Sunday, April 5, 2026
Home Blog Page 50

পরীমণিকে গাড়ি উপহার ও সর্ম্পকের কথা অস্বীকার করলেন সিটি ব্যাংকের এমডি

0

সম্প্রতি মাদক ও পর্নোগ্রাফির মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ঢাকাই চলচিত্রের অন্যতম আলোচিত- সমালোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। গ্রেপ্তারের পর থেওক বের হয়ে আসছে অনেক গোপন তথ্য। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া খবরটি হচ্ছে, সিটি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন চিত্রনায়িকা পরীমণিকে একটি গাড়ি উপহার দিয়েছেন। তবে এ সংবাদটি সর্ম্পূন ভূয়া বলে দাবি করছেন সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন। এমনকি তার দাবি যে পরীমনির সাথে তার কখনো দেখা হয়নি।

এ বিষয়ে গত রবিবার রাতে ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন মাসরুর আরেফিন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, আমি আমেরিকায় বিএসইসি আয়োজিত বিনিয়োগ রোড শোতে অংশ নিয়ে এখন ঢাকার পথে।

এর মধ্যেই শিকার হলাম আমার জীবনের প্রবলতম মিথ্যাচারের। একটি পত্রিকা লিখে দিল, একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিনের সঙ্গে পরীমণির অডিও রেকর্ডে একটি গাড়ি উপহার দেওয়ার কথা রয়েছে। একই সঙ্গে ওই ব্যাংকের চেয়ারম্যান শওকত রুবেলের সঙ্গে পরীমণির গভীর সখ্যের বিষয়টি কথোপকথনে উঠে এসেছে।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘আমার বলার কোনো ভাষা নেই, কোনো কিছু বলারই কোনো ভাষা নেই। আমি আমার বাপের জীবনে, এই মর্ত্যের পৃথিবীতে, এই ধরাধামে পরীমণি নামের কাউকে দেখিনি। অতএব তার নম্বর আমার কাছে থাকার প্রশ্নই আসে না। এমনকি “বোট ক্লাব” ঘটনার আগ পর্যন্ত পরীমণি নামটিও শুনিনি। মানুষকে জিজ্ঞাসা করতে হয়েছিল যে কে এই পরীমণি?

আমার কাজ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যাংকিং আর তারপর সাহিত্য নিয়ে পড়ে থাকা। প্রতিদিন। একই। ঢাকার হাই সোসাইটির একজনও বলতে পারবেন না তারা কেউ আমাকে কোনো দিন কোনো ক্লাব বা পার্টিতে দেখেছেন (এখানে আমি ক্লাব বা পার্টিতে যাওয়ার নিন্দা করছি না, সেটা যারা যাওয়ার তারা যেতেই পারেন; আমি শুধু বোঝাচ্ছি যে মানুষ হিসেবে আমার টাইপটা কী?)।

এতটাই ঘর ও অফিস/অফিস ও ঘরমুখী এক মানুষ আমি। অতএব বলছি, তাকে গাড়ি দেওয়ার কথাটা আমার কানে লাগছে মঙ্গল গ্রহের ভাষায় বলা কোনো কথার মতো। আমার নিজের একটিও গাড়ি নেই। একটা সামান্য মারুতি বা ধরেন একটা টয়োটা করলা গাড়িও না। ব্যাংক আমাকে চলার জন্য গাড়ি বরাদ্দ দিয়েছে, তাতেই চড়ি।

ব্যাংকের চাকরির শেষে নিশ্চয়ই কোনো ব্যাংক থেকে কার লোন নিয়ে একটা গাড়ি কিনে তাতে চড়ব। কোনো অভিযোগের মধ্যে মিনিমাম এক সুতো সত্য থাকতে হয়। কিন্তু এ এক ভয়ংকর বিষয় যে আমি যাকে চিনি না, জীবনে যার বা যাদের সঙ্গে হ্যালো বলা দূরে থাক, যাদের নামটা পর্যন্ত আমি প্রথম জানলাম এই কদিন আগে (পিয়াসা নামটা মাত্র দু’দিন আগে), সেই নায়িকা বা মডেলকে আমি গাড়ি দিয়ে ফেললাম?’

