Sunday, May 17, 2026
Home Blog Page 187

চীনের পাওয়া নতুন ভাইরাসটি করোনার চেয়েও মারাত্মক!

করোনাভাইরাস মহামারির সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব৷ এরই মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কোটি ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষের। এরই মধ্যে বিজ্ঞানীরা নতুন এক ফ্লু ভাইরাস চিহ্নিত করেছেন। সেই চীনেই মিলেছে নতুন এই ভাইরাস। করোনার মতো এটিও মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করেছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি চিহ্নিত হওয়া নতুন এই ভাইরাসটি শূকর বহন করে। মানুষের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন এই ফ্লু ভাইরাসের নামকরণ হয়েছে জি৪ইএএইচ১এন১। এটি মানুষের শ্বাসযন্ত্রের মধ্যে বেড়ে উঠতে এবং বিস্তার ঘটাতে পারে। যারা চীনে শূকর এবং কসাইখানায় কাজ করছেন তাদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে।। বর্তমানে যেসব টিকা বাজারে রয়েছে সেগুলো প্রয়োগ করে এই ভাইরাস থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না।

ভাইরাসটির উপসর্গ কী?

গবেষকরা বলছেন, এই ভাইরাসটি ইনফ্লুয়েঞ্জা গোত্রেরই৷ জি৪ জেনোটাইপ নামে জেনেটিক মেটেরিয়াল রয়েছে৷ ২০১৬ সাল থেকে শুয়োরের মধ্যে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস৷ করোনার মতোই জি৪ ভাইরাসও শ্বাসনালিতে সংক্রমণ ঘটায়৷ দ্রুত সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করে৷ এই ভাইরাস আক্রান্তের উপসর্গ হল, হাঁচি, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, কাশি এবং শরীরের ওজন হঠাত্‍ অনেকটা কমে যাওয়া৷

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, দুঃখের বিষয় জি৪ ভাইরাসের কোনো প্রতিরোধ ক্ষমতা মানুষের দেহে নেই৷ তাই স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখার পরামর্শ দিচ্ছে৷ এর বিরুদ্ধে কোনো হার্ড ইমিউনিটিও নেই এখনো পর্যন্ত৷

সোয়াইন ইন্ডাস্ট্রিতে (শুয়োরের ব্যবসা) কাজ করা মানুষের মাঝে ১০.৪ শতাংশের রক্তে জি৪ পজিটিভ পাওয়া গেছে৷ সমীক্ষায় দেখা গেছে যে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের বয়সের অংশগ্রহনকারীদের রক্তে ভাইরাসের পজিটিভ হার প্রায় ২০ শতাংশ। এটা ইঙ্গিত দেয় যে জি৪ স্ট্রেইন মানুষের সংক্রামকতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গবেষণা বলছে, এই ভাইরাসটি মারাত্মক৷ ভবিষ্যতে মহামারির সৃষ্টি করতে পারে এই ভাইরাস৷ বিশেষ করে যারা পর্ক বা শুয়োরের মাংস খান, তাদের থেকেই ছড়াতে পারে সংক্রমণ৷ এই ভাইরাস শুয়োর থেকে মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত পর্যন্ত হতে পারে৷

চীনে নতুন যে ফ্লু ভাইরাস পাওয়া গেছে তার সঙ্গে ২০০৯ সালে মেক্সিকো থেকে ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লুর মিল রয়েছে। এখন পর্যন্ত এটা বড় কোনো হুমকি তৈরি করেনি। কিন্তু ভাইরাসটি নিয়ে গবেষণা করা যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত প্রফেসর কিন-চো চ্যাং এবং তার সহকর্মীরা বলছেন, এর ওপর নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রফেসর কিন-চো চ্যাং বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা করোনাভাইরাস নিয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছি এবং সেটাই সঠিক। কিন্তু আমাদের অবশ্যই নতুন ভাইরাসের সম্ভাব্য বিপদের ওপর থেকে চোখ সরানো চলবে না।’ নতুন এই ভাইরাসটি এখনই সমস্যা তৈরি করছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এটি কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত হবে না।’

