Sunday, April 5, 2026
Home Blog Page 49

আতিক্ক্যা সারপ্রাইজ

ঠিক রাত 11.59 মিনিটেই চট্টগ্রাম শহরে আপনার প্রিয়জনের কাছে আপনার উপহার পৌঁছে দিবো।
আপনার প্রিয়জনের জন্মদিন, এ্যানিভার্সারি কিংবা বিশেষ কোন দিনে উইশ করতে চাচ্ছেন অথচ আপনি দূরে আছেন, প্রিয় মানুষটির সাথে সরাসরি দেখা করে সারপ্রাইজ দিতে পারছেন না?

ভাবছেন কিভাবে প্রিয় মানুষটিকে সারপ্রাইজ করা যায়? তাকে চমকে দেয়া যায়! আর কোনো চিন্তা নয়, “আতিক্ক্যা সারপ্রাইজ” সবসময় আছে আপনার পাশে।

একটু ভাবুনতো , যখন আমরা আপনার প্রিয় মানুষটির কাছে গিয়ে আপনার পক্ষ থেকে সারপ্রাইজ দিয়ে আসবো ঠিক রাত ১১.৫৯ মিনিটে। তখন সেই মানুষটি কতোটা আনন্দিত হবে, কতোটা সারপ্রাইজড হবে!

তো আর দেরি না করে আপনার পছন্দের সব আইটেম অর্ডার করুন ” আতিক্ক্যা সারপ্রাইজ” এর কাছে। আতিক্ক্যা সারপ্রাইজ সেসব উপহার গুলো যত্নসহকারে পৌঁছে দিয়ে আসবে আপনার ভালোবাসার মানুষটির কাছে।

আপনার প্রিয়জন সারপ্রাইজড হবে এমন কিছু প্রোডাক্টের নাম বলে দিবেন, আমরা সেগুলো অ্যারেঞ্জ করবো, অথবা আমাদের পেজের কিছু প্যাকেজ আছে, সেখান থেকেও আপনি সিলেক্ট করতে পারবেন৷ অর্ডার কনফার্ম এর জন্য বিকাশে পেমেন্ট করে কনফার্ম করতে হবে৷

  • আমাদের কাছে উপহার সামগ্রী যা যা পাচ্ছেন:
    *কেক (হোম মেইড)
    *বেলুন
  • ঘড়ি
  • পেন্সিল স্কেচ/ কালার পেইন্ট
  • ফ্লাওয়ার বুকেট
  • চিঠি/কার্ড
    *চকোলেটস
  • ওয়ালেট
  • মোবাইল ফোন
  • হেডফোন
    *বই সামগ্রী
  • ফটো ফ্রেম
  • কাস্টোমাইজড মগ
  • শাড়ী (হ্যান্ড পেইন্ট)
    *পাঞ্জাবী(হ্যান্ড পেইন্ট)
    *গহনা

ইত্যাদি ইত্যাদি।

এছাড়াও আরো অনেক কিছু আছে। তাছাড়া আমাদের আরও কিছু প্যাকেজ আছে। আপনি চাইলে আপনার ইচ্ছেমত আমাদের প্যাকেজ কাস্টোমাইজ করতে পারবেন কিংবা আপনার ইচ্ছে মতো যেকোনো প্রোডাক্ট অ্যাড করতে পারবেন৷

আপনার প্রিয়জনের জন্য আপনার পছন্দের জিনিসগুলো অর্ডার করতে ও বিস্তারিত জানতে ইনবক্স অথবা ফোন করুন এই নাম্বারে : 01798445200 অথবা 01874313139

তৃতীয় দফায় আরও এক দিনের রিমান্ডে পরীমনি

0

বনানী থানায় দায়ের করা মাদক মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনিকে তৃতীয় দফায়েআবারও এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) রিমান্ডের আদেশ দেন।

এর আগে ১৬ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা আসামি পরীমনির ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

সকাল সাড়ে ৮টার কিছু আগে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তাকে হাজির করা হয় পরীমনিকে। তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। রিমান্ড শুনানির আগে তাকে এসজলাসে তোলা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করেন। পরীমনির পক্ষে অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

এবার বিয়ের পিড়িঁতে ক‌্যাটরিনা-ভিকি!