মাসরুর আরেফিন লিখেছেন, ‘কোথায় যোগাযোগ হলো আমাদের? ফোন কল? তার নাম্বার কী? কল রেকর্ড আনা হোক। তাহলে ঘটনা কী? আমি সত্যি জানি না, ঘটনা কী। বুঝি যে, আমাকে নিয়ে (অর্থাৎ এক অর্থে সিটি ব্যাংক নিয়ে) একটা সস্তা ষড়যন্ত্র চলছে। ওই পত্রিকার খবরে ওরা দেখেন সিটি ব্যাংক চেয়ারম্যানের নামটা পর্যন্ত লিখতে পারেনি, লিখেছে ‘ওই ব্যাংকের চেয়ারম্যান শওকত রুবেলের সঙ্গে পরীমণির গভীর সখ্যের বিষয়টি…।’

শওকত রুবেল নামের মানুষটা কে? এই নামে তো কেউ নেই। সাংবাদিক ভাইয়েরা কী লিখেছেন আপনারা এসব? মানুষ ও তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন আপনাদের কাছে এতই ফেলনা যে, নামটাও ঠিক জেনে লিখবেন না? আমার ব্যাংকের চেয়াম্যানের নাম আলাদা। সেটা শওকত রুবেল না।

আমার অনুমান এই যে, ব্যবসায়ী শওকত আজিজ রাসেল আমাদের ব্যাংক চেয়ারম্যানের ছোট ভাই। একটা গোষ্ঠী তার হয়তো ক্ষতি চায় এবং তারা তাদের সেই চাওয়ার সঙ্গে তাকে সিটি ব্যাংক চেয়ারম্যান ভেবে নিয়ে ব্যাংক প্রধান হিসেবে আমাকেও নিষ্ঠুর ও বাছবিচারহীন এক সামাজিক নর্দমার মধ্যে ঠেলে দিতে এক মুহূর্ত দ্বিধা করলেন না।’

ওই পোস্টে তিনি আরও বলেছেন, ‘এবার লেখকসত্তার জায়গা থেকে একটা কথা বলি। আইনি বিষয় ও সামাজিক বোঝাপড়ার বিষয়গুলো বেশ তো গুলিয়ে যাচ্ছে! আমার কাউকে কোনো গাড়ি দেওয়ার সামর্থ্য নেই। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, আমার কাউকে ধরুন ভালো লাগল (যার সম্ভাবনা বাস্তবে কম, কারণ আমার দুই মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে এক সুন্দর সংসার আছে), তখন তাকে যদি আমি আমার সামর্থ্যের মধ্যে দুই বক্স চকলেটও কিনে দিই, সেটা নিয়ে আইন ছাপিয়ে, সংবিধানের মৌলিক অধিকার ছাপিয়ে ‘সমাজের বিচার’ নামের যে-এক ড্রাগন আছে, সে এই সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে হাউ হাউ করে উঠবে। ব্যক্তি স্বাধীনতার সঙ্গে নৈতিকতার প্রশ্নকে টেনে টেনে এনে আইনের আরও ঊর্ধ্বেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দৈনন্দিনের বাছবিচারগুলোকে।

এ রকম সমাজে অনেকের লাভ, কারণ আমরা সাধারণ মানুষেরা তখন ইতিহাসের ল্যাবরেটরিতে কাউ কাউ করে বেড়ানো ইঁদুর হয়ে থেকে যাই। আমাদের সেই ইঁদুর হওয়ার বিরুদ্ধে লড়তে হবে। ব্যক্তিস্বাধীনতা প্রতি মুহূর্তের একটা ‘অনগোয়িং ওয়ার্ক’। এই রাষ্ট্র আমাদের স্বাধীনতাগুলো, স্বাধীনতার যে কাজটুকু অন্যের জন্য ক্ষতিকর না এভাবে কেড়ে না নিক।