২০২০ সালটিকে অনেকেই বলছেন, ভাইরাস ও মহামারির বছর৷ তাই কভিড-১৯ থেকে শিক্ষা নিয়ে জি৪ ভাইরাস সম্পর্কে এখন থেকেই সচেতন হতে হবে বলে মনে করছেন গবেষকরা৷

করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু হচ্ছে দেশেই

এবার বাংলাদেশেই করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি শুরু করার দাবি জানিয়েছে দেশীয় একটি প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে প্রাণীর শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে তুলনামূলক সন্তোষজনক অগ্রগতি পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক রিসার্চ ইনস্টিটিউট নামে এই প্রতিষ্ঠান রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় নিজস্ব ল্যাবে এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায় মাঠ পর্যায়ে এই গবেষণা কার্যক্রম শুরু করেছে।

গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালসের স্বত্বাধিকারী মো. হারুন-অর-রশিদ কালের কণ্ঠ’র কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের গবেষকদল কভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ শুরু করেছে দেশের কোনো ভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকেই। এ ক্ষেত্রে আমেরিকান বিভিন্ন ল্যাবের মান বজায় রেখেই এই গবেষণা শুরু করা হয়। এখন আমরা এই গবেষণার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রটোকল তৈরি করে সরকারের কাছে জমা দেব অনুমোদনের জন্য।

কীটের ৬০০ কোটি বাকি, করোনার টেস্ট এখন দুষ্প্রাপ্য

0

দেশে করোনাভাইরাসের পরীক্ষার শুরু থেকে এ পর্যন্ত যত কিট সরকার সংগ্রহ করেছে সে সবের বিলই বকেয়া রয়েছে। কেবল কিটই নয়, নতুন স্থাপনকৃত পিসিআর মেশিন, এমনকি চিকিৎসাকর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রীরও (পিপিই) কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি। টাকা না পেয়ে কিট ও মেশিন সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন ওই সরবরাহকারীদের একদিকে বোঝানো এবং অন্যদিকে নতুন সরবরাহকারী খুঁজে বের করারও চেষ্টা চলছে।

সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ১০টি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ কিট আনা হয়েছে দেশে, যার মূল্য প্রতিটি দুই হাজার ৭০০ টাকা দরে প্রায় ৪০৫ কোটি টাকা। এই বিল পরিশোধ করা হয়নি। পিসিআর মেশিন বাবদ প্রায় ২০০ কোটি টাকা বকেয়া পড়েছে। পিপিইসহ অন্য উপকরণের বিল বকেয়া রয়েছে হাজার কোটি টাকার বেশি। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে ও তথ্য-উপাত্ত থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিল পরিশোধ নিয়ে জটিলতার কারণ হিসেবে জানা গেছে, কেনাকাটায় সঠিক প্রক্রিয়া বা বিধি-বিধান অনুসরণ না করা, কখনো বা তাত্ক্ষণিক মৌখিক নির্দেশে সরবরাহ নেওয়া এবং অতিরিক্ত দামসহ আরো কিছু দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত শুরু হওয়া। জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখন যেকোনো কেনাকাটা বা বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করছে। জরুরি পরিস্থিতির কেনাকাটা হলেও এই মুহূতে উপযুক্ত বিধি-বিধান অনুসরণ ছাড়া সাহস করছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে এ ক্ষেত্রেও এক ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