0

বলিউডের অন্যতম আলোচিত জুটি ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। চুটিয়ে প্রেম করছে এ যুগল আর তা নিয়েই মুখর বলিপাড়া। সম্প্রতি এই যুগলের বিয়ের খবর নিয়ে উত্তাল নেটজগৎ।

শুধু তাই নয় ক্যাটরিনার বিয়ে সালমান খান কীভাবে ‘চান্না মেরেয়া’ গাইবেন তা নিয়ে চলছে দারুণ ট্রল।

রোকার পর অনুষ্ঠিত হবে বাগদান। তার পরেই সাত পাকে বাঁধা পড়বেন ভিকি-ক‌্যাটরিনা। কিন্তু নেটমাধ‌্যমে ঘুরে বেড়ানো এসব তথ‌্য কি সঠিক?

বিষয়টি নিয়ে ক‌্যাটরিনা মুখ না খুললেও বক্তব‌্য দিয়েছে ক্যাটরিনার টিম। তারা জানিয়েছে, ক্যাট-ভিকির বিয়ে হচ্ছে না। আর পুরো বিষয়টি মিথ্যা।

সম্প্রতি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানি অভিনীত ‘শেরশাহ’ সিনেমার একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেন নির্মাতারা। এতে হাজির হয়েছিলেন ভিকি ও ক্যাটরিনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। এ নিয়েও আলোচনায় উঠে আসেন ক‌্যাটরিনা।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ভিকি বলেন, ‘আশা করছি বিষয়টিকে আপনারা সম্মান করবেন। আমার ব্যক্তিগত বিষয় গোপন রাখতে চাই। কারণ যদি খোলাসা করি অনেক আলোচনা ও ভুল বোঝাবুঝি শুরু হবে। এটি চাইছি না।’

স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিলেন আফগান রানি সোরাইয়া

জন্ম হয়েছিল নির্বাসনে। নির্বাসনেই মৃত্যু। ৭০ বসন্তের জীবনে প্রাণভরে শ্বাস নিয়েছিলেন মাত্র ১০ বছর। তার মধ্যেই রুক্ষ আফগান মাটিতে বপন করেছিলেন নারী স্বাধীনতার বীজ। তিনি আর কেউ নন তিনি হচ্ছেন আফগানিস্তানের রানি সোরাইয়া।

১৮৯৯ সালের ২৪ নভেম্বর সিরিয়ার দামাস্কাসে জন্ম সোরাইয়ার। তাঁর বাবা ছিলেন আফগান সাংবাদিকতার জনক সর্দার মাহমুদ বেগ তর্জি। তৎকালীন আমির আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে লেখালেখির জন্য মাহমুদ যখন সিরিয়ায় নির্বাসনে, সেখানেই জন্ম সোরাইয়ার।

১৯০১ সালে আব্দুর রহমানের মৃত্যুর পর মাহমুদকে আফগানিস্তানে স্বাগত জানান তৎকালীন আমির হাবিবুল্লা খান। সরকারে গুরুত্বপূ্র্ণ পদেও অধিষ্ঠিত হন মাহমুদ। সেই ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে পশ্চিমি সংস্কৃতিতে অনুপ্রাণিত হয়ে নয়া আফগানিস্তান গড়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন তিনি। বাবার কাছ থেকেই আধুনিক পশ্চিমি শিক্ষায় হাতেখড়ি সোরাইয়ার।

মূলত সিরিয়ায় পড়াশোনা করেন সোরাইয়া। পশ্চিমি দেশের সংস্কৃতিতেই বেশি স্বচ্ছন্দ ছিলেন তিনি। কৈশোরেই আমির হাবিবুল্লার ছেলে আমানাতুল্লা খানের প্রতি অনুরাগ জন্মায় তাঁর। কিশোরী বয়সেই আমানাতুল্লার সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। ১৯১৯ সালে আমানাতুল্লা আফগানিস্তানের রাজা হলে সোরাইয়ার মাথায় ওঠে রানির মুকুট।