বাস্তবেই অনেক ক্ষতিকর কিছু ঘটছে অনেক দিকে, অনেক অবিচার ও আর্তনাদের ময়লা উড়ছে অনেক অনেক কোনায়। সেদিকে চোখ থাকুক আমাদের। শেষ কথা একটাই, আমি আমার মানব জীবনে এই নায়িকা বা মডেলদের দেখিনি। তাদের সঙ্গে না-দেখা জগতের ফোনের যে হ্যালো, সেটাও কোনো দিন বলিনি। তারা কারা তাও আমি জানতাম না ‘বোট ক্লাব’ কাণ্ডের আগে। সবচাইতে বড় কথা তাদের নামটাও আমি শুনিনি।

এখন তাহলে এক ব্যক্তির ওপরে, এক সাধারণ মানুষের ওপরে, এক লেখক ও কবির ওপরে, এক ‘কেউ না এমন এক মানুষের ওপরে’ অবিচারের মাত্রাটা বুঝুন। বাকি বিচার এই সমাজের, সমাজই যেহেতু আছে বিচারকের ভূমিকায়।’

নড়াইলে বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী

বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী । ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইলের মাছিমদিয়ায় বাবা মেছের আলী ও মা মাজু বিবির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন এসএম সুলতান।

দারিদ্রতার মাঝে বেড়ে ওঠা ‘লাল মিয়া’ তথা এস এম সুলতান ১৯২৮ সালে নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি হন। স্কুলের অবসরে রাজমিস্ত্রি বাবাকে কাজে সহযোগিতা করতেন এবং মাঝে মাঝে ছবি আঁকতেন শিশু সুলতান।

১৯৩৩ সালে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রাবস্থায় জমিদার শ্যামাপ্রাসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি এঁকে তাক লাগিয়ে দেন। মুগ্ধ হন শ্যামাপ্রাসাদসহ নড়াইলের তৎকালীন জমিদাররা। পড়ালেখা ছেড়ে ১৯৩৮ সালে চলে যান ভারতের কলকাতায়।

চিত্রসমালোচক শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে তার (সুলতান) পরিচয় হয়। অ্যাকাডেমিক যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও সোহরাওয়ার্দীর সুপারিশে ১৯৪১ সালে ভর্তি হন কলকাতা আর্ট স্কুলে।

১৯৪৩ মতান্তরে ১৯৪৪ সালে কলকাতা আর্ট স্কুল ত্যাগ করে ঘুরে বেড়ান এখানে-সেখানে। কিছুদিন কাশ্মীরের পাহাড়ে উপজাতিদের সাথে বসবাস এবং তাদের জীবন-জীবিকা ভিত্তিক ছবি আঁকেন সুলতান।

১৯৪৫ মতান্তরে ১৯৪৬ সালে ভারতের সিমলায় প্রথম একক চিত্রপ্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের লাহোরেও চিত্রপ্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। চিত্রপ্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন ফাতিমা জিন্নাহ।

১৯৫০ সালে চিত্রশিল্পীদের আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে পাকিস্তান সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আমেরিকা যান সুলতান। এরপর ইউরোপে বেশ কয়েকটি একক ও যৌথপ্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

এ সময় বিখ্যাত চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসো, সালভেদর দালি, পল ক্লীসহ খ্যাতিমান চিত্রশিল্পীদের ছবির পাশে এসএম সুলতানের ছবি স্থান পায়। ১৯৫৩ সালে নড়াইলে ফিরে আসেন সুলতান। শিশু-কিশোরদের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি চারুকলা শিক্ষার ব্যবস্থা করেন।