শুধু বিলই নয়, এর সঙ্গে আরেক জটিলতা তৈরি হয়েছে আমদানি করা প্রায় আট লাখ কিট ফেরত দেওয়া নিয়েও। সব মিলিয়ে এমন পরিস্থিতির কারণে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে দেশে করোনা পরীক্ষা কার্যক্রম। এ অবস্থায় একটি কিট দিয়ে দুটি নমুনা পরীক্ষার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শুরুতে ১০টি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে জরুরি ভিত্তিতে কিট সরবরাহ করার আদেশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কখনো বা মৌখিক নির্দেশনা পেয়েও কেউ কেউ নিজেরা বিদেশ থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে কিট এনে সরবরাহ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে। তবে এর মধ্যে ভাগে ভাগে প্রায় সাত লাখ কিট এনেছে এককভাবে একটি প্রতিষ্ঠান, যাদের ওই কিট আনা হয়েছে চীন থেকে। বাকি আটটি প্রতিষ্ঠান প্রায় এক লাখ করে কিট এনেছে কোরিয়া, ইতালিসহ আরো কয়েকটি দেশ থেকে। চীনের কিটগুলোর মতোই অন্য দেশের কিটও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বুঝে নিয়ে বিভিন্ন ল্যাবে বিতরণ করেছে। কিন্তু একপর্যায়ে ওই সব কিট ফেরত দেয় বিভিন্ন ল্যাব। পরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সেসব কিট ফেরত নিতে বলে সরবরাহকারীদের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চীন ছাড়া অন্য যেসব দেশের কিট সরবরাহ করা হয়েছে সেটা পিসিআর মেশিনে সেট হয় না বা সেট করতে দেরি হয়, এমন কারণ দেখিয়ে ফেরত নিতে বলা হয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে। অন্যদিকে সরবরাহকারীরা তাদের বিল পরিশোধে চাপ দিতে থাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে। তাতে সাড়া না পেয়ে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নানা অজুহাত দেখিয়ে কিট সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল ইক্যুইপমেন্ট ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. কামরুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সরবরাহকারীরা কোটি কোটি টাকা মূলধন খাটিয়ে লাখ লাখ কিট এনে দিয়েছে। এখন যদি তারা ওই বিল না পায় কিংবা আবার কারো কারো কিট নানা অজুহাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ফিরিয়ে দেয় সেটা সরবরাহকারীদের পথে বসানোর শামিল হবে। বকেয়া বিল না পেলে তারা আবার কিট আনার টাকা পাবে কোথায়? এ ছাড়া যারা পিসিআর মেশিন সরবরাহ করেছে তারাও বিল পাচ্ছে না। ফলে এখন আবার তাদের কাছে মেশিন চাইলে তারা কিভাবে দেবে?’

ওই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, যে অজুহাত দেখিয়ে সাত-আট লাখ কিট ফিরিয়ে দেওয়া চেষ্টা চলছে সেটা সঠিক নয়। কিটগুলো দেশে থাকা সব পিসিআর মেশিনেই সেট হয় এবং পরীক্ষাও হয় সঠিকভাবেই। এখানে অন্য কোনো ব্যাপার থাকতে পারে বলে তিনি মনে করছেন।

কামরুজ্জামান বলেন, ‘এ কিটগুলোর কার্যকারিতার মেয়াদ থাকে ছয় মাস। এর মধ্যেই কারো কারো কিটের মেয়াদ দেড়-দুই মাস চলে গেছে। ফলে ওই সরবরাহকারীদের কেউ কেউ নিরুপায় হয়ে এখন কম দামে হলেও প্রাইভেট ল্যাবগুলোকে কিছু কিছু করে সরবরাহ করতে শুরু করেছে। প্রাইভেট ল্যাবে যে কিট ব্যবহার করা যায় তা কেন একই মেশিনে সরকারি ল্যাবে ব্যবহার করা যাবে না, সেটা বোধগম্য নয়।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, করোনা পরীক্ষায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে সবচেয়ে বেশি কিট দেওয়া বা এখন এককভাবে চীনের সব কিট সরবরাহকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ওভারসিজ মার্কেটিং করপোরেশন (ওএমসি), যারা একই সঙ্গে পিসিআর মেশিনসহ আরো কিছু উপকরণ দিচ্ছে। কিন্তু এই বড় প্রতিষ্ঠানটিও কিছুদিন ধরে বেঁকে বসেছে বিলের জন্য। তাদের বকেয়া ২০০ কোটি টাকার বেশি হবে বলে জানায় একাধিক সূত্র। যদিও ওই প্রতিষ্ঠান এ ব্যাপারে রাখঢাক করছে।

