Thursday, April 2, 2026
Home Blog Page 137

পরীমনি সম্পর্কে ফেসবুকে দেয়া নানা স্ট্যাটাস!

0

রোমান রাশেদ খানের পাতা থেকে-

শুরুতে ভেবেছিলাম, পরীমনির ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজ হ্যাকড্ হয়েছে। তারপর মনে হলো, পরীমনি যে আড়াই বছর বয়সে মা’কে হারিয়েছেন, সেটা তো হ্যাকারের জানার কথা নয়। কিছুক্ষণ পর নিশ্চিত হলাম, ঘটনা সত্য। তারপর থেকেই আমি কেমন যেন ভাবলেশহীন, নির্লিপ্ত হয়ে গেলাম।

সবাই স্ট্যাটাস দিচ্ছে, কমেন্ট করছে, আমি পড়ছি-পড়ছি এবং পড়ছি। কিছু লেখার ব্যাপারে হাত নিষপিষ করছিল; কিন্তু সব শব্দ এক করে গুছিয়ে লিখতে গেলে মহাকাব্য হয়ে যেতে পারে-এই আশংকায় বেদনার্ত মন নিয়ে ঘুমিয়ে গেলাম। ঘুম থেকে উঠতে না উঠতেই দেখলাম, ইনবক্স ভর্তি জিজ্ঞাসার পাহাড়-‘আপনি কোন পক্ষ?’ মিতু বললো, তোমার কিছু একটা লেখা উচিত।

অন্যায় যার সাথেই হোক, প্রতিবাদ করা উচিত। অবশ্যই আমি প্রতিবাদ করতে চাই, তবে যে কোনো কারণেই হোক, ফেসবুক যেহেতু এখন একটি ভার্চুয়াল আদালতের (!) মর্যাদা পেয়ে গেছে, এই আদালতের সামনে কিছু প্রশ্নও ছুঁড়ে দিতে চাই; যারা কাল থেকে অবিরাম পরীমনির চরিত্রের সার্টিফিকেট দিয়ে যাচ্ছেন, তাদের উদ্দেশ্যে-

• কাল পরীমনির কান্নাও অনেকের হৃদয় স্পর্শ করতে পারেনি। পুরোটাই নাকি স্ক্রিপ্টেড। একজন নিকৃষ্ট মানুষও নিজের ইজ্জত নিলামে তুলেন না। আপনারা কিভাবে নিশ্চিত হলেন পুরো বক্তব্যই স্ক্রিপ্টেড? প্রমাণ দিন।

• সংবাদ সম্মেলনে পরীমনির কথাবার্তা নাকি ছিল অগোছালো। তার মানে, একজন মেয়ে-যার ওপর সম্ভ্রমহানির চেষ্টা করা হয়েছে, সেটার বর্ণনা বারংবার দেয়ার সময়ও সেই মেয়েটিকে স্মার্টলি উত্তর দিতে হবে, গুছিয়ে কথা বলা শিখতে হবে? নইলে পুরোটাই স্ক্রিপ্টেড মনে করতে হবে?