১৯৬৯ সালের ১০ জুলাই ‘দি ইনস্টিটিউট অব ফাইন আর্ট’ প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্বোধন করেন যশোরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইনাম আহম্মদ চৌধুরী। ১৯৮৭ সালে স্থাপিত হয় ‘শিশুস্বর্গ’। অবশ্য অনেক আগেই স্বপ্নের শিশুস্বর্গ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন এসএম সুলতান। চিত্রাঙ্কনের পাশাপাশি বাঁশি এবং সুরযন্ত্র বাজাতেও পটু ছিলেন তিনি।

সুলতান বিষধর সাপ, ভল্লুক, বানর, খরগোশ, মদনটাক, ময়না, গিনিপিক, মুনিয়া, ষাঁড়সহ বিভিন্ন পশু-পাখি পুষতেন। সুলতান হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি পছন্দ করতেন না। চিত্রশিল্পের মূল্যায়ন হিসেবে এস এম সুলতান ১৯৮২ সালে ‘একুশে পদক’, ১৯৮৪ সালে ‘রেসিডেন্ট আর্টিস্ট’ ১৯৮৬ সালে ‘বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা’ এবং ১৯৯৩ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ পেয়েছেন।

এছাড়াও ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ পুরস্কার লাভ করেন।

অসুস্থ অবস্থায় ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পর নড়াইলে প্রিয়জন্মভূমিতে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এসএম সুলতানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংগ্রহশালা চত্বরে ১০ আগস্ট সকালে কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিল এবং শিল্পীর সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হবে। এবার করোনা সংকটের কারণে সংক্ষিপ্ত পরিসরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

এবার পরীমনির জন্য গাইলেন হিরো আলম

সম্প্রতি একের পর এক গান গেয়ে খবরের শিরোনাম দখল করে রেখেন এ সময়ের আলোচিত-সমালোচিত অভিনেতা আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। সামালোচনার স্বীকার হয়েও দমে যাননি তিনি। আপন গতিতে চালিয়ে যাচ্ছেন তার নিজের কাজ।

প্রথমে অভিনয় করে আলোচনায় তারপর শুরু করেছেন অন্য এক স্বপ্নপূরণ গান গাওয়া। একের পর এক গান রের্কড করে ছাড়ছেন নিজের ইউটিউব চ্যানেলে।

এরই ধারাবাহিকথায় এবার হিরো আলম গাইলেন চিত্রনায়েকা পরীমনি কে নিয়ে। গান গেয়ে পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার সুষ্ঠু বিচার দাবি জানিয়েছেন হিরো আলম।

‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস ফর পরীমনি’ শিরোনামের গানটি বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করেন তিনি।

প্রতিবারের মতন এবারও গানটি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা ভাইরাল হয়ে যায়। এখন র্পযন্ত গানটি দেখেন প্রায় ৬ লক্ষ মানুষ।

গানটির কথা এরকম- ‘শিল্পী হয়ে শিল্পের প্রতি অসম্মান সইব না, শিল্পী হয়ে শিল্পীর অপমান সইব না, উই ওয়ান্ট জাস্টিস ফর পরীমনি।’

গানটির কথা, সুর ও সংগীত আয়োজন করেছেন মোমো রহমান।

‘নারী জাতি মায়ের জাতি আর রবে না বঞ্চিত, পরীমনিরা সব বিচার পাবে কেউ রবে না অবহেলিত, উই ওয়ান্ট জাস্টিস ফর পরীমনি’- এভাবেই সুরে সুরে প্রতিবাদ জানান হিরো আলম।

প্রসঙ্গত, পরীমনি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছেন। কিছুদিন আগে ঢাকার সাভারের বোটক্লাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অভিযোগ করে আলোচনায় আসেন তিনি। সে ঘটনায় কয়েকজন গ্রেফতারও হয়েছিলেন, তারা আবার জামিনও পেয়েছেন। এর মধ্যেই একাধিক ক্লাবে পরীমনির ভাঙচুরের অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।

