Sunday, May 17, 2026
Home Blog Page 185

শেষ পর্যন্ত বার্সা ছাড়ছেন মেসি, জানাল স্প্যানিশ রেডিও

আর্জেন্টাইন সুপারস্টার ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি বার্সালোনা ছেড়ে দিতে প্রস্তুত। ২০২১ সালে বার্সার সাথে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে তা আর বাড়াবেন না তিনি।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে চাউর হয়েছে বার্সেলোনার সাবেক কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দেকে বরখাস্তের পেছনে মেসির হাত ছিল। আর গণমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রকাশের জের ধরেই মেসি বার্সেলোনা ছেড়ে দিচ্ছেন বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ রেডিও কাদেনা সের।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জানুয়ারিতে সাবেক কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দেকে বরখাস্ত করে বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি গণমাধ্যমে এ নিয়ে প্রকাশিত খবরে মেসির সংশ্লিষ্টতার কথা উঠে আসে। এরপরই বার্সা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

এতে আরও বলা হয়, বার্সার সঙ্গে মেসির সর্বশেষ চুক্তি হয় ২০১৭ সালে। সম্প্রতি সেই চুক্তি নবায়ন করতে মেসি ও তার বাবার সঙ্গে আলোচনায় বসলে বেঁকে বসেন মেসি। আগামী ২০২১ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে বার্সা ছেড়ে দেওয়ার আভাস দেন তিনি।

এদিকে, গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বার্সা ছেড়ে সাবেক প্রিয় কোচ পেপ গার্দিওয়ালার সঙ্গে যোগ দিতে পারেন মেসি।

তবে পেপ গার্দিওয়ার মেয়াদও ম্যানসিটির সঙ্গে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি নতুন করে ম্যানসিটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হবেন কি না সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

অনার্স পাস না করেই বিসিএসে দশম!

0

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের english and american literature এ পড়ােশোনা করেছেন ফয়সাল তানভীর। অনার্স পাস করার আগেই তিনি ৩৮তম বিসিএসে প্রথমবারের মত অংশ নেন। অনার্সের অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই তিনি প্রথম ভাইভা দিয়েছিলেন। তার প্রথম পছন্দ ছিল পুলিশ ক্যাডার।

সেই স্বপ্নই ছুঁয়েছেন তিনি। ৩৮তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে তিনি ১০ম হয়েছেন।ফয়সাল তানভীর তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ফেইসবুকে লিখেন, আমি খুবই ভাগ্যবান। ধন্যবাদ সবাইকে যারা পাশে ছিল এ বন্ধুর পথে। আমার ভালোবাসার ছোঁয়ামনি, আমার সবসময়ের সাহস আমার বড়আপু, এবং অবশ্য অবশ্যই আমার বাবা মা।বন্ধু,ভাই-বেরাদার দের কথা উল্লেখ করতে গেলে কলমের কালি শেষ হয়ে যাবে। তাই আর লিখলাম না তাদের নাম। আমি জানি তারা ঠিকই বুঝে নিবে আমি কার কার কথা বলতে চাচ্ছি।

জানা গেছে, ফয়সাল তানভীর নাটোর গভ. বয়েজ হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করে ভর্তি হন রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজে। পরে তিনি ভর্তি হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।

ইউরোপ আমেরিকা কিংবা চিনে নয় বাংলাদেশেই তৈরি হচ্ছে করোনা ভ্যাকসিন

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, চীন ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা চলছে। এবার সেই তালিকায় বাংলাদেশের নাম যুক্ত হলো। গ্লোব বায়োটেক কোম্পানি দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি করে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভ্যাকসিনটি প্রাথমিক এনিমেল ট্রায়ালে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পেরেছে। ভ্যাকসিনের বর্তমান এই অবস্থাকে বড় অগ্রগতি বলেও মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের দাবি, এ পর্যায়ে ভ্যাকসিনটি দ্বিতীয় ধাপে অ্যানিমেল মডেলে ট্রায়াল করা হবে। এজন্য ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় লাগবে।