আমানাতুল্লা এবং সোরাইয়ার মধ্যে বয়সের ফারাক ছিল ৭ বছরের। কিন্তু একে অপরের দোসর হয়ে উঠেছিলেন তাঁরা। প্রশাসনিক কর্মসূচি, শিকার করা, মন্ত্রিসভার বৈঠক, যুদ্ধ, এমনকি বিদ্রোহী অধ্যুষিত এলাকা পরিদর্শন, সবেতেই আমানাতুল্লার পাশে দেখা যেত সোরাইয়াকে। সোরাইয়াকে দেশের শিক্ষামন্ত্রীও নিযুক্ত করেন আমানাতুল্লা। ১৯২৮ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সোরাইয়াকে সাম্মানিক ডিগ্রি প্রদান করে।

বহু ইতিহাসবিদ মনে করেন, সোরাইয়াই প্রথম মুসলিম নারী যিনি প্রকাশ্যে স্বামীর সঙ্গে বেরনোর সাহস দেখিয়েছিলেন। ১৯২৭ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত ইউরোপের নানা দেশে স্বামীর সফরসঙ্গীও হয়েছিলেন সোরাইয়া। টাইম ম্যাগাজিনের প্রভাবশালী নারীদের তালিকাতেও জায়গা পান সোরাইয়া।

১৯২৬ সালে দেশের সপ্তম স্বাধীনতা দিবসে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন সোরাইয়া। তিনি বলেন,‘স্বাধীনতার অধিকার সকলের। শুধু পুরুষদের নিয়ে কি দেশ চলতে পারে? দেশসেবায় নারীদের যোগদানও সমান জরুরি। আমাদের দেশের ইতিহাস তো বটেই, ইসলামেও মহিলাদের অবদানের উল্লেখ রয়েছে। তাই মহিলাদেরও পড়াশোনার সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।’

ইউরোপ সফর থেকে ফিরে আফগানিস্তানের খোলনলচে বদলে দিতে উদ্যোগী হন আমানাতুল্লা এবং সোরাইয়া। মেয়েদের জোর করে বিয়ে দেওয়া, এক পুরুষের একাধিক বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা বসায় আমানাতুল্লা সরকার। মেয়েদের বিয়ের বয়স বাড়িয়ে ১৬ বছর করা হয়। তাঁদের শিক্ষা এবং ভোটদানের অধিকারও দেন আমানাতুল্লা।

১৯২১ সালে কাবুলে প্রথম মেয়েদের জন্য মাসতুরত প্রাথমিক স্কুলের প্রতিষ্ঠা করেন সোরাইয়া। পরবর্তী কালে মেয়েদের জন্য একাধিক স্কুল খোলেন তিনি। ১৯২৮ সালে ওই সমস্ত স্কুল থেকে বাছাই করা ১৫ জন পড়ুয়াকে উচ্চশিক্ষার জন্য তুরস্ক পাঠায় আমানাতুল্লা সরকার।

শোনা যায়, রক্ষণশীলতার বেড়াজাল কাটিয়ে বেরিয়ে আসতে মহিলাদের উৎসাহ দিতেন সোরাইয়া। ইসলামে কোথাও মহিলাদের হিজাব পরার নির্দেশ নেই বলে এক বার এক সমাবেশে মন্তব্য করেন আমানাতুল্লা। সেখানে সকলের সামনেই নিজের হিজাব টেনে ছিঁড়ে ফেলেন সোরাইয়া। তাঁর দেখাদেখি অন্য মন্ত্রীদের স্ত্রীরাও নিজেদের হিজাব ছিঁড়ে ফেলেন।

