেরে ওঠা ৭০ জন করোনা রোগীর মধ্যে ৬৬ জনেরই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরেও ফুসফুসের নানা সমস্যা রয়ে গেছে।

ব্রিটেনের রেডিওলজিস্টরা সেরে ওঠা রোগীদের প্রাথমিক স্ক্যান পরীক্ষার ভিত্তিতে বলছেন, যারা কোভিডে বেশি অসুস্থ হচ্ছে, তাদের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির আশঙ্কা বেশি।

ড. হেয়ার বলেন, ‘সেরে ওঠার ছয় সপ্তাহ পর যেসব রোগীর ফুসফুসের স্ক্যান আমরা দেখেছি, তার থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া ২০ থেকে ৩০ শতাংশ রোগীর ফুসফুসে ক্ষত তৈরির লক্ষণ পরিষ্কার।’ 

অন্য রেডিওলজিস্টরাও বিবিসিকে একই উদ্বেগের কথা বলেছেন, তারাও একই প্যাটার্ন দেখছেন।

এর আগে যে দুটি করোনাভাইরাস সংক্রমণ আমরা দেখেছি, সার্স এবং মার্স-তাতে ২০ থেকে ৬০ শতাংশ রোগীর পালমোনারি ফাইব্রোসিস ধরনের কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হয়েছিল।

তবে সার্স ও মার্স তুলনামূলকভাবে আরও সাফল্যের সাথে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ এর জীবাণু সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত ৮০ লাখের বেশি মানুষ এতে আক্রান্ত হয়েছে।

ড. হেয়ার বলেন, ‘আমার মূল উদ্বেগটা হল কোভিড-১৯ বিশাল একটা জনসংখ্যাকে সংক্রমিত করেছে। এই ভাইরাস এত মানুষকে আক্রমণ করেছে, ফলে কত মানুষকে যে দীর্ঘমেয়াদে এই ভাইরাস পঙ্গু করে দিয়েছে তার সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বিশাল।’

ভবিষ্যৎ চিকিৎসা

ফুসফুসের ফাইব্রোসিস বা ফুসফুসের দেয়াল মোটা হয়ে যাওয়া সারানো যায় না, কারণ ফুসফুসের কোষ একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা চিরস্থায়ী হয়। তবে নতুন ওষুধ দিয়ে এই ক্ষতির মাত্রা কমানো যেতে পারে। হয়ত তা কিছুটা বিলম্বিত বা আটকানোও সম্ভব হতে পারে, তবে তার জন্য এই সমস্যা সময়ে ধরা পড়তে হবে।

ব্রিটেনের স্বাস্থ্য গবেষণা বিষয়ক জাতীয় ইন্সটিটিউটের গবেষক ও অধ্যাপক জিসলি জেনকিন্স বলেন, ‘সমস্যাটা কতটা গুরুতর তা বোঝা দরকার এবং জানা দরকার ঠিক কখন এটা আটকাতে ওষুধ দেওয়া দরকার। আমাদের জীবদ্দশায় এর আগে একই সাথে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের ফুসফুস এ ধরনের আঘাতের মুখোমুখি হয়নি।’

কাজেই করোনাভাইরাস থেকে সেরে ওঠা রোগীদের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির মূল্যায়ন করা এবং তাদের এই ক্ষতি কমাতে সাহায্য করা যায় কি না, সেটাই এখন গবেষক ও চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের সামনে আরেকটা বড় চ্যালেঞ্জ।

৩৬ বিলিয়ন ডলার করোনাকালেও রিজার্ভে রেকর্ড

করোনার সংকটের মধ্যে গত অর্থবছরের শেষ মাসে জুনে তিন দফায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন রেকর্ড গড়েছে। প্রায় তিন বছর পর ৩ জুন রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। এর পর ২৪ জুন ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। সর্বশেষ ৩০ জুন ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। অর্থাৎ বিদায় ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬০১ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, আমদানি-রপ্তানি কম থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার আয় যেমন কম ছিল তেমনি ব্যয়ও কম ছিল। তবে শেষ সময়ে এসে রেমিট্যান্স বেড়েছে হু হু করে। জুনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। গত বছরের জুনের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৪ শতাংশ। এ ছাড়া গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৮২০ কোটি ডলার। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স আসেনি। আগের অর্থবছরের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রেমিটেন্স আসে ১ হাজার ৬৪২ কোটি ডলার। অন্যদিকে করোনার কারণে বিশ^ব্যাংক, আইএমএফ, এডিবিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশকে ঋণ দিয়েছে। ফলে রিজার্ভ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, করোনার শুরু দিকে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আমদানি ব্যয় মেটাতে ব্যাংকগুলো ডলার কিনেছে। কিন্তু শেষের দিকে এখন ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রি করছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিনছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখায়, ২৯ জুন রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার

৫৯১ কোটি ডলার। আর ৩০ জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬০১ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৭১ কোটি ডলার।

২০১৭ সালের ২২ জুন রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। অর্থাৎ তিন বছরে রিজার্ভ বেড়েছে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার। আর জুন মাসেই রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার। ২০১৫-১৬ সালে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১৬ কোটি ডলার। পরের বছর হয় ৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ডলার। পরের দুই বছর ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের ঘরে রিজার্ভ ওঠানামা করেছে।

প্রায় ৩ মাস পর সালমনের বাগান বাড়ি ছাড়লেন জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ!

0

প্রায় ৩ মাস পর সালমন খানের বাগান বাড়ি থেকে বের হলেন বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। আজ মঙ্গলবার ভারতের সংবাদমাধ্যম জি নিউজের প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাছের এক বন্ধুর ডাকেই সালমনের বাগান বাড়ি থেকে বের হন জ্যাকলিন। লকডাউনের মধ্যে জ্যাকলিনের ওই বন্ধু মুম্বাইতে একা পড়ে যান। তাকে সাহায্য করতেই মুম্বাইতে ফেরেন শ্রীলঙ্কান বংশোদ্ভূত এই বলিউড অভিনেত্রী।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লকডাউনের আগে সালমানের বোন অর্পিতা খান শর্মার ছেলে আয়ুশের জন্মদিন উপলক্ষে সালমনের সঙ্গে তার বাগান বাড়ি পানভেল ফারমহাউসে যান জ্যাকলিন। এসবের মধ্যে লকডাউন শুরু হয়ে যাওয়ায় সেখান থেকে আর বের হতে পারেননি জ্যাকি।

ফলে পানভেলের বাগান বাড়িতে বসেই সালমনের সঙ্গে মিউজিক ভিডিওর শ্যুটও করেন জ্যাকলিন। প্রায় তিন মাস খান পরিবারের সঙ্গে কাটিয়ে অবশেষ মুম্বাইতে ফিরেছেন জ্যাকলিন।

উল্লেখ্য, সালমান ও জ্যাকলিন এর আগে কিক ও রেস-থ্রি নামক দুটি সিনেমায় একসঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়েছেন।

চেম্বারের ভেতরেই তরুণীকে ‘ধর্ষণ’, চিকিৎসক গ্রেপ্তার

0

নিজের চেম্বারে তরুণীকে সহকারীকে ‘ধর্ষণে’র ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন এক চিকিৎসক (৫৫)। গত বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে পিরোজপুরে।

আজ শুক্রবার চিকিৎসককে গ্রেপ্তারের বিষয়টি গণমাধ্যমে জানান পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, এসএসসি পাস ওই তরুণী গত ১৭ জুন পিরোজপুর শহরে একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চাকরি নেন। তার বেতন ৭ হাজার টাকা ধার্য করা হয়। চেম্বারে তাকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে হতো। গত বুধবার দুপুরে তাকে চেম্বারে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন ওই চিকিৎসক।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্ষণের ঘটনার সময় তরুণীর মুখমণ্ডলে আঘাত লাগে। তিনি মুঠোফোনে ডাক্তারের ছবি তোলায় সেটি ভেঙে ফেলা হয়।

ওসি মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের পর গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ওই চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী তরুণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর সিভিল সার্জন অফিসে পাঠানো হয়েছে।’

‘এখানে শুধু আমাদের রংবাজি চলবে’

0

রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতাল চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার সাংবাদিকরা হলেন, দেশ রূপান্তরের ফটো সাংবাদিক রুবেল রশীদ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের আলোকচিত্রী জয়িতা রায়। হাসপাতালের গেটে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা তাদের ওপর এ হামলা চালান।