অভিযোগ রয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরেই এককভাবে এই প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ সুবিধা পেয়ে আসছে বা তাদের কাজ দেওয়ার জন্যই অন্যদের কিট গ্রহণ করা হচ্ছে না।

ওএমসির অন্যতম পরিচালক মারুফ মান্নান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিলের জন্য কিট বা মেশিন সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছি—এই কথা সঠিক নয়। শুধু আমাদেরই নয়, কারো বিলই তো দিচ্ছে না। অন্যরা কেন কিট দিচ্ছে না সেটা আমি বলতে পারব না। আমরা কেন দিচ্ছি না সেটাও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরই ভালো বলতে পারবে।’

সার্বিক বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আগে কী হয়েছিল না হয়েছিল সেটা আমি বলতে চাই না। আমি দায়িত্ব নিয়েছি ২৭-২৮ দিন। এর আগে কোন প্রক্রিয়ায় কাকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল, বিধি-বিধান মানা হয়েছিল কি হয়নি, সেটাও আমি দেখতে চাই না। তবু যেহেতু বিষয়টি আমার নজরে এসেছে তাই আমি আগের বিল ও ক্রয়সংক্রান্ত বিষয়গুলোর সুরাহার জন্য নির্দেশনা চেয়ে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছি। সেখান থেকেই বিষয়টির সমাধান আসবে বলে আশা করি।’

অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এ পর্যন্ত দুটি প্রতিষ্ঠানকে কিটের কার্যাদেশ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। চলতি সপ্তাহে প্রায় এক লাখ কিট হাতে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া আগের যে কিটগুলো ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে কথা উঠেছে সেই কিটগুলো থেকে কিছু কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’

ওই কিটগুলোর সমস্যা সম্পর্কে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি যতটা জেনেছি সেটা হচ্ছে, ওই কিটগুলো কোনো কোনো ল্যাবের মেশিনে প্রপারলি সেট হয় না, আবার সময় খুব বেশি লাগে। এখন যেহেতু আমাদের কাজ চালিয়ে দেওয়া জরুরি তাই দেরি হলেও ওই ধরনের কিছু কিটের সাপোর্ট নেওয়া যেতে পারে, যা নিয়ে ওই সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, হাতে এখনো যে পরিমাণ কিট আছে তা দিয়ে আগামী দুই সপ্তাহ চলবে। এর মধ্যে অন্য সব জটিলতা কাটিয়ে আরো সরবরাহ পাওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।

সিএমএসডির পরিচালক জানান, কিটের সংকটের চেয়ে বরং সরবরাহ সংকটটাই বেশি। কোনো এলাকার ল্যাবে হয়তো কিট বেশি আছে, কোনো এলাকার ল্যাবে কম আছে। যেখানে কম সেখানে এক দিন বেশি চাপ পড়লে ঘাটতির প্রশ্ন ওঠে। আর সেখান থেকে কেন্দ্রে খবর আসার পর কিট পৌঁছাতে হয়তো কয়েক ঘণ্টা বা দু-এক দিন সময় লেগে যায়। তিনি বলেন, কিট সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে একটি কিট (আরটিপিসিআর কিট) দুই ভাগ করে ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে করে এক কিটে দুজনের নমুনা পরীক্ষা করা যাবে।

