Saturday, March 21, 2026
Home Blog Page 188

অফিস-গণপরিবহন চলবে ৩ আগস্ট পর্যন্ত

মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বর্তমান সময়ের মতো আগামী ১ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত সীমিতভাবে সরকারি-বেসরকারি অফিস চলমান থাকবে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু থাকবে গণপরিবহনও (বাস, লঞ্চ ও ট্রেন)।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘এ সময়ে দোকান ও শপিং মল সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যেভাবে সীমিত পরিসরে কর্মকাণ্ড চলছে সেভাবেই আগামী ৩ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে। মানুষকে সচেতন করতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং তথ্য মন্ত্রণালয় প্রচার-প্রচারণা চালাবে।’

গত ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস খুলে দেয়া হয়, চালু করা হয় গণপরিবহন। এরপর তা বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়েছিল। আজ সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন করে তা ফের বাড়ানো হয়েছে।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি!

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। জেনারেল কাশেম সোলাইমানিকে হ’ত্যার অভিযোগে এই পরোয়ানা জারি করেছে ইরান। সোমবার (২৯ জুন) তেহরানের প্রসিকিউটর আলী আল কাসিমিহর বলেছিলেন, ট্রাম্প এবং আরও ৩০ জনরও বেশি ইরানের বিরুদ্ধে ৩ জানুয়ারির হামলায় জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হ’ত্যার সাথে জড়িত। পরোয়ানা কার্যকর করতে ইন্টারপোলের সাহায্য চেয়েছে ইরান।

আল কাসিমহর ট্রাম্প ব্যতীত অন্য কাউকে চাওয়া শনাক্ত করতে পারেন নি, তবে জোর দিয়েছিলেন যে ইরান মামলা চালিয়ে যাবে। ফ্রান্সের লিয়নে অবস্থিত ইন্টারপোল মন্তব্য করার অনুরোধের সাথে সাথে সাড়া দেয়নি। মার্কিন ইরানের রাষ্ট্রদূত ব্রায়ান হুক এই পদক্ষেপকে একটি “প্রচারের স্টান্ট” হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

বুড়িগঙ্গার লঞ্চ দুর্ঘটনায় মিনিটে মিনিটে তোলা হচ্ছে লাশ

0

কিছুক্ষণ আগে লাশের সংখ্যা ছিল ১৫। এর পর আরো একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই বেড়ে হলো ২৫। তোলা হলো আরও ৯টি লাশ। এর কিছুক্ষণ পর জানা গেলো মোট ৩০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর শ্যামবাজারের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীতে এক লঞ্চের ধাক্কায় আরেকটি ছোট লঞ্চ ডুবে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৩০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা লেঃ কমান্ডার হায়াৎ ইবনে সিদ্দিক কালের কণ্ঠকে জানান, যে ৩০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, মধ্যে ২ জন শিশু, ৫ জন মহিলা ও ২৩ জন পুরুষ।

ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও বিআইডাব্লিউটিএর সঙ্গে কোস্টগার্ড উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা রোজিনা ইসলাম জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনার পর তাদের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।

‘সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল মুহিতকে নিয়ে প্রচারণা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’

0

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাবেক অর্থমন্ত্রী এবং সিলেট ১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে নিয়ে কিছু মিথ্যা সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে। প্রচার করা হয় তিনি এমনকি নিজ সন্তানের বাড়িতেও জায়গা পাননি। এমন ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তার সন্তান সাহেদ মুহিত।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে সাহেদ মুহিত গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

মুহিত বিবৃতিতে বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাবেক অর্থমন্ত্রী ও সিলেট ১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল মাল আবদুল মুহিত ও তার পরিবারকে নিয়ে একটি তথাকথিত সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, যেটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। জাতীয় দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে অসাধু উদ্দেশ্যে এক বা একাধিক স্বার্থান্বেষী ও কুরুচিপূর্ণ মহল আবদুল মুহিতের মতো একজন সম্মানিত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টায় কেন লিপ্ত হয়েছে, এটি আমাদের বোধগম্য নয়।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আবদুল মুহিত একাধারে একজন মুক্তিযোদ্ধা, একজন রাজনীতিবিদ এবং একজন স্বনামধন্য বুদ্ধিজীবী। তিনি তার সারাটা জীবন দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করেছেন। তার ছেলে সাহেদ মুহিত ও তার পরিবারও দেশের প্রতি আত্মনিবেদনের একই শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ এবং সিলেট ও গোটা বাংলাদেশে তাদের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। গত দুই দশক ধরে আবদুল মুহিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পর্যায়ের এবং সিলেটের অতি বিশিষ্ট ও বিদগ্ধ নেতা হিসেবে সর্বজনপরিচিত। তিনি বাংলাদেশের অন্যতম সফল দীর্ঘকালীন অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশের ঈর্ষণীয় ও দেশ-বিদেশে প্রশংসিত অর্থনৈতিক উন্নয়নে যার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। অন্যদিকে ২০০১ সাল থেকে সাহেদ মুহিত সর্বোতভাবে তার বাবা আবদুল মুহিতের পাশেই রয়েছেন এবং তাকে পারিবারিক, রাজনৈতিক ও অন্য সব বিষয়ে সহায়তা করেছেন। এছাড়া বাবার নির্বাচনি এলাকা সিলেট ১-এর এলাকাবাসীদের পাশে সাহেদ মুহিত সবসময় ছিলেন, আছেন ও থাকবেন।