হাসপাতাল চত্বরে করোনা পরীক্ষার নমুনা দিতে লাইনে দাঁড়ানো এক রোগীকে মারধরের ছবি তুলতে গেলে হামলার এ ঘটনা ঘটে। হামলাকারী আনসার সদস্যরা রুবেল রশীদের ক্যামেরার লেন্সের ফিল্টার ভেঙে ফেলেন।

হামলার শিকার রুবেল রশীদ বলেন, ‘হাসপাতালে কোভিড-১৯ টেস্টের জন্য আজ ৪০ জনকে টিকিট দেওয়া হয়। কিন্তু ৩৪ জনের পরীক্ষা করেই আনসার সদস্যরা বলেন, আজ পরীক্ষা শেষ। তখন ৩৬ নম্বর সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকা শাওন হোসেন নামের এক যুবকের সঙ্গে আনসার সদস্যদের তর্কাতর্কি হয়।’

ভুক্তভোগী রুবেল বলেন, ‘একপর্যায়ে আনসাররা তার গায়ে হাত তোলেন। এ ঘটনার ছবি তুলতে যান বাংলাদেশ প্রতিদিনের আলোকচিত্রী জয়িতা রায়। এ সময় আনসার সদস্যরা তাকে থাপ্পড় দিতে এলে জয়িতা সরে পড়েন। এরপর ঘটনার ছবি তুলতে আমি এগিয়ে যাই। তখন আনসার সদস্যরা থাপ্পড় মেরে আমার ক্যামেরার ফিল্টার ভেঙে ফেলে।’

রুবেল রশীদ আরও বলেন, ‘এ সময় আনসার সদস্যরা সাংবাদিকদের গালাগাল করতে থাকেন এবং বেঁধে রাখার হুমকি দেন। একপর্যায়ে তারা বলেন, এখানে সাংবাদিকদের রংবাজি চলবে না। শুধু আমাদের রংবাজি চলবে।’

এই বিষয়ে জানতে মুগদা হাসপাতালের পরিচালক ডা. রওশন আনোয়ারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বিষয়টি নিয়ে মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রলয় কুমার সাহা দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে বলেন, ‘মুগদা হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা করতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের সাথে আনসার সদস্যদের ঝামেলা হয়েছে। সেখানে ছবি তোলার সময় সাংবাদিকের ওপরে হামলা করা হয়েছে বলে সংবাদ পেয়ে থানা থেকে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকের ওপরে হামলা বা ক্যামেরা ভাঙচুরের বিষয়ে কেউ এখনো থানায় কোনো অভিযোগ করতে আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে শনিবার থেকে চিরুনি অভিযান: আতিকুল

0

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে শনিবার থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সব ওয়ার্ডে ফের একযোগে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান (চিরুনি অভিযান) শুরু হচ্ছে।

শুক্রবার গণমাধ্যমে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম এ কথা জানিয়েছেন। খবর ইউএনবির

তিনি বলেন, ১০ দিনব্যাপী এ অভিযান শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে। অভিযান পরিচালনার উদ্দেশে প্রতিটি ওয়ার্ডকে ১০টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। আবার প্রতিটি সেক্টরকে ১০টি সাবসেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রতি ওয়ার্ডের একটি সেক্টরে অর্থাৎ ১০টি সাবসেক্টরে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে। এভাবে আগামী ১০ দিনে সমগ্র ডিএনসিসিতে চিরুনি অভিযান সম্পন্ন করা হবে।

আতিকুল ইসলাম জানান, প্রতিটি সাবসেক্টরে ডিএনসিসির চারজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও একজন মশক নিধনকর্মী, অর্থাৎ প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রতিদিন ৪০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ১০ জন মশক নিধনকর্মী ডিএনসিসির আওতাধীন বিভিন্ন বাড়ি, স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কোথাও এডিস মশার লার্ভা আছে কি না, কিংবা কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে আছে কি না বা ময়লা-আবর্জনা আছে কি না, যা এডিস মশার বংশবিস্তারে সহায়ক, তা পরীক্ষা করবেন। চিরুনি অভিযান চলাকালে ডিএনসিসির তিনজন কীটতত্ত্ববিদ, স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তারা দিকনির্দেশনা দেবেন।

এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ৯ জন কীটতত্ত্ববিদ এবং ছয়জন চিকিৎসক ডিএনসিসির সাথে কাজ করবেন।