• পরীমনি জানতেন, তার ফেসবুক পোস্টের পর পক্ষ-বিপক্ষ মতামতে চায়ের কাপ থেকে ভাতের প্লেটে ঝড় উঠবে। এজন্যই সাধারণ মেয়ের জায়গা থেকে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন ৪ দিন, বিচারের আশায়। বিচার কি তিনি পেয়েছিলেন? যদি সত্যিই attention পাবার ইচ্ছে থাকতো, ৪ দিন আগেই তো তিনি পোস্ট দিতে পারতেন। কেন মনে হয় আপনাদের, এরকম ঘটনা পরীমনির সাথে এবারই প্রথম হয়েছে বা শুধু পরীমনির সাথেই এরকম হয়েছে? এরকম ঘটনা অহরহ হচ্ছে। কেউ বিচার চায়না, চাইলেও পায় না। কেউ মৃত্যুর মাধ্যমে প্রতিবাদ জানায়, তখন RIP RIP শোক ধ্বনিতে আমরা সামাজিক সব মাধ্যম মুখর করে ফেলি। পরীমনি আত্মহননের পথ বেছে নিলেও অবশ্যই তাই হতো। তিনি বিচার চেয়েছেন বলেই কি আমাদের ইগো মনের অলক্ষ্যে জেগে উঠেছে? মনের গভীরের ঈর্ষাগুলো (পরী কেন ৩ কোটি টাকার গাড়ি ব্যবহার করবেন, কেন এত বিলাসবহুল জীবন যাপন করবেন, কেন এত ব্যয়বহুল জন্মদিনের পার্টি করবেন) জেগে উঠেছে? আমরা কি খোদা, নাকি আমাদের কাছে কোনো রাষ্ট্রীয় হুকুম রয়েছে-মানুষের চরিত্রের ময়নাতদন্ত করার? আমরা শতভাগ চরিত্রবান মানুষ? আয়না কি বলে? আমরা কেন একজন প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরকে স্যলুট না জানিয়ে ধিক্কার জানাই?

• ঘটনার দিন ভিক্টিমের পরিশ্রমের পারিশ্রমিক নিয়ে নাকি বনিবনা হয়নি বলে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে মিথ্যেমিথ্যি ফাঁসিয়ে দেয়া হয়েছে বোট ক্লাবের সাবেক সভাপতিকে। আপনারা কিভাবে নিশ্চিত হলেন? প্রমাণ আছে? প্রমাণ দিন।

• ধরে নিলাম, পরীমনি এ সমাজের সবচাইতে নিকৃষ্ট প্রাণী। অনেকের ব্যবহার করা শব্দ অনুযায়ী, তিনি ‘বেশ্যা’। তার মানে বেশ্যাদের সাথে ধর্ষণ করা জায়েজ? গলা দিয়ে মদের বোতল জোরপূর্বক প্রবেশ করানো জায়েজ? তাকে লাত্থি দেয়া জায়েজ? তার মানে হিন্দি ‘পিংক’ সিনেমা দেখে হাত তালি দেয়া দর্শকরা শুধু নাটক-সিনেমাতেই দেখতে চান ‘নো মিন্স নো’? বাস্তবে একজন মেয়ে/ বেশ্যা/ নায়িকা হলে তার সাথে যা খুশি করা যাবে? আপনি তার সম্পর্কে খারাপ ধারণা রাখতেই পারেন। কিন্তু ধর্ষণ করতে পারেন? তারকা ভুলে গেলাম। একজন মেয়েকে কখনোই কি আমরা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে, অনুমতি ছাড়া স্পর্শ করতে পারি? চড়, লাত্থি, আচড় যেটাই হোক! পারি?

• সাংবাদিক ভাইদের অনেককেও দেখলাম, বিষয়টি নিয়ে তামাশা করতে। ধরে নিলাম, পরীমনি আপনার সাথে দুর্ব্যবহার করেছেন বা জন্মদিনের পার্টিতে দাওয়াত দেননি বা অতীতে আপনি বিনা দোষে তার কাছে অপরাধী হয়েছেন, তারপরও একজন মেয়ের কান্না নিয়ে বা তার বিচার চাওয়ার বিষয়টি নিয়ে হাসি-তামাশা করার শিক্ষা আপনাকে কে শিখিয়েছে? সাধারণ মানুষের বর্বরতার চিত্র তো যে কোনো তারকার কমেন্টবক্সে চোখ রাখলেই দেখা যায়। কিন্তু আপনি সাংবাদিক হয়ে, বিনোদন জগতের একজন হয়ে, আপনার অঙ্গনেরই একজনকে নিয়ে কি করে ঠাট্টা মশকরা করতে পারেন? আপনার পরিবারের একজন নিকৃষ্ট (!) বোনকে নিয়ে যদি বাইরের মানুষ হাসে, আপনিও কি তাদের দলে শরীক হয়ে বোনের বিরুদ্ধে কথা বলবেন? তাছাড়া অনেকের ভাষায়, পরীমনি যদি এতই সাংবাদিকদের গণায় না ধরতেন, তার জন্মদিনে সিনিয়র-জুনিয়র, বড়-ছোট সব পত্রপত্রিকার সাংবাদিকরা কি করে আমন্ত্রিত হতেন? তার সম্পর্কে প্রকাশিত সব খবর (বিখ্যাত-অখ্যাত সব পত্রিকা/ পোর্টাল) নিয়ম করে কেন ধন্যবাদ জানিয়ে শেয়ার করতেন? অনেকেই তো করেন না। পরীমনিও না করলেই পারেন।