আরও জানানো হয়, ১০ জুন ল্যাবরেটরিতে তিনটি খরগোশের দেহে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে তারা। পরবর্তীতে ২১ ও ২৮ জুন আরো দু’দফা প্রয়োগ করে মিলেছে অ্যান্টিবডি। এরপর নিয়ন্ত্রিতভাবে ছোট বড় ইদুরের ওপর আবারও ভ্যাকসনটি প্রয়োগ করবেন তারা। তারপর বিএমআরসি’র অনুমোদন নিয়ে মানবদেহে অন্তত তিনদফা পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করতে হবে। সেটা সফল হলে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের অনুমোদন ও তৃতীয় পক্ষ বা সিআরও পরীক্ষা। সব শেষে আসবে চূড়ান্ত অনুমোদন প্রসঙ্গ।

প্রতিষ্ঠানটি দাবি করে, সরকারের সহযোগিতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বহুকাঙ্ক্ষিত এই ভ্যাকসিন মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।

এদিকে, এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও বিধি মেনে গবেষণা ও ট্রায়াল করার তাগিদ দিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ভ্যাকসিন ছাড়াও করোনার কিট নিয়েও কাজ করছে বাংলাদেশি এই কোম্পানিটি।

এক লাখ কোটি টাকার মাইলফলকে ইসলামী ব্যাংকের আমানত

0

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এখন এক লক্ষ কোটি টাকা আমানতের ব্যাংক। গতকাল মঙ্গলবার এ মাইল ফলক অতিক্রম করেছে দেশের শীর্ষ এই বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক। ২০১৯ সালে ব্যাংকটির আমানত ছিল ৯৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা, ২০১৮ সালে ৮২ হাজার ২৫৭ কোটি, ২০১৭ সালে ৭৫ হাজার ৫০২ কোটি এবং ২০১৬ সালে ছিল ৬৮ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা।

আমানতের পাশাপাশি এ বছরের মে ও জুন মাসে অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে সর্বোচ্চ বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরণ করেছে ইসলামী ব্যাংক। যার পরিমাণ মে মাসে ৪৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং জুন মাসে ৫৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অতীতে কখনো রেমিট্যান্স আহরণ ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেনি। রেমিট্যান্স আহরণে ২০১৯ সালের জুন মাসের তুলনায় ২০২০ সালের জুন মাসে ইসলামী ব্যাংকের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১১৬ শতাংশ। বর্তমানে রেমিট্যান্স আহরণে ইসলামী ব্যাংকের মার্কেট শেয়ার ৩২ শতাংশ। ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আহরণ বাড়িয়ে জাতীয় রিজার্ভে (বিদেশি মুদ্রার মজুদ) উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে ব্যাংকটি।

ইসলামী ব্যাংক দেশের সুষম উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সার্বিক অবদানের পাশাপাশি অনগ্রসর ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়তে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিপালনের সংস্কৃতি লালন করা ও যথাযথ পেশাদারিত্বের সাথে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জনগণের সঞ্চয়ের বিশ্বস্ত আমানতদার হিসেবে কাজ করছে এই ব্যাংক।
শরীআহ ভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের অগ্রপথিক ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে ৩৫৭ টি শাখা, ৪৩ টি উপশাখা, ১২০০ এজেন্ট আউটলেট ৬৬০টি নিজস্ব ও প্রায় ১১ হাজার শেয়ারড এটিএম ও সিআরএম বুথের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা প্রদান করছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি-সমৃদ্ধ ও আন্তরিক গ্রাহক সেবার মাধ্যমে এই ব্যাংক শ্রেণি-পেশা, ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সব মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের অনন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

চলতি বছরে ব্যাংকটির গ্রাহকসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বর্তমানে ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা দেড় কোটি। আর্থিক সেবা বঞ্চিত মানুষের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছাতে ইসলামী ব্যাংক ২০১৭ সালে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেটসমূহের গ্রাহক সংখ্যা ৭ লাখ ৫৩ হাজার এবং আমানতের পরিমাণ দেশের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সর্বোচ্চ ২৬০০ কোটি টাকা।

দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে ইসলামী ব্যাংক অতীতের মতোই শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। যা চলমান আর্থিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সময়ে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখছে। গ্রাম ও শহরের অর্থনৈতিক বৈষম্য কমিয়ে এবং বণ্টনমূলক সুবিচার নীতি অনুসরণ করে বিনিয়োগ প্রদানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক দেশের টেকসই উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করছে। ইসলামী ব্যাংকের রয়েছে সর্বোচ্চ এসএমই বিনিয়োগ যা এসএমই সেক্টরের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

তারুণ্য-দীপ্ত, সৎ, যোগ্য ও চৌকস নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গঠিত এক দল পেশাদার কর্মকর্তা দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এই ব্যাংক। সৎ, আত্মবিশ্বাসী ও গ্রাহকসেবায় সদা প্রস্তুত কর্মী বাহিনীই এই ব্যাংকের বড় সম্পদ। ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এ পর্যন্ত অসংখ্য পদক পেয়েছে এ ব্যাংক। বিশ্বের শীর্ষ এক হাজার ব্যাংকের তালিকায় বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক।

ব্যাংকের এই সাফল্যের কৃতিত্ব দেশ ও প্রবাসের সকল গ্রাহক, শুভাকাঙ্খী ও ইসলামী ব্যাংক পরিবারের সকল সদস্যের। স্থানীয় মালিকানা পরিবর্তনের কারণে ব্যাংকের গ্রহণযোগ্যতা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে সর্বত্র। সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও গ্রাহকসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

আমার কাছে মনে হইল ১০ মিনিট আছিলাম

0

‘আমার কাছে মনে হইল ১০ মিনিট আছিলাম। কিন্তু পানির ওপরে উইঠা শুনি, ১২-১৩ ঘণ্টা আছিলাম। আল্লাহ যে ক্যামনে ১২-১৩ ঘণ্টা পার কইরা দিল বলতে পারি না। আমি ভেতরে কিসের মধ্যে ছিলাম, কিচ্ছু বুঝতে পারি নাই, তবে পানির তলে ছিলাম এইটুক জানি।’