কিন্তু সোরাইয়ার এই আধুনিক চিন্তাভাবনাকেই তাঁর বিরুদ্ধে হাতিয়ার করেন এক শ্রেণির মানুষ। এমনিতে হিজাব পরার বিরোধিতা করলেও, তেমন খোলামেলা বা সাহসী পোশাক পরতেন না সোরাইয়া। কিন্তু দেশের রক্ষণশীল, গোঁড়া শ্রেণিকে আমানাতুল্লা সরকারের বিরুদ্ধে তাতিয়ে তুলতে, সোরাইয়ার নকল খোলামেলা ছবি বানিয়ে পুস্তিকা হিসেবে বিলি করতে শুরু করেন এক শ্রেণির মানুষ। আমানাতুল্লা এবং সোরাইয়া দেশকে উচ্ছন্নের পথে নিয়ে যাচ্ছেন বলে মানুষকে তাতিয়ে তোলা হয়।

পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে আপসের রাস্তা ধরেন আমানাতুল্লা। একে একে মেয়েদের স্কুলগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ নিয়ে আলোচনাকেন্দ্রগুলিও। কিন্তু এই রক্ষণশীল তুষ্টিকরণের রাজনীতিতেও শেষরক্ষা হয়নি। ১৯২৮ সালে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় আফগানিস্তানে। তার পরের বছরই সিংহাসন ছেড়ে দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হন আমানাতুল্লা।

ইতিহাসবিদদের দাবি, ব্রিটিশ মদতেই আমানাতুল্লা সরকারের পতন ঘটে। সোরাইয়া সম্পর্কে ভুয়ো খবর ছেপে তারাই পুস্তিকা পৌঁছে দেয় বিরোধী শিবিরের হাতে। ইতিহাসবিদ হাবিবুল্লা রফি বলেন, আফগানিস্তানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয় ব্রিটিশ সরকার। সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে সোরাইয়ার ছবি বিকৃত করে ছড়িয়ে দেয় তারা। ব্রিটিশ বিরোধী আমানাতুল্লাকে শায়েস্তা করাই তাদের লক্ষ্য ছিল।

সাবেক সোভিয়েতের সঙ্গে জোট বেঁধে আমানাতুল্লা ভারত থেকে ব্রিটিশদের উৎখাত করছেন কি না, তা মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির। আমানাতুল্লার উত্তরাধিকার নাদির শাহ ব্রিটিশদের পছন্দের লোক ছিলেন বলেও শোনা যায়।

পরিস্থিতির সঙ্গে পেরে না উঠে সেই সময় ইটালিতে নির্বাসনে চলে যান আমানাতুল্লা এবং সোরাইয়া। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত রোমে ছিলেন তাঁরা। ১৯৬০ সালের এপ্রিল মাসে সেখানেই মৃত্যু হয় আমানাতুল্লার। তার আট বছর পর ১৯৬৮ সালে সোরাইয়াও মারা যান। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সেখানে তাঁদের শেষকৃত্য হয়।

তথ্যসূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা।

মুরাদনগরের ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজন গ্রেপ্তার

0

এস কে মোঃ আশিক, মুরাদনগর থেকে-

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পাশের তিতাস থানার তালিকাভূক্ত অস্ত্র,ডাকাতি ও অপহরণসহ ১৮টি মামলার আসামী মেহেদী মামুন ওরফে ডাকাত মামুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ সময় তার সাথে থাকা ৫ মামলার আসামী রকিবুল ওরফে বুলেট ও সহযোগি রিপন হোসেনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের সুবিলারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জেলার তিতাস উপজেলার বড় মাছিমপুর গ্রামের মেহেদী মামুন ওরফে ডাকাত মামুন, রিপন হোসেন ও নারান্দিয়া গ্রামের রকিবুল ওরফে বুলেট।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন রাস্তা অবরোধ করে উপজেলার জাহাপুর,ছালিয়াকান্দি ইউনিয়ন এলাকায় ডাকাতি করে আসছিল।

মঙ্গলবার রাতে সুবিলারচর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি চলছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুরাদনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোসাদ্দেক হোসেনের নেতৃত্বে এসআই মোর্শেদ আলম, হামিদুল ইসলামসহ একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩টি রামদা ও ৩টি ছোড়াসহ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাদেকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্ন জেলা থেকে চিহ্নত ডাকাত দলের সদস্যদের নিয়ে এ এলাকায় ডাকাতি করে আসছিল। অবশেষে তারা পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