• কেউ কেউ বাণীর ভান্ডার খুলে বসেছেন কাল থেকে- আসুন সৎ রাস্তায় বড় হই। কষ্ট কম, রিস্ক বেশি / এত লোভ ভালো না, লোভে পাপ পাপে মৃত্যু। কাছের মানুষ/ বিশ্বস্ত বন্ধুদের সাথে বের হয়ে বন্ধুর অনুরোধে ৫ মিনিটের জন্য বোট ক্লাবের টয়লেট ব্যবহার করা লোভ? ক্লাবের সাবেক সভাপতির হুকুম অমান্য করা লোভ? কিংবা যদি অন্য প্রসঙ্গে বলি, প্রতি বছর ঈদে দুস্থ শিল্পীদের জন্য গরু কোরবানী দেয়া লোভ? নিজের জন্মদিনের দিনের বেলার পুরোটা সময় এতিমখানার বাচ্চাদের সাথে কাটানো লোভ? আরো তো অনেক সম্পদশালী তারকা আছেন। নতুন বন্ধু/ সহকর্মী তো বটেই, স্বার্থহীন পুরনো বন্ধুদের ভুলে না গিয়ে তাদের নিয়ে বছরের পর বছর নিজের জন্মদিন উদযাপন করা লোভ? বাসার গৃহপরিচারিকার বোনের বিয়ের জন্য সাড়ে ছয় লাখ টাকা খরচ করা লোভ?
• কিছুদিন আগে একটি অনলাইন পত্রিকায় খবর বেরিয়েছিল, পরীমনি দুবাই ঘুরতে গেছেন একটি গ্রুপের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তার সাথে। সেই কর্মকর্তা একটি হত্যাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, আশ্রয় নিয়েছেন পরীর কাছে।

আমার প্রশ্ন, সেই ঘটনা সংগঠিত হবার ৬ দিন আগে থেকেই তো পরীমনি দুবাইয়ের ছবি আপলোড করছিলেন। এমনকি পরীমনি এই ঘটনার সাথে জড়িত আছেন-এমন খবর প্রকাশের পরও তো পরীমনি ছবি আপলোড করেই যাচ্ছিলেন (স্বাভাবিক নিয়মে তো তার সংকুচিত হয়ে যাবার কথা)। আমরা কিভাবে নিশ্চিত হলাম, সেই কর্মকর্তা সত্যিই দেশ ছেড়েছেন? কোনো প্রমাণ আছে? এমনো তো হতে পারে, সেই কর্মকর্তা দেশেই ছিলেন।

অবশ্য ছিদ্রান্বেষীদের এসব বলেও বা কি হবে? তনু-নুসরাত-মুনিয়াদের বিচার না হলে বুক ফুলিয়ে নারীর দিকে আঙুল তোলাটাই যেন নষ্ট সময়ের নিয়ম হয়ে দাঁড়ায়। আন্তর্জাতিক ফোর্বস ম্যাগাজিনে যার নাম আসে, সেই তারকাকে যদি জনৈক সম্পশালীর কাছে অপদস্ত হতে হয়, সেই খবর যদি আবার বিবিসিতে আসে, অপমানটা কিন্তু আমাদের সবার গায়েই লাগে, অন্তত আমার লাগে। বিস্মিত মন বার বার জানতে চায়, যার ফেসবুকে অনুসারীর সংখ্যা সবচাইতে বেশি, সেই তারকা যদি এতই নিকৃষ্ট হন, আমরা তাকে বয়কট কেন করিনা?