ডিএনসিসি মেয়র আরও জানান, অভিযান চলাকালে যেসব বাড়ি বা স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা কিংবা এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যাবে তার ছবি, ঠিকানা, মোবাইল নম্বরসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে একটি অ্যাপে সংরক্ষণ করা হবে। এর মধ্য দিয়ে ডিএনসিসির কোন কোন এলাকায় এডিস মশা বংশবিস্তার করে তার একটি ডাটাবেস তৈরি হবে।

চিরুনি অভিযানের সাথে সাথে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্টও পরিচালিত হবে।

এ অভিযান সর্বাত্মকভাবে সফল করতে সব ওয়ার্ড কাউন্সিলর, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর, গণমাধ্যম কর্মী এবং ডিএনসিসির সর্বস্তরের জনগণের সহায়তা কামনা করেছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

শতাব্দীর দ্বিতীয় সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার সাকিব

সাকিব আল হাসানকে বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার বলাটাই স্বাভাবিক। অনেকেই মনে করেন তিনি একাই দুজন ক্রিকেটারের সমান। ওয়ানডেতে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারের তালিকায় তাকে দ্বিতীয় স্থানে রেখেছে ক্রিকেটের বিখ্যাত সাময়িকী “উইজডেন মান্থলি”। অন্যদিকে টেস্ট ফরম্যাটের তালিকায় তিনি জায়গা পেয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে।

ক্রিকেট পরিসংখ্যান বিশ্লেষক সংস্থা ক্রিকভিজের সঙ্গে যৌথ গবেষণায় ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’ বা এমভিপি নির্বাচন করেছে উইজডেন মান্থলি।

সাময়িকীটির জুলাই সংখ্যায় এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওয়ানডে ফরম্যাটে সাকিবের উপরে থেকে সবচেয়ে মূল্যবান ক্রিকেটার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ইংলিশ অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ।

সাকিবের অভিষেক হয় ২০০৬ সালে। এখন পর্যন্ত ২০৬ টি আন্তর্জাতিক ওয়ানডে খেলেছেন সাকিব। রান ও উইকেটের হিসেবে ফ্লিনটফের চেয়ে বেশ এগিয়ে আছেন তিনি।

তবে উইজডেন মান্থলির এ তালিকা রান বা উইকেট সংখ্যা দেখে নয়, ক্রিকভিজের ডেটা বিজ্ঞানী স্যাম গ্রিনের সূত্র দিয়ে পয়েন্ট হিসেবে করা হয়েছে তালিকা। কোনো ম্যাচে দলের অন্য খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের সাথে তুলনা করে একটি পয়েন্ট দেয়া হয়েছে। এরপর সব ম্যাচের পয়েন্টের গড়কে ঐ ক্রিকেটার এর রেটিং হিসেবে ধরা হয়েছে। এখানে ফ্লিনটফের চেয়ে সাকিবের রেটিং ০.৫ কম।

টেস্টে সবচেয়ে মূল্যবান ক্রিকেটারের খেতাবটি গিয়েছে সাবেক শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি স্পিনার মুত্তিয়া মুরালিধরনের নামের সাথে। এরপর রয়েছেন ভারতের অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা, অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ গ্লেন ম্যাকগ্রা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার শন পলক। ষষ্ঠে আছেন সাকিব।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সবচেয়ে মূল্যবান ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন আফগানিস্তানের লেগ স্পিনার রশিদ খান। এখানে প্রথম বিশে জায়গা হয়নি সাকিবের।