করোনা মোকাবেলায় এমপির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

0

এস কে মোঃ আশিক, মুরাদনগর থেকে-

কোভিড-১৯ করোনা মহামারীর ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তান্ডবে কুমিল্লার উপজেলা মুরাদনগরে ও বাঙ্গরা বাজার থানার পরিস্থিতি যখন অবনতির দিকে ঠিক তখনি তা মোকাবেলায় দ্রুত সময়ের মধ্যে বেশ কিছু ব্যতিক্রমী ও জনবান্ধব উদ্যোগ গ্রহন করে প্রশংসায় ভাসছে কুমিল্লা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন (এফসিএ)।

উপজেলার সর্বস্তরের জনগনের সেবায় যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে তার মধ্যে
অন্যতম করোনায় আক্রান্তদের পরিবারের জন্য খাদ্য সামগ্রী,তাদের চিকিৎসায় অক্সিজেন, ফ্রী এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, ঔষধ প্রদান এবং করোনায় মৃতদের দাফন করা। আর এসব সেবা প্রদানে কনট্রোলরুম খোলা হয়েছে উপজেলা সদরের আল্লাহু চত্বরের পাশে সেখানে রয়েছে দু’টি হট লাইন নাম্বার: ০১৭৫২১৯০৬৫২, ০১৭৪৩০২৭৫৬৯ ফোন করলেই বাড়ীতে পৌছে যায় চাহিদা মত সেবা।

এর বাইরে লকডাউন চলাকালিন সময় উপজেলার সকল এতিমখানা ও মাদ্রাসা সহ নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে দেয়া হয়েছে খাদ্য সামগ্রী। জানা যায়, মুরাদনগরে করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমন শুরুর পর এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিজস্ব অর্থায়নে ১.৩৬-২৪টি, ৭.৫-১৫টি, ৯.৮-৬টিসহ মোট ৪৫টি অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করেন।

নতুন করে চালু করেন ২০ বেডের একটি করোনা ইউনিট। করোনায় আক্রান্ত ও অসহায়দেয় দ্রুত সেবা দেয়ার লক্ষে মুরাদনগর উপজেলা ও বাঙ্গরা বাজার থানা যুবলীগ, কৃষকলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু সদস্যদের নিয়ে ৩টি টিম গঠন করে আলাদা আলাদা কার্যক্রম শুরু করেন।
যার মধ্যে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ রুহুল আমিন ও বাঙ্গরা বাজার থানা যুবলীগের বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে নেতা কর্মীদের মাধ্যমে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতদের দাফন করা, জরুরী প্রয়োজনে বাড়িতে গিয়ে অক্সিজেন সরবরাহ করা এবং রোগীদের হাসপাতালে নেয়ার জন্য দু’টি ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস পরিচালনা করছেন।

পাশাপাশি স্থানীয় নেতাকর্মীদের দিয়ে বিনা খরচে সাধারণ মানুষের করোনা টিকার নিবন্ধনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।অপরদিকে কৃষকলীগের আহবায়ক আবু মুসা আল কবির ও যুগ্ম আহবায়ক মো: হাসানের নেতৃত্বে একটি টিম মুরাদনগর ও বাঙ্গরায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেয়াসহ বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে বিনামূল্যে খাদ্য সামগ্রী, ঔষধ ও ফলমূল পৌছে দিচ্ছেন।

এছাড়াও ছাত্রলীগের সভাপতি সফিকুল ইসলাম তুহিন ও আবুল কাশেমের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা পরীক্ষার ইউনিটে ফরমপূরণ ও স্বাস্থ্য
বিধি মানতে সহযোগীতা করছেন। পাশাপাশি টিকা কেন্দ্রে সাধারন মানুষের স্বাস্থ্য বিধি বজায় রাখা সহ তাদের সুশৃংখলভাবে টিকা গ্রহনে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে.করোনা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে সাংসদ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন প্রতিদিন নিজে ফোন করে সকল নেতাকর্মীসহ কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে নিবিড় পর্যবেক্ষন করছেন।