কাল পরীমনি সংবাদ সম্মেলনে ততটুকুই বলেছেন, যতটুকু সবার সামনে/ গণমাধ্যমে বলা যায়। সত্যি কাহিনী এর চেয়েও অনেক নৃশংস। কস্টিউম ডিজাইনার জিমিকে জিজ্ঞাসা করে দেখুন। গা শিউরে যাবে। সময়ের একজন শীর্ষ জনপ্রিয় শিল্পীর সাথে এমন-ও হতে পারে! আমি কণ্ঠ জোরালো করে পরীমনি ও জিমির সাথে ঘটে যাওয়া এই জঘন্য, নেক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সুবিচার চাই। কারণ চিত্রনায়িকা পরীমনি হোক বা গাঁও গেরামের সখিনা-জরিনা, সবারই ন্যায় বিচার পাবার অধিকার আছে। যদিও বিচারটা শুধু রাষ্ট্রীয় আদালতেই না, মনের আদালতেও হওয়া উচিত। কারো দিকে আঙুল তুলে নিকৃষ্ট কথা বলার আগে শতবার ভাবা উচিত। কারণ এটা মধ্যযুগ না, ২০২১!

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

রাজবাড়ীতে অভিনব কায়দায় পতিতাবৃত্তি প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষণ

0

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দী থানার চর ফরিদপুর গ্রামে চলছে মা-মেয়ের অভিনব কায়দায় পতিতাবৃত্তি।

জানা যায়, ওই গ্রামের মেয়ে সাদিয়া আক্তার রুনা এবং মা রিনা আক্তার দীর্ঘ দিন ধরে এই ব্যবসা চালিয়ে আসছে। তবে এই ফ্যামীলিতে নেই কোন পুরুষ। দুই মা-মেয়ে মিলে এই বাড়িতে বসবাস করে।

রুনা আক্তারের মা রুনার বাবার থেকে আলাদা হয়ে যায় অনেক আগেই।এবং এই রুনা আক্তারের ও দুই বার বিয়ে হয়েছিল, সেই স্বামীর কাছ থেকে স্বর্ন এবং টাকা পয়শা হাতিয়ে চলে আসে তার মায়ের কাছে। এই ফাঁকা বাড়ীতে তাদের বসবাস।

রুনার মামারা থাকলেও তারা এই কাজে বাধা দেওয়াতে খেতে হয় মামলা। যার কারনে রুনার মামারা তাদের থেকে আলাদা হয়ে যায়।

তবে এই সাদিয়া ইসলাম রুনার পতিতা বৃত্তির চিত্রটা একটু ভিন্ন। সে গরিব এবং অসহায়ত্তের অভিনয় করে ঢোকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। তার কায়দায় সে বিভিন্ন ভাবে মালিক পর্ষায়ের লোকদের ব্লক মেইল করে থাকে, তারপড় হাতিয়ে নেয় মোটা অংকের টাকাসহ জায়গা জমি।

ওই এলাকার লোকজন বিষয়টা জানলেও মা-মেয়ের ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারে না।
কারন তাদের কে কিছু বলতে গেলেই মেয়ে এবং মেয়ের মা অনেকটা উলঙ্গ রত অবস্থায় থানায় গিয়ে মামলা করেন।

বিষয়টা নিয়ে ওই এলাকায় খোঁজ নিলে এলাকার মানুষ এক বাক্যে বলে ওঠে এদের থেকে আমাদের কে বাঁচান। আমাদের পরিবার আছে আছে বাচ্চা, কাচ্চা। এলাকায় এই অবস্থা চলতে থাকলে আদের বাচ্চারা বা আগামী প্রজন্ম ধ্বংষের মুখে পতিত হবে।

বিষয়টা বালিয়াকান্দী থানাতে জানানো হলে, মেয়ে বলে তারাও ছাড় পেয়ে যায়। তাই এই বিষয় নিয়ে প্রশাসন মহলকে অনুরোধ করব আপনারা যতো দূত সম্ভব তদন্ত করুন। এবং এর যথাযত বিচার করুন।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

যে শাস্তি হতে পারে সাকিব আল হাসানের!