২৬ ঘণ্টা পর লঞ্চ ‘মর্নিং বার্ড’ উদ্ধার

0

বুড়িগঙ্গায় ডুবে যাওয়ার ২৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়েছে লঞ্চ মর্নিং বার্ড। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে এয়ার লিফ্টিং ব্যাগ দিয়ে ভাসিয়ে তোলা হয় লঞ্চটিকে। পরে এটিকে তীরে নিয়ে আসা হয়।

এর আগে সোমবার রাতভর তল্লাশির পর এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় আবারও তল্লাশি শুরু করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর কর্মীরাও এই অভিযানে অংশ নেন।

সোমবার সকালে রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকার বুড়িগঙ্গা নদীতে ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায় ছোট আকারের লঞ্চ মর্নিং বার্ড। মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে সদরঘাটে এসে নোঙর করতে যাচ্ছিল মর্নিং বার্ড। ময়ূর-২ লঞ্চটিও চাঁদপুর থেকে সদরঘাটে এসে যাত্রী নামিয়ে ভিন্ন স্থানে নোঙর করতে যাচ্ছিল।

ডুবে যাওয়া লঞ্চটি থেকে আজ পর্যন্ত মোট ৩৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া লঞ্চডুবির প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর রাত ১০টার দিকে এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নদীতে ভেসে ওঠার পর কোস্ট গার্ডের কর্মীরা তাকে তুলে নেন। উদ্ধার করার পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার জ্ঞান ফিরে আসে। তাকে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

লঞ্চডুবির ঘটনায় গতকাল রাতেই মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামিরা হলেন-ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক মোসাদ্দেক হানিফ ছোয়াদ, কর্মচারী মো. আবুল বাশার, মো.জাকির হোসেন, ইঞ্জিনচালক শিপন হাওলাদার, ড্রাইভার শাকিল হোসেন, সুকানি নাসির মৃধা ও হৃদয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বেপরোয়া লঞ্চ চালিয়ে মানুষ হত্যা ও ধাক্কা দিয়ে লঞ্চ দুর্ঘটনার জন্য দণ্ডবিধির ২৮০, ৩০৪ (ক), ৪৩৭ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিপত কিনা-সেটাও তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, দুর্ঘটনার পর নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বিআইডব্লিউটিএ-এর পক্ষ থেকে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ওয়েব সিরিজ বিতর্কে ৭৯ নামজাদা ব্যক্তির অভিমত

0

অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে অনেকদিন যাবৎ কিছু ইউটিউব এবং ওয়েব প্ল্যাটফর্মে অত্যন্ত দায়িত্বহীনতার সাথে কিছু নির্মাতা প্রযোজক, নাট্যকার এবং অভিনয়শিল্পী কুরুচিপূর্ণ নাটক পরিবেশন করে আসছে। এই নাটকগুলির মধ্যে কাহিনীর প্রয়োজনে নয় একেবারেই বিকৃত রুচিসম্পন্ন নাটক নির্মাণ করে বিবেকবান ও সচেতন দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। আমরা এহেন কাজকে তীব্রভাবে ভৎর্সনা করি, নিন্দা জানাই।

বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটক জন্মলগ্ন থেকেই পারিবারিক বিনোদন মাধ্যম হওয়ায় দর্শকের রুচি ও মূল্যবোধ নির্মাণে ভূমিকা পালন করে আসছে। বাংলাদেশের বেসরকারি টেলিভিশন আসার পর কিছু প্রতিভাবান নাট্যকার, পরিচালক, অভিনেতা অভিনেত্রী ও কলাকুশলী বাংলাদেশের এই মাধ্যমকে এক নতুন মহিমায় স্থাপন করেছিলো। কিন্তু কিছু কিছু চ্যানেল গুলিতে নাটকের মান এমন ভাবে নেমে এসেছে যে বাংলাদেশের নাটক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে অনেক দর্শক। এর মধ্যেও কিছু ব্যতিক্রমি চ্যানেলে পরিচালকগন কিছু ভালো কাজ করার তাগিদও অনুভব করেছেন। যার প্রতিফলন আমরা প্রায়শই চ্যানেলগুলোতে দেখতে পাই। কিন্ত এর মধ্যে আবার অনলাইন প্রচার মাধ্যমগুলিতে অবাধ প্রচারের সুযোগে যৌনতা এবং ভায়োলেন্সকে উপজীব্য করে অশ্লীলতাকে আশ্রয় করেছে। সম্প্রতি সেই সব নাটক ওয়েবসাইট ও ইউটিউবে প্রদর্শিত হয়ে বাঙালির চিরন্তন সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে আঘাত হানতে শুরু করেছে। এর আগে ভাষাকে বিকৃত করার মাধ্যমে কিছু পরিচালক নাটক নির্মাণ করায় জনরোষে পতিত হয় এবং মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনায় কিছুটা প্রশমিত হয়।