র্বোড ক্লাবের ঘটনার বিলুপ্ত হওয়ার আগেই পরীমনির খবরে নিয়েছে নতুন মোড়। ‘সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের’ ভিত্তিতে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার (৪ আগস্ট) বিকেলে পরীমনির রাজধানীর বনানীর বাসায় এ অভিযানে যান র‌্যাবের গোয়েন্দা দলের সদস্যরা। সেখানে উপস্থিত আছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও।

রাজধানীর পান্থপথ এলাকা থেকে নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী আটক

0

মডেল পিয়াসা, মৌ ও চিত্রনায়িকা পরিমনির পর এবার রাজধানীর পান্থপথ এলাকা থেকে নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

শুক্রবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় তাকে আটকের পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে পরীমনি ও তাকে মুখোমুখি করে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সন্ধ্যায় ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. ইফতেখারুজ্জামান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমি শুনেছি চয়নিকা চৌধুরী আটক হয়েছেন। তবে ডিবি পুলিশের কোন দল আটক করেছে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বলতে পারেননি।

প্রসঙ্গত, চয়নিকা চৌধুরী বাংলাদেশের আলোচিত টিভি নাট্যপরিচালক। ২০০১ সালে ‘শেষ বেলায়’ নাটকের মধ্য দিয়ে তিনি পরিচালনায় যুক্ত হন। সম্প্রতি তিনি ‘বিশ্ব সুন্দরী’ চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। এই সিনেমার প্রধান চরিত্রে ছিলেন পরীমনি। এই সিনেমার কাজের পর থেকে নায়িকা পরীমনির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা বাড়ে।

সামসুন্নাহার থেকে পরী হয়ে উঠার গল্প

0

সম্প্রতি বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ঢাকাই সিনেমার বহুল আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড আ্যকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব)। বুধবার (৪ আগস্ট) বিকালে পরীমনির বাসায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ মাদক রাখার দায়ে তাকে আটক করে র‌্যাব সদর দপ্তরে নেওয়া হয়েছে।

এদিন পরীমনি ও পিয়াসার গডফাদার হিসাবে পরিচিত কথিত চলচিত্র প্রযোজক ও অভিনেতা নজরুল ওরফে রাজকেও গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। জানা গেছে, আটক নজরুলের মোবাইল ফোনে অসংখ্য তরুণীর পর্নো ভিডিও পাওয়া গেছে।

ঢাকাই চলচ্চিত্রে পা রাখার পর থেকেই অভিনয়, গ্ল্যামারসহ বিভিন্ন কারণে আলোচিত-সমালোচিত পরী। চিত্রনায়িকা পরীমনির উত্থান সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। গ্রামের হতদরিদ্র ঘরের মেয়ে সামসুন্নাহার স্মৃতি ঢাকায় এসে পরীমনি নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন। অভিনয়ের কিছু জানা না থাকা সত্ত্বেও একের পর এক সিনেমায় প্রধান চরিত্রে ডাক পড়ে তার।

ক্যারিয়ারে প্রথম সিনেমা মুক্তির আগেই সর্বাধিকসংখ্যক চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়ে মিডিয়া জগৎ এ রীতিমতো হইচই ফেলে দেন পরী। কখনো কাজ, কখনো বা ব্যক্তিগত কারণে থাকছের খবরের শিরোনামে। নায়িকা হিসাবে রাতারাতি তারকা বনে যান তিনি। অঢেল টাকা আর অভিজাত জীবন যেন স্বেচ্ছায় ধরা দেয় তার হাতে। দামি গাড়ি, কোটি টাকার ফ্ল্যাট, মূল্যবান অলঙ্কার কি নেই তার।

২০১৬ সালের শুরুর দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয় পরীমনির সাথে দুই জনের বিয়ের ছবি, কাবিননামা ও তালাকনামার ছবি।