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ১৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার হওয়া সুমন বেপারী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেডে শুইয়ে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন। তবে তার কথায় কিছুটা অসংলগ্ন লক্ষ্য করা গেছে। গতকাল তিনি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘লঞ্চ যখন ডোবে, তখন আমি ঘুমাইতেছিলাম। আচমকা ধাক্কায় আমার ঘুম ভাইঙা যায়। হুড়াহুড়ি শুরু হয়। আর কিছু খেয়াল নাই। কিসের মধ্যে ছিলাম আল্লাহ জানেন, তবে ভেতরে এক জায়গায় খাড়ায় ছিলাম রড ধইরা।’ রাজধানীর শ্যামবাজারের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরা সুমন বেপারীকে নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। কীভাবে তিনি ডুবে যাওয়া লঞ্চের ভিতর ছিলেন সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তবে, শ্বাসরুদ্ধকর ওই ১৩ ঘণ্টার স্পষ্ট বর্ণনা মিলছে না সুমন বেপারীর কাছ থেকে। কখনো বলছেন, ১৩ ঘণ্টাই মৃত্যুর প্রতিক্ষায় দোয়া-দরুদ পড়ে কাটিয়েছেন, কখনো বলছেন মাথায় আঘাত পেয়ে পুরো সময়টাই তিনি অচেতন হয়ে ছিলেন, আবার বলছেন একটি রড ধরে জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। গতকাল দুপুর ১টার দিকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে গিয়ে সুমন বেপারীর সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, রাজধানীর বাদামতলীর এলাকায় ফল বিক্রি করেন তিনি। সপ্তাহে এক বা দুই দিন গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ির আবদুল্লাহপুরে থাকেন। বাকি দিনগুলো সদরঘাটে বিভিন্ন নৌকায় রাত কাটান সুমন। বিয়ে না করলেও মা আমেনা খাতুনের টানেই ঘন ঘন গ্রামে যেতেন। সোমবার সকালে গ্রামের বাড়ি থেকেই প্রতিবেশী আরেক ফল বিক্রেতা মাসুমকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। কাঠপট্টি থেকে ৪০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে লঞ্চের নিচতলার একটি ছিটে বসেন। চোখে কিছুটা ঘুম ছিল। হঠাৎ করেই দেখতে পান অন্য একটি লঞ্চের ধাক্কায় তাদের লঞ্চটি ডুবে যাচ্ছে। এ সময় তিনি নিচতলাতেই ছিলেন। এদিক ওদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন। তিনি বলেন, ‘আমি পানির মধ্যে ডুইবা যাইতে থাকি। কয়েক ঢোক পানিও খাই। এরপর আল্লাহ আস্তে আস্তে এমন একটি জায়গায় নিয়া গেল, যেখানে পানি ছিল না। পা পর্যন্ত একটু পানি ছিল, সেই পানি দিয়া ওজু করছি। দোয়া-দরুদ পড়ছি। শরীরে যে পোশাক ছিল, সেটা ভাইসা গেছে। পড়নে আমার শুধুমাত্র গেঞ্জি। গেঞ্জিটা খুইলা কোমরে বাঁইধা নেই। আমি একটা রড ধইরা আছিলাম। এরপর আর কিছু জানি না। আমি হঠাৎ বুঝতে পারি, পানিতে ভাসতেছি। পরে আমারে উঠায়া নিয়ে আসে।’ মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রাশীদ উন নবী বলেন, সুমন বেপারী প্রথম যখন আনা হয় তখন তার হালকা শ্বাসকষ্ট ছিল। তবে, এখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তাকে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের বলে দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজন বুঝে তাকে ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, কোনো সমস্যা না থাকায় সুমন বেপারীকে যেকোনো সময় ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে শ্যামবাজার সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে মর্নিং বার্ড লঞ্চডুবির ঘটনায় গতকাল পর্যন্ত ৩৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে, সোমবার রাতে উদ্ধারকাজ চলার সময় অলৌকিকভাবে ভেসে ওঠেন সুমন বেপারী। ফায়ার সার্ভিস বলছে, লঞ্চ ডুবে যাওয়ার সময় ভিতরে জমে থাকা বাতাসের কারণে হয়তো প্রাণে বেঁচে গেছেন সুমন বেপারী।

পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের সীমাবদ্ধতা থাকবে না: শিক্ষামন্ত্রী

0

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বর্তমান সরকার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ৪১ বাস্তবায়নে কারিগরি শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশ ফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন সংক্রান্ত এক ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আজ এ কথা বলেন মন্ত্রী। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে মিটিংয়ে আরো যুক্ত ছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সানোয়ার হোসেন, মাদ্রাসা  বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর কায়সার আহমেদ, কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. মোরাদ  হোসেন মোল্লাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক ব্যক্তির হয়তো প্রয়োজনীয় কারিগরী দক্ষতা আছে কিন্তু তার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সার্টিফিকেট নেই এবং সার্টিফিকেট না থাকার কারণে ভালো চাকরি পাচ্ছে না অথবা চাকরি পেলেও ভালো বেতন পাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি যদি চায় এবং যদি তার প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকে তাহলে সে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারবে। 

একই মিটিংয়ে তিনি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে ন্যুনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩.৫  থেকে কমিয়ে ২.৫, মেয়েদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত দেন। পাশাপাশি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি ফি ১৮২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১০৯০ টাকা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন। 

বৈঠকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের নীতিমালা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আইন ২০২০ ও এর নিয়োগবিধি প্রণয়নসহ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়।

উড়ন্ত সাপ নিয়ে‌ বিজ্ঞানীরদের গবেষণায় উঠে এল ভয়ঙ্কর তথ্য!