এ পরিস্থিতিতে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও তার পরিবারকে নিয়ে প্রকাশিত নির্লজ্জ মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করা হচ্ছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে তার পরিবার।

লকডাউন ভেঙে মেসির জন্মদিন পালন করায় জরিমানার কবলে বাংলাদেশী ভক্ত

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি নাম উচ্চারণ করলে শুরুতেই মেসি-রোনালদোর নাম চলে আসবে। আর সেই লিওনেল মেসির জন্মদিন হলে ভক্তরা তা পালন করার চেষ্টা করবে তা স্বাভাবিক। কিন্তু সময়টা যখন করোনাকাল তখন অবশ্যই তা স্বাভাবিক নয়। ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির জন্মদিনে তার কিছু পাগলা ভক্তের পাগলামির মাত্রা অতিক্রম করায় ১৫ জনকে গুনতে হলো জরিমানা।

গতকাল ২৪ জুন ছিল ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা জাদুকর লিওনেল মেসির জন্মদিন। সারা বিশ্বে অগনিত ভক্ত তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে এবং জন্মদিন পালন করেছে।

তবে, সেই জন্মদিন পালন করতে গিয়েই এবার জরিমানার কবলে পড়তে হলো মেসির কজন বাংলাদেশি ভক্তকে। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি কফি হাউজে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, ওই কফি হাউজে ১৫-১৬ জনের একদল যুবক মেসির জন্মদিন পালন করেছে।

করোনার মধ্যে সামাজিক দুরত্ব না মেনে জন্মদিন পালন করায় ওই ১৫ যুবকের প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। আর ওই কফি হাউজের মালিকের কাছে থেকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

করোনাভাইরাসের মধ্যেই তানজিন তিশার নতুন প্রজেক্ট

করোনাভাইরাসের কারণে শুটিংয়ে ফিরতে চাচ্ছেন না অনেক তারকা। অল্প কিছু শিল্পী শুটিংয়ে ফিরলেও এখনো ফেরেনি বেশিরভাগ অভিনয় শিল্পীই। এরমধ্যে আছেন সময়ের ব্যস্ত তারকা তানজিন তিশা। গত ১৮ মার্চ থেকে ঘরেই সময় কাটাচ্ছেন তিনি।

তবে এই করোনাকালে অলস সময় কাটাচ্ছেন না তানজিন তিশা। নিজের বিশেষ একটি ইচ্ছে পূরণ করতে সময়টাকে ভালো ভাবেই কাজে লাগাচ্ছেন তিনি। করনার মধ্যে গত এপ্রিল মাসে নিজের নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেছেন তিনি। এখন এই চ্যানেলটিকে সামনে এগিয়ে নিতে ঘরে বসেই নিয়মিত নতুন নতুন ভিডিও বানাচ্ছেন।

তানজিন তিশা বলেন, ‘এখন ছোট ছোট ভিডিও বানিয়ে চ্যানেলে প্রকাশ করছি। নতুন চ্যানেল হিসেবে ভালো সাড়া পাচ্ছি। করোনার সংকট কাটলে বড় পরিসরে আরও অনেক ভিডিও প্রকাশ করতে চাই। যেহেতু এখন অভিনয় করা সম্ভব হচ্ছে না, তাই সময়গুলো নিজের ইচ্ছে পূরণের কাজে লাগাচ্ছি।’

তিশার নতুন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তার ভক্তরা। এদিকে আপাতত শুটিংয়ে ফেরার কথা ভাবছেন না ছোটপর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। বর্তমানে নিজের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই সময় কাটাচ্ছেন। গত ঈদে তার অভিনীত বেশ কিছু নাটক প্রচার হয়েছে। নাটকগুলোর শুটিং হয়েছিলো লকডাউন শুরুর আগেই।

রেড জোনে থাকা সাইফউদ্দিন জ্বরে ভুগছেন, বিপ্লবের শ্বাস কষ্ট!