২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকার একটি সম্প্রচার নীতিমালা প্রকাশ করে যেখানে বিষয়গুলো সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। আশির দশকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অশ্লীলতার প্রবনতার ফলে দর্শক সিনেমা বর্জন করেছিলো। একই ভাবে দর্শক যদি আমাদের নাটক বর্জন করতে থাকে তাহলে তা হবে অত্যন্ত দূর্ভাগ্যজনক।

প্রযুক্তির উত্তরোত্তর আধুনিকতার ফলে আমরা টেলিভিশন চ্যানেল ছাড়াই অন্যান্য মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারছি (যেমন ইউটিউব, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম) আমরা এসবকে নিয়ন্ত্রণ বা বর্জন করার পক্ষপাতি নই। আমরা শিল্পীর স্বাধীনতা ও ভিন্নমতে বিশ্বাসী। কাহিনীর প্রয়োজনে কোন শিল্পীত উপস্থাপনার খবরদারিত্বে আমরা বিশ্বাস করি না কিন্তু অপ্রয়োজনে শুধুমাত্র দর্শকটানার মিথ্যা প্রলোভন আমাদের নাটক শুধুই বিনোদনের পণ্য হয়ে দাঁড়াক তাও চাই না। এটিও উদ্বেগের বিষয় যে, ওয়েব বা এই ধরনের প্ল্যাটফর্মে নাটক পাইরেসি হয়ে অন্যত্র চলে যায় এবং খণ্ডিতভাবে প্রকাশ হলে বিভ্রান্তি ছড়ায় যা অত্যন্ত বিপদজনক।

করোনা পরবর্তী সময়ে শৈল্পিক উপস্থাপনায় নতুন অভিজ্ঞতায় উজ্জীবিত থেকে আমাদের শিল্প এক নতুন অভিধা সৃষ্টি করবে। রাষ্ট্র, আইন, সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ নয়, শিল্পীর নিজস্ব অভিব্যক্তি হবে প্রধান বিষয়। শিল্পী কলাকুশলীদের পাশে দাঁড়াবার জন্য আমাদের সংগঠন। শিল্প এবং শিল্পীর উপর যদি কোন অন্য্যায় আঘাত আসে তার পাশে অব্যশই দাঁড়াবে। এমতবস্থায় নাট্যকার পরিচালক অভিনেতা অভিনেত্রী কলাকুশলী সবাইকে সুস্থ ও শৈল্পিক বিনোদনের প্রক্রিয়ায় আসার অনুরোধ জানানো হচ্ছে ।

আমিরের বাড়িতে করোনার হানা

0

বলিউড সুপারস্টার আমির খানের বাড়িতে হানা দিয়েছে মহামারি করোনা ভাইরাস।  তার বাসার বেশ কয়েকজন গৃহকর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম। 

তবে বাসার গৃহকর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হলেও আমির খান ও তার পরিবারের সদস্যদের কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি। পরীক্ষায় তাদের সবারই করোনা নেগেটিভ এসেছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আমির। 

এদেকে বাসার সবার করোনা টেস্ট করানো হলেও বাকি ছিলো আমির খানের মায়ের।  মঙ্গলবার  মাকে টেস্ট করাতে নিয়ে গিয়েছেন  এ অভিনেতা। 