প্রতিদিন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতায় বিতরণ করা হচ্ছে মাস্ক ও স্যানিটাইজার। এর আগেও ২০২১সালে প্রথম করোনা সংক্রমন শুরুর পরে করোনা প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে।

তখন মুরাদনগরের সংসদ সদস্য তার ব্যাক্তিগত অর্থায়নে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে কর্মহীন দরিদ্র ও অসহায়দের মাঝে প্রায় ২কোটি টাকার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এমপি ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন।

করোনা রোগীদের অক্সিজেন সংকটের কথা বিবেচনা করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দশ বেডের একটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন স্থাপন করেন। করোনা রোগীদের হাসপাতালে যাতায়াতের সুবিধার্থে দুইটি ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স চালু করেন। প্রথম ধাপের করোনা পরবর্তী সময়ে উপজেলার মাদ্রাসা ও এতিমখানা গুলোয় যখন খাদ্য সংকট দেখা দেয় তখন এমপির নিজস্ব তহবিল থেকে কৃষকলীগের আহবায়ক আবু মুসা আল কবির ও যুগ্ম আহবায়ক মো: হাসানের মাধ্যমে শতাধিক মাদ্রাসা ও এতিমখানায় দুইধাপে প্রায় ৯০লক্ষ টাকার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

করোনা মহামারীর মধ্যে সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত অর্থায়নে এমন উদ্যোগের প্রশংসা করছেন উপজেলার সুশীল সমাজ ও সুবিধাভোগীরা। এ ব্যাপারে সাংসদ ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন (এফসিএ) বলেন করোনা মহামারী থেকে শুরু করে সকল দুর্যোগে উপজেলার জনসাধারনের সেবায় আমাদের এই টিম গুলো কাজ করে যাচ্ছে।

আগামী দিন গুলোতে ও উপজেলাবাসীর সকল প্রকার সেবা নিশ্চিত করতে আমার সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসছে সারাদেশ

0

রেলকে আধুনিক, যুগোপযোগী ও উন্নত গণপরিবহন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার। আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর ২০০৯ সাল হতে চলতি বছর পর্যন্ত ৮৯টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৭৯টি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে।

২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) ৩৮টি প্রকল্পের মধ্যে ৩৫টি বিনিয়োগ প্রকল্প এবং ৩টি কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের বিপরীতে ১২ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা (জিওবি:৩ হাজার ৪২৪ কোটি ৩২ লাখ ও পিএ:৮ হাজার ৮১৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা) ব্যয় ধরা হয়েছে।

বর্তমানে ৪৩টি জেলা রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় যুক্ত হয়েছে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে মুন্সিগঞ্জ, মাদারিপুর, শরিয়তপুর, মেহেরপুর, মাগুরা, সাতক্ষীরা, বরিশাল, বান্দরবান, কক্সবাজার, নড়াউল, মানিকগঞ্জ, পিরোজপুর, বাগেরহাটসহ ১৬টি জেলাকে রেলওয়ের নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

দেশের কোন জেলা রেলওয়ের নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবে না। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল জেলা এই নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে।

অবশেষে নুসরাতকে নিয়ে মুখ খুললেন যশ

0

সম্প্রতি মা হচ্ছেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। কিন্তু নুসরাতের স্বামী নিখিল জৈনের দাবী এ সন্তানের বাবা সে নয়। আর এ নিয়েই টলিপাড়ায় চলছে হইচই।

এদিকে কয়েক মাস আগে নুসরাত জানান, নিখিলের সঙ্গে লিভ-ইন করেছেন, তাদের রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়নি।

অন্যদিকে অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে নুসরাতের প্রেম টলিউডের ওপেন সিক্রেট। নেটিজেনদের ধারণা, নুসরাতের সন্তানের বাবা যশ দাশগুপ্ত। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে এখনো মুখ খুলেননি নুসরাত-যশ।