২০১৯ সালের ৩০ জুন, নগরীর অ্যাপোলো হাসপাতালের ৭ম তলায় একজনকে পিটিয়ে বিতর্কে জড়ান পরীমনি। ওই ব্যক্তি নিজেকে পরীমনির প্রেমিক দাবি করে। মোবাইলে কল রেকর্ড দেখিয়ে তিনি প্রমাণ দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরীমনি তা অস্বীকার করে ফিল্মি স্টাইলে তাকে মারতে মারতে কেবিনের বাইরে নিয়ে আসেন। শেষ পর্যন্ত এ ঘটনা থানাপুলিশ পর্যন্ত গড়ায়।

২০১৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি এক সাংবাদিকের সঙ্গে পরীমনির প্রেমের খবর প্রকাশিত হয়। ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। কিন্তু বিয়ে পর্যন্ত যাওয়ার আগেই ভেঙ্গে যায় তা সর্ম্পক।

এরপরই মাত্র ৩ টাকা কাবিনে ২০২০ সালের ১০ মার্চে নির্মাতা কামরুজ্জামান রনিকে বিয়ে করেন পরীমনি। বিয়ের পর দীর্ঘদিন কেটে যাওয়ার পর পরীমনির স্বামী বা সংসারের কোনো খবর পাওয়া যায় না। এরপর শুরু হয় এই সংসার ভাঙনের গুঞ্জন।

সিনেমা শুটিংয়ের আড়ালে পরী মূলত প্রভাবশালীদের ঘনিষ্ঠ হতেই বেশি পছন্দ করতেন। রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেলে তাকে লাস্যময়ী ভঙ্গিতে দেখা যায়। প্রায় প্রতিদিনই গভীর রাত পর্যন্ত পার্টি শেষে মদ্যপ অবস্থায় বের হতেন তিনি। এছাড়া পরী ধূমপানে অভ্যস্ত (চেইন স্মোকার)। তার ফ্ল্যাটে বিদেশি সিগারেট ও মদের বিশাল সংগ্রহ রয়েছে।

কয়েকটি ব্যাংকে পরীর মোটা অঙ্কের টাকা রয়েছে। যার বেশিরভাগই তিনি পেয়েছেন শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে। টাকার নেশা তাকে ছাড়ে না। একপর্যায়ে নাম লেখান পর্নোগ্রাফির নিষিদ্ধ জগতে।

এজন্য পরী তার ঘনিষ্ঠ মডেলদের মাধ্যমে একটি চক্র গড়ে তোলেন। উঠতি মডেল এবং চিত্রনায়িকাদের পর্নোছবি তুলে পাঠানো হতো কথিত হাই-প্রোফাইলদের কাছে। তার মাধ্যমে অনেকে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হন।

পরীর ঘনিষ্ঠদের তালিকায় আছেন- পুলিশ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, আমলা, রাজনীতিবিদসহ অনেক প্রভাবশালীর নাম। এদের কেউ কেউ দেশের বাইরে পরীর সঙ্গে ঘুরতে যান। একটি বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান তাকে হ্যারিয়ার গাড়ি উপহার দেন।

পরীকে গ্ল্যামার জগতে নিয়ে আসেন কথিত সিনে প্রযোজক নজরুল ওরফে রাজ নামের এক ব্যবসায়ী। তিনিই প্রথম পরীমনিকে ঢাকায় এনে চলচ্চিত্রে ভেড়ানোর চেষ্টা করেন। সিনেমায় নাম লেখানোর আগে দীর্ঘদিন তার কাছেই থাকতেন পরী।

পরীমনির পর রাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধারকে ধরতে র‌্যাবের অভিযান শুরু

0

রাজধানীর বনানীতে রাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্নধার নজরুল ইসলাম রাজকে ধরতে তাঁর বাসায় অভিযান শুরু করেছে র‌্যাব।