বিতর্কিত কাণ্ডে জড়িয়ে আবারও আলোচনায় সাকিব আল হাসান। আজ (শুক্রবার) মিরপুর শেরে বাংলায় ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের জমজমাট ম্যাচটিতে প্রথমে স্ট্যাম্পে লাথি মারেন সাকিব, পরে এক পর্যায়ে ৩ স্ট্যাম্পই মাটিতে আছাড় মারেন আর সবশেষ আবাহনী ডাগআউটের সামনে দেখা যায় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়।

এখন ভক্ত-সমর্থকদের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে-এতসব কাণ্ডের পর কী শাস্তি হবে সাকিবের? সেই শাস্তির মাত্রা কতটুকু হবে, সেটা হয়তো জানা যাবে আজ রাতেই।

তবে তার আগে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে ম্যাচ রেফারি মোরশেদ চৌধুরী একটা আভাস দিলেন, কেমন শাস্তি হতে পারে। মোরশেদ জানালেন, মূলত আম্পায়ারদের রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করছে, সাকিবের কি শাস্তি হবে।

যদি আচরণবিধির ‘লেভেল টু’ লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন তারা, তবে এই অপরাধের শাস্তি দুই ম্যাচ কিংবা কমপক্ষে এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা এবং আর্থিক জরিমানা।

আর যদি ‘লেভেল ফোর’ ভঙ্গের অভিযোগ আনেন, তবে মোহামেডান অধিনায়ক বড় বিপদে পড়বেন। যার শাস্তি কমপক্ষে ৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

২০ দিনের পরিচয়ে বিয়ে করলেন রেলমন্ত্রী সুজন

0

মাত্র ২০ দিনের পরিচয়ে দিনাজপুরের বিরামপুরের মেয়ে অ্যাডভোকেট শাম্মী আকতার মনিকে বিয়ে করলেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

শাম্মী আকতার মনির বড় ভাই মো. জাহিদুল ইসলাম মিলন সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমার বোন শাম্মী ঢাকার উত্তরায় থাকে। সে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করছে। আইনি বিষয়ে পরমার্শ নিতে কিছুদিন আগে রেলমন্ত্রীর কাছে যায় আমার বোন। পরে আমার বোনকে মন্ত্রীর পছন্দ হয়।

পারিবারিকভাবে শনিবার (৫ জুন) ঢাকার হেয়ার রোডে মন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে বরপক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিরামপুরের বিচারপতি ইজারুল হক ও তার স্ত্রী। কনেপক্ষে আমি ও আমার ভাই উপস্থিত ছিলাম।

৬৫ বছর বয়সী নূরুল ইসলাম সুজনের স্ত্রী নিলুফার জাহান ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মারা যান। তাদের এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। তিন সন্তানেরই বিয়ে হয়েছে।

পঞ্চগড়-২ (বোদা-দেবীগঞ্জ) আসন থেকে নবম, দশম এবং একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৮ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর হন রেলমন্ত্রী।

অন্যদিকে, মনির এর আগে কুষ্টিয়ায় বিয়ে হয়েছিল। পারিবারিক সমস্যার কারণে ২০১১ সালে ডিভোর্স হয়ে যায়। ওই ঘরে একটি মেয়ে রয়েছে।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

ক্ষমা চাইলেন সাকিব আল হাসান!