আমাদের মধ্যে অনেকেই হয়ত চমকে যাবেন এটা শুনে যে উড়তে পারে সাপ!‌ এমনিতেই মাটিতে সাপ চলে ফিরে বেড়াচ্ছে দেখলে ভয়ে অনেকের গলা শুকিয়ে যায়। এবার যদি কেউ দেখেন, আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে সাপ!‌ তাহলে আতঙ্কেই জ্ঞান হারানো নিশ্চিত!‌ খবর নিউজ এইটটিনের।

বলা হচ্ছে, Chrysopelea paradisi নামে এক প্রজাতির সাপ সম্পর্কে সম্প্রতি আজব তথ্য প্রকাশ করেছেন গবেষকরা। ভার্জিনিয়া টেকের পক্ষ থেকে একটি গবেষণা করে তারা দেখেছেন, এরা হাওয়ার মধ্যে দিয়ে চলাফেরা করতে পারে। ভয়ঙ্কর ব্যাপার হচ্ছে এই সাপ মাটি থেকে উড়ে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছে যেতে পারে। এসব সাপ শিকারও অনেক জটিল, যেহেতু এরা মুহূর্তে উড়ে যেতে পারে। তাই অন্যান্য সাপের তুলনায় এই সাপ বেশি আতঙ্কের ও ভয়ঙ্কর।

সিএনএন প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, এই ধরনের সাপ সাধারণত মাটি দিয়ে তো চলতে পারেই, সঙ্গে সঙ্গে নাকি উড়তে পারে। কিন্তু কীভাবে, তা এখনও স্পষ্ট করে বলতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানী আইজ্যাক ইয়েটন মনে করেন- এটি হাওয়ায় গ্লাইড করা বা ওড়ার শক্তি পায় নিজের শরীরকে কিছুটা ভাঁজ করে ডানার মতো করে নেওয়ার ফলে। ‌

জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি

0

নিউমোনিয়া জনিত কারণে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা গুরুতর। একইসঙ্গে তার শরীর যথেষ্ট দুর্বলতা রয়েছে।

বুধবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন গণ্যমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ডা. জাফুরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা কিছুটা গুরুতর। তার শরীর দুর্বলতা রয়েছে। ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না। এছাড়া তার জ্বর এবং গলাব্যাথাও আছে।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট প্রকল্পের সমন্বয়কারী এবং গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের উপাধ্যক্ষ ডা. মুহিবুল্লাহ খন্দকার বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। মাঝখানে ওনার শারীরিক অবস্থার একটু উন্নতি হয়েছিল, তবে গত দুইদিন থেকে ফের অবনতি হয়েছে। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে ভুগছেন। বুধবার তার বিএসএমইউতে সিটি স্ক্যান করার কথা ছিল, তবে তার শরীর প্রচণ্ড দুর্বল থাকায় আমরা তাকে সেখানে নিতে পারিনি। উনি নিজেও যেতে রাজি হয়নি। বর্তমানে তিনি গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

আরও জানানো হয়, জিআর কোভিড ১৯ র‍্যাপিড ডট কিটের নিবন্ধন না পাওয়ায় তিনি বর্তমানে খুবই বিষণ্ণ, তবে ওষুধ প্রশাসন ও বিএসএমইউ কিটের উন্নয়নে সহায়তা করবে জানতে পেরে উনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

দেওয়ানি মামলা দায়ের হবে সশরীরে; শুনানি ভার্চুয়ালি

0

আদালতে উপস্থিত হয়ে দাখিল করতে হবে দেওয়ানি মামলা। কঠোরভাবে স্বাস্থ্য বিধি, সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখেই আদালতের সেরেস্তায় এই মামলা দায়েরের নির্দেশনা জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সশরীরে উপস্থিতি থেকে মামলা দায়েরের নির্দেশনা দেওয়া হলেও শুনানি হবে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। ওই সিদ্ধান্তে প্রতিটি দেওয়ানি আদালতের বিচারককে সেরেস্তায় মামলা দায়েরের কার্যপদ্ধতি নির্ধারণেও এখতিয়ার প্রদান করা হয়েছে। যাতে করে আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা করোনা ঝুঁকি এড়াতে পারে।