করোনাভাইরাসের এই সংকটময় সময়ে ক্রিকেটারদের সুস্থতা যাচাই করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) যুগোপযোগী দারুন এক উদ্যোগ নিয়েছে। ‘কোভিড-১৯ ওয়েল বিয়িং’ নাম এক অ্যাপ চালু করেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ এই সংস্থা। অ্যাপটির মাধ্যমে ক্রিকেটারদের শারীরিক অবস্থা জানা যাচ্ছে সহজেই।

শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে ক্রিকেটারদের তিনটি জোনে ভাগ করেছে বিসিবি। সেগুলো হলো রেড, ইয়োলো ও গ্রিন জোন। কোনো ক্রিকেটারের শারীরিক অবস্থা রেড জন্যে থাকলে সাথে সাথেই বিসিবি চিকিৎসকের কাছে বার্তা চলে যাবে। আর এমনই দুই ক্রিকেটারের বার্তা পেয়েছেন বোর্ড। একজন স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব এবং অপরজন পেসার সাইফউদ্দিন। এই দু’জনেই আছেন রেড জোনে।

আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের আগে থেকেই অ্যাজমা আছে। আর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন গত দুই দিন যাবৎ জ্বরে ভুগছেন এবং তিনি খাবারের কোনো স্বাদ পাচ্ছেন না। জাতীয় এক পত্রিকাকে এমনটা জানিয়েছেন বিসিবি’র ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের ম্যানেজার নাসির উদ্দিন আহমেদ নাসু।

তিনি বলেন, “আজ (২৫ জুন) পর্যন্ত আমরা দুইজনকে রেড পেয়েছি; আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। বিপ্লব গতকাল যখন ওই প্রশ্নত্তোর দিচ্ছিল তখন রেড হয়ে গেছে। ওর শ্বাস কষ্ট হচ্ছিল। পরে জানতে পারি ওর অনেক আগে থেকেই অ্যাজমা সমস্যা আছে। তো গতকাল ওর কোভিড চেক করিয়েছি। তেমন কিছু পাওয়া যায়নি।”

“সাইফউদ্দিনের দুই দিন ধরে জ্বর ও খাবারের কোনো স্বাদ পাচ্ছে না। গতকাল থেকে এটা কাজ করছে। অ্যাপটা মোবাইল ভিত্তিক। প্লেয়াররা মোবাইলে ঢুকে ১৮টি প্রশ্নের উত্তর ফিলআপ করে দিবে। সেটা আমাদের কেন্দ্রীয় সার্ভারে চলে আসবে। ওখান থেকে আমরা মনিটরিং করতে পারি। সবগুলি প্রশ্নের উত্তর দিতে ২০-২৫ সেকেন্ড সময় লাগবে। তারপর ওটা অটোমেটিক আপডেট হয়ে।”– যোগ করেন তিনি।

নাসু আরও বলেন, “এই প্রশ্নের ওপর ভিত্তি করে আমরা প্লেয়ারদের তিনটি জোনে ভাগ করে দিচ্ছি। সেগুলো হলো রেড, ইয়োলো ও গ্রিন। কোনো প্লেয়ার যদি রেড হয় সঙ্গে সঙ্গে আমার কাছে সাব্বিরের কাছে (সাব্বির খান) ও দেবশীষের কাছে এসএমএস আসে যে এই প্লেয়ারটা রেড। এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেই।”

এছাড়া বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী জানালেন, “অ্যাপটি লাল সংকেত দেওয়া মানে‌ এই নয় যে কারো শরীরে করোনা আছে বা সে ন্যূনতম ঝুঁকিতে আছে। লাল সংকেতের মানে হলো ১৮টি প্রশ্নের কোনো একটি নেগেটিভ ছিল। অতএব তার সঙ্গ আমাদের কথা বলতে হবে। তার সঙ্গ কথা বলে আমরা নির্ধারণ করব কি হয়েছে। মূল ব্যাপার হলো আমিনুল ইসলাম কিংবা সাইফউদ্দিন কোভিড পজিটিভ নয়।”