আবাহনীর বিপক্ষে ম্যাচে স্টাম্পে লাথি দেওয়া ও স্টাম্প তুলে আছাড় দেওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

আবাহনীর বিপক্ষে বৃষ্টি আইনে ৩১ রানে জয়ের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন সাকিব।

স্ট্যাটাসে সাকিব লিখেন, ‘প্রিয় অনুরাগী এবং অনুসারীরা, আমি মেজাজ হারিয়ে এবং ম্যাচটি সবার জন্য, বিশেষত যারা বাড়ি থেকে দেখছেন তাদের জন্য নষ্ট করার জন্য আমি অত্যন্ত দুঃখিত।

আমার মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের উচিত ছিল না সেভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো কিন্তু কখনও কখনও সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে এটি দুর্ভাগ্যজনকভাবে ঘটে। এই মানবিক ত্রুটির জন্য আমি দল, ম্যানেজমেন্ট, টুর্নামেন্টের কর্মকর্তা এবং সাংগঠনিক কমিটির কাছে ক্ষমা চাইছি। আশা করি, ভবিষ্যতে আর এটিকে পুনরাবৃত্তি করব না। আপনাদের ধন্যবাদ এবং সবাইকে ভালবাসি।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার আবাহনীর বিপক্ষে ম্যাচে একবার নয়, দুবার সাকিব বিতর্কে জড়ান। মোহামেডানের দেওয়া ১৪৬ রানের জবাবে তখন ব্যাটিং করছিল আবাহনী। ৫.৫ ওভারে ৩১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শিরোপা প্রত্যাশিরা। বৃষ্টি আইনে মোহামেডান ১৬ রানে এগিয়ে।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

আবারও বির্তকে জড়ালেন সাকিব!

দীর্ঘ ৫ বছর পর আবাহনীর বিপক্ষে জয় পেল মোহামেডান। ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের যে ঐতিহ্য তা মাথায় আনলে মোহামেডানের জন্য আজকের দিনটি অনেক স্মরণীয়, অনেক আনন্দের।

তবে বিতর্কিত ঘটনায় দিনটা বিষাদময় হয়ে উঠল। ঝিরঝির বৃষ্টি ঝরছিল। ওই বৃষ্টিতে ক্রিকেট মাঠের খেলা বন্ধ করার ঘটনা খুব সামান্য। কিন্তু আম্পায়ার মাহফুজুর রহমান হুট করে বোলার শুভাগত হোমকে থামিয়ে কভার ডাক দিলেন। বোলার অবাক। উইকেট রক্ষক ইরফান শুক্কুর বিস্মিত।

প্রতিবাদী সাকিব দুই হাত তুলে আম্পায়ারের দিকে এগিয়ে এলেন। এরপর ৩ স্টাম্প তুলে দিলেন আছাড়!

সাকিব রেগে গেলেন। কোনো কিছুই তার রাগ থামাতে পারছিল না। হাতে তালি দিতে দিতে বেরিয়ে গেলেন মাঠ থেকে। মুখ থামছিল না। এসব দেখে সাকিবের দিকে তেড়েফুড়ে আসেন আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ।

পরবর্তীতে দুজনকে আলাদা করে শামসুর রহমান ও ডলার মাহমুদ। এর আগের নিজের ওভারে মুশফিকের এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া না দেওয়ায় স্টাম্পে লাথি মেরে আম্পায়ারের দিকে তেড়ে যান। অশালীন ভঙ্গিতে দূর থেকেই তর্কে জড়ান।

মিরপুর শের-ই-বাংলায় আবাহনী মোহামেডানের ম্যাচে ঘটে গেল এমন অনাকাঙ্খিত, বিশৃঙ্খল ঘটনা। শেষমেশ ম্যাচ জিতে যায় মোহামেডান। ৮৩ মিনিট পর খেলা শুরু হলে ৯ ওভারে মোহামেডানের লক্ষ্য ৭৬। ৩১ রানের পরাজয় নিয়ে লিগের দ্বিতীয় হারের তিক্ত স্বাদ পায় আবাহনী। টানা তিন হারের পর জয়ে ফেরে সাকিবের মোহামেডান।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