অবশেষে অন্তঃসত্ত্বা নুসরাতকে নিয়ে মুখ খুললেন এই অভিনেতা।

ভারতীয় একটি সংবাদমাধ‌্যমে যশ বলেন, ‘আমার মনে হয় একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর ভালো সময় কাটানোর সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে। মানুষের মধ্যে একটু বিবেচনাবোধ থাকা উচিত। আমি জানি পাবলিক ফিগারদের ব্যক্তিগত জীবন থাকে না। কিন্তু মানুষের এটা মনে রাখা উচিত আমাদেরও একটা পরিবার আছে। একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর ভালো সময় কাটানোর মধ্যে কোনোরকম ভুল নেই।’

ব‌্যক্তিগত নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত যশ। তা জানিয়ে এই অভিনেতা বলেন, ‘ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমি খুব খুশি। দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছি, তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই।’

মাদক সম্রাট কিবরিয়ার সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবীতে মুরাদনগরে মানববন্ধন

0

এস কে মোঃ আশিক মিয়াঃ মুরাদনগর প্রতিনিধি

কুমিল্লা মুরাদনগরে একাধিক মামলার আসামী মাদক সম্রাট গোলাম কিবরিয়াকে গাজাসহ গ্রেফতার করায় মুরাদনগর থানা পুলিশকে অভিনন্দনের পাশাপাশি তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

সোমাবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা আল্লাহু চত্বরে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।

মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস খন্দকারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য ভিপি জাকির হোসেন, সাংবাদিক বেলাল উদ্দিন আহাম্মদ, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রুহুল আমিন, সদস্য আরিফুল ইসলাম শাহেদ, কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী লীগের সদস্য রাজিব মুন্সি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক সোহরাব হোসেন বেলাল, কুমিল্লা উত্তর জেলা কৃষকলীগের সদস্য আশ্রাফুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম তুহিন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের পৈয়াপাথর গ্রামের মৃত জীবন মিয়ার ছেলে গোলাম কিবরিয়া একজন মাদক সম্রাট। মাদকের আড়তদার হিসেবে এলাকায় তার বেশ পরিচিতি। তার কারনে এলাকার যুব সমাজ আজ ধ্বংসের পথে। অনেক তরুণ ছেলেদের টাকার লোভ দেখিয়ে মাদক ব্যবসায়ী বানিয়েছে সে। মাদক সম্রাট গোলাম কিবরিয়ার কঠিন শাস্তির দাবি সহ তার অনুসারী ও এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।

পাশাপাশি যে সকল বড় বড় রাঘব বোয়াল গুলো পর্দার আড়ালে থেকে তাকে পরিচালনা করতো তাদের চিহ্নিত করে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। মানববন্ধন শেষে মাদক সম্রাট গোলাম কিবরিয়াকে গ্রেফতারের খুশিতে স্থানীয়দের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে ১০ কেজি গাঁজাসহ গোলাম কিবরিয়া ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ।

শিকল পরিয়ে টেনে নেওয়া সেই বারদারই আফগানিস্তানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট?

এগারো বছর আগে হাতে হাতকড়া পরিয়ে শিকল দিয়ে টেনে নেওয়া হচ্ছিল যাঁকে, সেই আব্দুল গনি বারদারই এখন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। ২০১০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রয়টার্সের তোলা ওই ছবিটি বিশ্বব্যাপী এখন ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের করাচিতে এক লোককে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। হাতে শিকল, কোমরে ডান্ডাবেড়ি।

রয়টার্সের ক্রেডিট দিয়ে প্রকাশিত ওই ছবির ক্যাপশনে ভয়েস অব আমেরিকা জানায়, পাকিস্তানি পুলিশ তাকে বাজাউর অঞ্চলের কমান্ডার আবদুল্লাহ হিসেবে গ্রেফতার করে। পরে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা নিশ্চিত হন তিনি আসলে আফগান তালেবানের শীর্ষ কমান্ডার মোল্লা আব্দুল গনি বারদার।