টুইটারে আমির খান লেখেন, সবাইকে জানাতে চাইছি, আমার বাড়ির বেশ কয়েকজন কর্মীর করোনা ভাইরাস পজিটিভ। তাদেরকে দ্রুত কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে।  বাকিদের সবার করোনা নেগেটিভ এসেছে। এখন আমি আমার মাকে পরীক্ষা করতে নিয়ে যাচ্ছি। তিনিই একমাত্র পরীক্ষা করা থেকে বাদ ছিলেন। সবাই দোয়া করবেন, যেনো মায়ের রেজাল্ট নেগেটিভ আসে।

পাশাপাশি মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও মেডিক্যাল কর্মকর্তাদের আমির ধন্যবাদ জানিয়েছেন। যত্ন নিয়ে সকলের করোনা পরীক্ষা ও দেখভালের জন্য। 

অবসর ভেঙে ফুটবলে ফিরছেন রোবেন

0

পুরোপুরি এক বছর হলো সব ধরণের ফুটবল থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন নেদারল্যান্ডসের তারকা উইঙ্গার আরিয়েন রোবেন। গত বছরের জুনে তিনি অবসর নিয়েছিলেন। পেশাদার ফুটবলারদের জন্য সময়টা কম নয়। ফিটনেস পক্ষে কথা বলে না। ৩৬ বছর বয়সী রোবেনের জন্য সেটা আরও কঠিন।

কিন্তু তার প্রথম ক্লাব বিপদে। নতুন মিশন নিয়ে রোবেন তাই আবার ফুটবলে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন। আরিয়েন রোবেন অসাধারণ এক ক্যারিয়ার পার করেছেন।

বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছেন। ক্লাব ফুটবল মাতিয়েছেন চেলসি, রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে। ক্লাব ক্যারিয়ারে জিতেছেন ২০টি শিরোপা। কিন্তু রোবেনের হৃদয়ে গেঁথে আছে প্রথম ক্লাব গ্রোনিনজেন।

তার ওই বাল্যকালের ক্লাব এখন বিপদে। করোনায় তারা আর্থিক সংকটে পড়েছে। রোবেন তাই বাড়িয়ে দিয়েছেন হাত। আবার তিনি পেশাদার ফুটবল শুরু করবেন নিজের প্রথম ওই ক্লাবের হয়ে। বিষয়টি এক ভিডিও বার্তায় নিশ্চত করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, গ্রোনিনজেনের যুব একাডেমিতে ১২ বছর বয়সে খেলা শুরু করি। ১৬ বছর বয়সে আমার অভিষেক হয়। দু’বছর সেখানে কাটিয়ে আসি পিএসভিতে। এরপর আরও ১৮ বছর বিভিন্ন ক্লাবে অসাধারণ সময় কাটিয়েছে। এবার আবার ঘরে ফিরছি। ঘরে ফিরছি সংকটের এই সময়ে। সবাই ক্লাবকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করছেন। আমিও কিছু একটা করার কথা ভেবিছি।

চিন্তা করেছি কী করা যায়। গেল সপ্তাহে ক্লাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমার অনেক আলাপ হয়েছে। তবে বড় কথা হলো ভক্তরা আমাকে চাইছেন। তারা বলেছেন, “আরিয়েন তোমার হৃদয়ের ডাক শোনো।” আমি তাই আবার গ্রোনিনজনের ফুটবলার হয়ে ফিরছি। এটা আমার নতুন মিশন। কাজটা শরীরের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে সেটা আমি গ্রহণ করছি। নতুন মৌসুমের শুরুতেই ক্লাবের সঙ্গে আমি অনুশীলনে ফিরবো।’

বার্সেলোনা এখন ‘বুড়োদের’ দল!