টেস্টের সবচেয়ে মূল্যবান দশ

১) মুত্তিয়া মুরালিধরন, শ্রীলঙ্কা, ৯৭.৫

২) রবীন্দ্র জাদেজা, ভারত, ৯৭.৩

৩) স্টিভ স্মিথ, অস্ট্রেলিয়া, ৯১.৭

৪) গ্লেন ম্যাকগ্রা, অস্ট্রেলিয়া, ৮৯.৬

৫) শন পোলক, দক্ষিণ আফ্রিকা, ৮৪.৯

৬) সাকিব আল হাসান, বাংলাদেশ, ৮৪.২

৭) জ্যাক ক্যালিস, দক্ষিণ আফ্রিকা, ৮৩.৯

৮) রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ভারত, ৮৩.৯

৯) প্যাট কমিন্স, অস্ট্রেলিয়া, ৮৩.৩

১০) শেন ওয়ার্ন, অস্ট্রেলিয়া, ৮১.০২

ওয়ানডের সবচেয়ে মূল্যবান দশ

১- অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ, ইংল্যান্ড, ২১.৩

২- সাকিব আল হাসান, বাংলাদেশ, ২০.৮

৩- গ্লেন ম্যাকগ্রা, অস্ট্রেলিয়া, ২০.৬

৪- এবি ডি ভিলিয়ার্স, দক্ষিণ আফ্রিকা, ২০.৪

৫- কেন উইলিয়ামস, নিউজিল্যান্ড, ১৯.১

৬- বিরাট কোহলি, ভারত, ১৮.৯

৭- শন পোলক, দক্ষিণ আফ্রিকা, ১৭.১

৮- হাশিম আমলা, দক্ষিণ আফ্রিকা, ১৭.১

৯- নাথান ব্র্যাকেন, অস্ট্রেলিয়া, ১৭.০

১০- জ্যাক ক্যালিস, দক্ষিণ আফ্রিকা, ১৬.৯

টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে মূল্যবান দশ

১) রশিদ খান, আফগানিস্তান, ৭.১

২) জাসপ্রিত বুমরা, ভারত, ৬.৭

৩) ডেভিড ওয়ার্নার, অস্ট্রেলিয়া, ৬.২

৪) সুনীল নারাইন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৬.২

৫) এবি ডি ভিলিয়ার্স, দক্ষিণ আফ্রিকা, ৫.৭

৬) ক্রিস গেইল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৫.৬

৭) এভিন লুইস, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৫.৫

৮) লাসিথ মালিঙ্গা, শ্রীলঙ্কা, ৫.২

৯) ওয়াহাব রিয়াজ, পাকিস্তান, ৫.০

১০) কুইন্টন ডি কক, দক্ষিণ আফ্রিকা, ৫.০

বেশিরভাগ মানুষেরই করোনার ভ্যাকসিন লাগবে না: অক্সফোর্ড গবেষক

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য শতাধিক ভ্যাকসিন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে পুরো বিশ্বজুড়ে। এ পর্যন্ত ১২টি ভ্যাকসিনের ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল চলছে। তবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক জানালেন করোনার ভ্যাকসিন সব মানুষের প্রয়োজন হবে না।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সুনেত্রা গুপ্তা বলেন, যে কোনও সুস্থ-সবল মানুষ, যার শরীরে আনুষঙ্গিক কোনো রোগ নেই, তার করোনা ভ্যাকসিনের দরকার নেই। যারা বয়স্ক, তাদের প্রয়োজন হতে পারে ভ্যাকসিনের। এছাড়া সাধারণ জ্বরের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার দরকারই নেই করোনাকে।

করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে সুনেত্রা আরো বলেন, আমি মনে করি করোনায় মৃত্যুর হার অন্য ইনফ্লুয়েঞ্জার থেকে কম। আর প্রতিষেধক তৈরিও সহজ হবে। গরম কাল শেষ হওয়ার আগেই, আমার ধারণা, প্রতিষেধক যে কাজ করছে, তার যথেষ্ট প্রমাণ হাতে আসবে ।

সুনেত্রার মতে যখন ভ্যাকসিন আবিষ্কার হবে, তখন তা কিছু ক্ষেত্রে দুর্বল বা অসুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু সবার নেওয়ার দরকার নেই। অন্য রোগের মতো করোনাও একদিন নিজে থেকেই কেটে যাবে বলে দাবি করেন সুনেত্রা।

লকডাউন করোনা প্রতিরোধের স্থায়ী সমাধান না উল্লেখ করে অক্সফোর্ডের গবেষক সুনেত্রা জানান, যেসব দেশগুলো লকডাউন করে করোনা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছিল, সে সব দেশে আবার করোনা বড় আকারে দেখা দিয়েছে।

ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী জিন ক্যাস্টেক্স

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো জিন কাস্টেক্সকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন। এলিসি প্যালেস থেকে শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী এদুয়ার্দ ফিলিপ্পিসহ দেশটির মন্ত্রীপরিষদ ফরাসী প্রেসিডেন্টের কাছে সদলবলে পদত্যাগপত্র প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর কাছে জমা দেন।

খবরে বলা হয়, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে এদুয়ার্দ ফিলিপ্পি ইমানুয়েল ম্যাক্রোর সঙ্গে দেখা করে ওই পদত্যাগপত্র জমা দেন।