র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল কে এম আজাদ জানান, র‌্যাবের একটি দল রাত সাড়ে আটটার দিকে বনানীর ৭ নম্বর সড়কে নজরুল ইসলাম রাজের বাসায় অভিযান শুরু করে।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের বাড়ি গোপালগঞ্জের সদরের দুর্গাপুরে। চলচ্চিত্র ও নাটক প্রযোজনার পাশাপাশি তিনি নিয়মিত অভিনয়ও করেন।

দেশের শোবিজ অঙ্গনকে এগিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৯ সালের জুলাইয়ে যাত্রা শুরু করে রাজ মাল্টিমিডিয়া।

বাসায় মদ ও মদের বারের সন্ধান, গ্রেপ্তার পরীমনি

0

ঢাকাই চলচ্চিত্রের নায়িকা পরীমনিকে নিয়ে অনেকদিন ধরেই বিভিন্ন কথা বার্তা ঘুরে বেড়াচ্ছে বিনোদন জগতে। কিছুদিন আগে থানায় অভিযোগ করেছিলেন তাকে এমনকি হত্যা করাও হতে পারে।

আজ দুপুরে হঠাৎ করেই তার বাসায় পুলিশ পরিচয়ে কেউ প্রবেশ করতে চাইলে তিনি তাদের বাসায় ঢুকতে দেননি। এবং ফেইসবুক লাইভে পরীমনি জানান, তিনি পুলিশে ফোন করেছেন কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া পাননি।

পরবর্তীতে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের’ ভিত্তিতে নায়িকা পরীমনির বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। অভিযানরত র‌্যাবের কয়েকজন নারী সদস্য। সেখানে গিয়ে বিপুল পরিমাণ মদ পেয়েছেন তারা।

রাজধানীর বনানীর বাসায় বুধবার (৪ আগস্ট) বিকেলে টানা ৩ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান মুহাম্মদ খায়রুল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই পরীমনির বাসায় অভিযান চালানো হয়।

তার বাসায় অবৈধ মদ এবং বিপুল পরিমাণ মাদক পাওয়া গেছে। মদের বারের সন্ধানও মিলেছে তার বাসায়। এসব অবৈধ মাদক রাখার দায়ে পরীমনিকে আটক করা হয়েছে।

পরীমনির বাসা থেকে বিপুল মদ জব্দ

0

ঢাকাই চলচ্চিত্রের নায়িকা পরীমনিকে নিয়ে অনেকদিন ধরেই বিভিন্ন কথা বার্তা ঘুরে বেড়াচ্ছে বিনোদন জগতে। কিছুদিন আগে থানায় অভিযোগ করেছিলেন তাকে এমনকি হত্যা করাও হতে পারে।

আজ দুপুরে হঠাৎ করেই তার বাসায় পুলিশ পরিচয়ে কেউ প্রবেশ করতে চাইলে তিনি তাদের বাসায় ঢুকতে দেননি। এবং ফেইসবুক লাইভে পরীমনি জানান, তিনি পুলিশে ফোন করেছেন কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া পাননি।

পরবর্তীতে জানা যায় নায়িকা পরীমনির বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ‘সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের’ ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানরত র‌্যাবের কয়েকজন নারী সদস্য। সেখানে গিয়ে বিপুল পরিমাণ মদ পেয়েছেন তারা।

বুধবার (৪ আগস্ট) বিকেলে পরীমনির রাজধানীর বনানীর বাসায় এ অভিযানে যান র‌্যাবের গোয়েন্দা দলের সদস্যরা। সেখানে উপস্থিত আছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও।

এদিকে, র‌্যাব সদস্যরা বাসায় ঢোকার পর থেকেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে পরীমনিকে আটক করার খবর। যদিও এখন র্পযন্ত এমন কিছু নিশ্চিত করে বলছেন না বাহিনীর সদস্যরা।