সুপ্রিম কোর্ট বলছে, করোনার সংক্রমণ রোধকল্পে তথা বিচারক ও আইনজীবীবৃন্দসহ অন্যান্য সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে পরিচালিত আদালতের কার্যক্রম একটি সাময়িক ব্যবস্থা মাত্রা। পরিস্থিতির উন্নতি হলেই পূর্ব প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা প্রদান করা হবে।

এ প্রসঙ্গে হাইকোর্টের স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান ইত্তেফাককে বলেন, করোনা ভাইরাসজনিত উদ্ভুত পরিস্থিতিতে দেওয়ানি মামলা ও এ সংক্রান্ত আপিল সেরেস্তায় গিয়ে আইনজীবীদের দাখিল করতে হবে। তবে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনের শুনানি হবে ভার্চুয়ালি।

তিনি বলেন, মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে সেরেস্তার কক্ষে প্রবেশের সুযোগ থাকবে না। কক্ষের জানালা দিয়ে আবেদন দাখিল করতে হবে।

যত্রতত্র পশুরহাটের অনুমতি দেয়া যাবে না: ওবায়দুল কাদের

0

কোরবানীর পশুরহাট করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘যত্রতত্র পশুরহাটের অনুমতি দেয়া যাবে না, প্রয়োজনে হাটের সংখ্যা কমিয়ে আনতে হবে। এছাড়া মহাসড়কের উপর কিংবা পাশে বসানো যাবে না। পশুরহাটে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের আগেই করণীয় নির্ধারণ করতে হবে।’

আজ বুধবার তার সংসদ ভবনস্থ সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যত্রতত্র পশুরহাটের অনুমতি দেয়া যাবে না, কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন না করলে কোরবানীর পশুরহাট স্বাস্থ্যঝুঁকির ভয়ানক মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে। মহাসড়ক ও এর আশেপাশে পশুরহাটের অনুমতি দেয়া যাবে না।’

নমুনা পরীক্ষায় ফি নির্ধারণের বিষয়ে তিনি বলেন, অসহায়, গরীব ও খেটে খাওয়া মানুষ করোনার লক্ষণ দেখা দিলে ফি দিয়ে পরীক্ষা করানোর সামর্থ্য নেই। এতে তারা পরীক্ষার বাইরে থেকে যাবে এবং সংক্রমণ দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়বে। তাই খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত প্রদানে সংশ্লিষ্টদের প্রতি তিনি অনুরোধ জানান।

লকডাউন শেষ হওয়া এলাকাসমূহে সংক্রমণ রোধে ইতিবাচক ফল এসেছে, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এই মতামত তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকার আরও কিছু এলাকায় সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি বিবেচনায় লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। আপাত এই বিচ্ছিন্নতা সকলের কল্যাণের জন্য। সাময়িক এ বিচ্ছিন্নতা দীর্ঘ মেয়াদে প্রিয়জনদের সান্নিধ্য নিশ্চিত করার জন্যই করা হচ্ছে।

দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বন্যার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা পাঠানো হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিবিড়ভাবে বন্যা পরিস্থিতি মনিটর করছেন। তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। বন্যা কবলিত জেলাসমূহে ত্রাণ সহায়তা পাঠানো হচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশ যে সক্ষমতা দেখিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই ধারাবাহিকতায় এবারও অসহায় মানুষের পাশে থেকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণ এখন ছড়িয়ে পড়েছে, এ রোগ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়লে তা সীমাবদ্ধ সুযোগ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ হবে কষ্টসাধ্য, সমসাময়িক বিশ্ব প্রেক্ষাপটে তার প্রমাণ পেয়েছি। তাই সকলের প্রতি অনুরোধ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে, সমাজিক দুরত্ব ও শারীরিক দুরত্ব বজায় চলি, সামান্যতম অবহেলা আর উদাসীনতা আমাদের প্রিয়জন থেকে দূরে সরিয়ে দিবে। এই চিরচেনা জগতটাকে করে দিবে অচেনা, স্বপ্নের রঙে সাজানো বর্ণিল পৃথিবী হয়ে যাবে বিবর্ণ।