করোনার মূল প্রবাহ আসছে জুলাই মাসে: ডা. জাফরুল্লাহ

চলতি মাসের শেষের দিকে বা আগামী মাসে করোনাভাইরাসের সর্বোচ্চ সংক্রমণ ঘটবে বলে আশঙ্কা করছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের গেরিলা কমান্ডার মেজর এ টি এম হায়দার বীর উত্তম মিলনায়তনে করোনাভাইরাস থেকে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর রোগ মুক্তি, তাঁর চিকিৎসা ব্যয় এবং তাঁর লেখা ‘করোনা বনাম বিশ্ব পুঁজিবাজার ২০২০-২১ বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট’ বিষয়ে এক আলোচনা সভায় বিশিষ্ট এই চিকিৎসক এসব কথা বলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আসলে সরকার একটা অন্ধকার ঘরে কালো বিড়াল খুঁজে বেড়াচ্ছে। করোনা সমস্যাটা কীভাবে সমাধান করবে, সেটা তাদের চিন্তার মধ্যে নাই। করোনার মূল প্রবাহ (পিক টাইম) তো আসবে এ মাসে বা তার পরের মাসে। যখন এটা গ্রাম-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়বে। সেজন্য একটা সুস্থ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দরকার।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি বাজেট সংক্রান্ত লেখাটা পড়েন, তাতে কিছুটা দিক-নির্দেশনা আছে। এটা জনগণ দাবি উঠানো ছাড়া, আওয়াজ উঠানো ছাড়া বাংলাদেশে কোনো দিন, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে তো নয়ই কোনো ক্ষেত্রেই উন্নতি হবে না। সেজন্য আমাদের স্বাস্থ্য আন্দোলনটাকে শক্ত করে গড়ে তুলতে হবে।’

করোনা থেকে সেরে উঠতে ওষুধের খরচের বিষয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জানান, তার করোনা চিকিৎসায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ৮২ হাজার লিটার অক্সিজেন কনজ্যুইম করেন তিনি। তার ফুসফুসে ৮০ ভাগ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল।

একাত্তরের পর এখন মানুষের অনেক ভালোবাসা পাচ্ছেন জানিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আপনারা যে এতজনে দোয়া করেছেন, তা অকল্পনীয়। মানুষ যে এত ভালোবাসতে পারে, একাত্তরের যুদ্ধে পেয়েছিলাম ভালোবাসা, আর এখন পাচ্ছি।’

আলহামদুলিল্লাহ বলে করোনা মুক্তির কথা জানালেন সারোয়ার আলম

শেষ পর্যন্ত সুস্থ হলেন করোনাভাইরাস আক্রান্ত র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। একের পর এক আলোচিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী সারোয়ার আলম ১৭ দিন পর করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠলেন।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে নিজের করোনামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর অশেষ রহমত ও আপনাদের সকলের দোয়ার বদৌলতে COVID 19 থেকে মুক্তি পেলাম। কৃতজ্ঞতা আপনাদের সকলের প্রতি।।’

সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে দীর্ঘদিন মাঠে যাওয়া সম্ভব হয়নি, অভিযান চালাতে পারিনি। তবে রাষ্ট্রের স্বার্থে অচিরেই মাঠে নামবো। রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করে যাবো।’

অফিস করেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রী!

গত পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঈদের ছুটির পর থেকেই মন্ত্রণালয়ে অনিয়মিত স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের একরকম নিষ্ক্রিয়তায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামকে সমালোচনার মুখে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে থেকেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

নতুন আর এক সমালোচনার জন্মদিলেন তিনি অফিসে ঠিকমতো উপস্থিত না থেকে। মহামারি করোনাভাইরাসকালীন সময়ে সবচেয়ে নিরুত্তাপ যেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রীর অনিয়মিত উপস্থিতি এবং বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আটকে আছে।

বিগত সময়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয় নিয়ে সরকারের ভেতরে ও বাইরে আলোচনা ওঠে। সরকারি দলের একাধিক নেতার মতে, এই সংকটের সময় তাঁকে সরিয়ে দিলে সরকারের জন্য তা বিব্রতকর হতে পারে ভেবেই তা করা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) গণমাধ্যম বিষয়টি নজরে আনলে নড়েচড়ে বসেন মন্ত্রীসহ পুরো মন্ত্রণালয়। কার্যালয়ে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি দাবি করেন, ঘরে বসেই দাপ্তরিক সব কাজ সারছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা যারা আছি, তাদেরকে সুস্থ থেকেই কাজ করতে হবে। যারা অসুস্থ তারা তো এক মাস আসতে পারে না। কাজ কিন্তু থেকে নেই, কাজ চলছে। একটা ফাইলও আটকে নেই, সব ফাইল আপডেটেড।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখন অফিস সব জায়গায়, এই এক জায়গায় তো অফিস না। যেখানে বসবো আমি, সেখানেই অফিস। আমাদের তো কিছু করার নেই। কারণ সবাই আক্রান্ত হয়ে গেছে। তাই ভুল প্রচারটা ঠিক নয়, এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’