বাংলাদেশ সফরে আসবে অস্ট্রেলিয়া

দলের বেশিরভাগ শীর্ষ ক্রিকেটারদের ছাড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের সিরিজ শেষে বাংলাদেশ সফরে আসবে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল।

তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে শুরু হতে পারে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

দীর্ঘদিন কোয়ারেন্টাইনে থাকার কারণে বাংলাদেশ সফরে বিশ্রামে থাকতে পারেন দলটির তারকা ক্রিকেটাররা। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) প্রধান নির্বাচক ট্রেভর হনসের বক্তব্যেও মিলেছে এমনই ইঙ্গিত।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

এবার গর্ভনিরোধক ওষুধের প্রচারে নুসরাত

0

বর্তমান সময়ের খবরের শিরোনাম যার দখলে সে হচ্ছেন জনপ্রিয় নায়িকা নুসরাত। আলোচনা- সমালোচনা নিয়েই তার ক্যারিয়ার।সব সময়ই বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনার মধ্যমনি হয়ে থাকেন তিনি।

আবারও নতুন এক খবরের শিরোনাম হলেন এই অভিনেত্রী। নতুন খবর হচ্ছে, নিজে অন্তঃসত্ত্বা হয়েও গর্ভনিরোধক ওষুধের প্রচারে নেমেছেন নুসরাত জাহান।

এ নিয়ে নতুন করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। যে বিজ্ঞাপনের শিরোনাম, ‘হার না মানা’। সেই সমস্ত নারীদের গল্প এখানে উঠে এসেছে, যাঁরা সমাজের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন নিজেদের স্বার্থে।

বুধবার (৯ জুন) এই সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নুসরাত জাহান কারো নাম না করে নিখিলের বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন।

এদিকে নুসরাত নিজেও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ধনী’ বলেই একজন একা নারীকে যেমন খুশি বলা যায়, তাঁকে ছোট করা যায়, এ রকম অধিকার কেউ দেয়নি কাউকে।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

ললনায় মজেছেন ১ কোটি মানুষ

0

ফেসবুক ও ইউটিউবে বেশ জনপ্রিয় তরুণ গায়ক শেখ শাদী। তার র্স্মাট লুক, হাসি, কন্ঠ সবকিছুই প্রভাবিত করেছে বর্তমান প্রজন্মকে। বিশেষ করে তাকে ললনাদের ক্রাশ বলে পরিচিত পেয়েছে।

তবে ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর প্রথমবারের মতো অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল তার একটি কাজ।

‘ললনা’ নামের এ গানটিতে কণ্ঠ, কথা ও সুরের কাজ করেছেন শেখ সাদী। এর সংগীতায়োজন করেছেন শাহরিয়ার রাফাত। ভিডিওটিতে শাদীর সঙ্গে ‘ললনা’ রূপে ছিলেন মারিয়া ননী।

এই গানটি প্রকাশের পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ভাইরাল হয়ে যায়। ইউটিউবে যার বর্তমান ভিউ ১ কোটির ও উপরে।

এরপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই ললনাদের ক্রাশকে। সম্প্রতি বড় র্পদায় পা রাখতে চলছেন এই তরুন শিল্পী।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

গাঁজার কেক বিক্রি করতেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী

৩০ পিস গাঁজার কেকসহ তিন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের রমনা জোনাল টিম।

দেখতে একেবারে ব্রাউনি কেকের মতো। স্বাদও প্রায় এক! খালি চোখে দেখে বোঝার উপায় নেই ওটার ভেতর আসলে কী আছে! সামান্য চেখে দেখলে মনে হবে এ তো কেকই।

তবে পুরো স্বাদ পেতে হলে খেতে হবে আস্ত এক পিস! তারপর টের পাওয়া যাবে একটা কিছু।কারণ এই কেকের একটি অন্যতম উপকরণ হচ্ছে গাঁজা।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১