পরীমনির বাসার মূল ফটকের সামনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা র‍্যাব-১ এর কর্মকর্তা মুজিবুর সাংবাদিকদের বলেন, র‍্যাব সদরদফতরের একটি গোয়েন্দা টিম মূলত অভিযান পরিচালনা করছে। আমরা সদরদফতরের টিমকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য ঘটনাস্থলে এসেছি। তবে কী কারণে তার বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হবে কি-না, এই বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে তার বাসায় অভিযান চালানো হচ্ছে, বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগে’ পরীমনির বাড়ি ঘেরাও

0

সম্প্রতি সময়ের ঢাকাই চলচ্চিত্রের বহুল আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনির বাসায় সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের’ ভিত্তিতে বুধবার (৪ আগস্ট) বিকেলে পরীমনির রাজধানীর বনানীর বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার (৪ আগস্ট) বিকেলে বাসার বাইরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদের দেখে ফেসবুক লাইভে এসে পরীমনি বলেন, সাদা পোশাকের বেশ কজন ব‌্যক্তি প্রথমে আমাদের বাসার প্রধান গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকতে চান। তারা কারা জানতে চাইলে বলেন, ‘আমরা পুলিশ।’ পরে তারা গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে আমার ফ্ল‌্যাটের সামনে এসে দরজা খুলতে বলেন। ভয় পেয়ে বনানী থানায় ফোন করেছি, কিন্তু থানা থেকে কেউ এখনো আসেননি। আমি আমার জীবন নিয়ে খুব শঙ্কিত।

আমি মরব আর কেউ কিছু বলবে না? মরতে তো একদিন হবেই। আমি এই লাইভ কাটব না। যতক্ষণ না থানা থেকে পুলিশ আসবে, মিডিয়া আসবে ততক্ষণ লাইভ চলবে। ভাই আপনারা কেউ বুঝতে পারছেন আমার অবস্থা? এইখানে কাছেই থানা। অথচ তারা আসছে না। আমার তো তাদের হেল্প লাগবে।

৩ দিন ধরে আমি বিছানা থেকে উঠতে পারছি না। আমার পরিচিতরা কই। একটু আসবেন দেখবেন? এরা কারা? মূর্খরা ভাঙচূর করছে। এসব আল্লাহ সহ্য করবে না। আপনারা কত মানুষ এই লাইভ দেখছেন। কেউ কিছু বলছেন না।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে তার বাসায় অভিযান চালানো হচ্ছে, বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

জীবন হারানোর শংকায় লাইভে পরীমনি, লাইভ দেখুন

0

অনেকদিন ধরেই পরীমনিকে নিয়ে বিভিন্ন কথা বার্তা ঘুরে বেড়াচ্ছে বিনোদন জগতে। কিছুদিন আগে থানায় অভিযোগ করেছিলেন তাকে এমনকি হত্যা করাও হতে পারে।

আজ দুপুরে হঠাৎ করেই তার বাসায় পুলিশ পরিচয়ে কেউ প্রবেশ করতে চাইলে তিনি তাদের বাসায় ঢুকতে দেননি। এবং ফেইসবুক লাইভে পরীমনি জানাচ্ছেন যে তিনি পুলিশে ফোন করেছেন কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সারা পাননি। এখনো লাইভ তিনি। প্রশাসনের সাহায্য চাচ্ছেন তিনি।

পরবর্তীতে জানা যায় নায়িকা পরীমনির বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ‘সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের’ ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হচ্ছে।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বুধবার (৪ আগস্ট) লাইভ শুরু করে পরীমনি অভিযোগ করেন, তার বাসায় ‘বিভিন্ন পোশাকে’ লোকজন এসে ফ্ল্যাটের দরজা খুলতে বলছেন। কিন্তু তিনি দরজা খুলতে ভয় পাচ্ছেন জানিয়ে সাংবাদিক, বিনোদন জগতের মানুষ ও পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেন পরীমনি।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে তার বাসায় অভিযান চালানো হচ্ছে, বিস্তারিত পরে জানানো হবে।