0

ব্রাজিলের ২৪ বছর বয়সী মিডফিল্ডার আর্থার মেলোকে জুভেন্টাসের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে বার্সেলোনা। তার বিনিময়ে ওল্ড লেডিদের থেকে ৩০ বছর বসয়ী পিয়ানিচকে দলে ভিড়িয়েছে কাতালানরা। লাভ করেছে ১০ মিলিয়ন ইউরো। সঙ্গে বার্সা ‘বুড়ো’ ফুটবলারদের পাল্লাও ভারি করেছে।

বার্সেলোনার বর্তমান শুরুর একাদশের অধিকাংশ ফুটবলারের বয়স ৩০ বছরের ওপরে। এছাড়া ৩০ বছরের নিচে যারা আছেন তাদেরও অনেকেই ২৮-২৯ এর ঘরে। বার্সেলোনার রক্ষণের দুই ফুটবলার জেরার্ড পিকে ও জর্ডি আলবার বয়সে যথাক্রমে ৩৩ ও ৩১ বছর।

মিডফিল্ডে আছেন আর্তুরো ভিদাল (৩৩), সার্জিও বুসকেটস (৩১), ইভান রাকিটিচ (৩২) ও নতুন আসা পিয়ানিচ (৩০)। তাদের সবার বয়স ৩০ বছরের ওপরে। তরুণ কেবল ফ্রাঙ্ক ডি জং ও রিকি পুইগ। আক্রমণের দুই প্রাণ ভোমরা লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজের বয়সও ৩৩ বছর করে।

গোলরক্ষক হিসেবে মার্ক টের স্টেগেনের (২৮) বয়স ঠিক আছে। তবে আক্রমণের আরও দুই ফুটবলার অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান (২৯) ও ব্রাথওয়েটকে (২৯) তরুণ বলার উপায় নেই। বরং আগামী মৌসুমেই তারা ঢুকবেন ত্রিশের ঘরে। আক্রমণে তরুণের কাতারে থাকা কুতিনহো (২৮) এবং ওসমান ডেম্বেলের (২৩) চুক্তি থেকে বার্সা তেমন লাভ পায়নি।

সব মিলিয়ে বার্সা এখন বুড়োদের দলে পরিণত হয়েছে। তাদের ভবিষ্যত ভরসা এখন পুইগ, ডি জং, আনসু ফাতি, লেংলেটদের মতো তরুণরা। তবে লা লিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগে আগামী মৌসুমে লড়াই করতে হলে তাদের আনতে হবে আরও কিছু তরুণ ফুটবলার। বার্সা অবশ্য সেই চেষ্টাই করছে। আর্থার মেলোদের বিক্রি করে, কুতিনহো, ভিদাল, রাকিটিচ-সেমেদোদের বাজারে তুলে সেই চেষ্টাই করছে তারা।

হরভজনের যে নতুন ক্ষোভ চীনের ওপর

0

গেল ডিসেম্বরে চীনের উহানে উৎপত্তি হওয়া করোনাভাইরাসে কুপোকাত গোটা বিশ্ব।

সেই ভাইরাসের ছোবলে আমেরিকা, ব্রাজিল আর রাশিয়ার পর সবচেয়ে বেশি ধরাশায়ী দেশ ভারত।

এমন পরিস্থিতিতে ‘জি৪ ইএ এইচ১এন১’ নামক ভাইরাসের অশনিসংকেত বাজছে সেই চীন থেকেই। শুকর থেকে যেটি মানুষের শরীরে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।

বিষয়টিকে করোনার মতো আরেকটি মহামারি হিসাবে উল্লেখ্য করে চীনের ওপর নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন ভারতের সাবেক স্পিনার হরভজন সিং।

ভারতের সাবেক এই অফস্পিনার মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের টুইট শেয়ার করে নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘যখন পুরো বিশ্ব কোভিড ১৯ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। চীন আমাদের জন্য আরেকটি ভাইরাস প্রস্তুত করে ফেলেছে।’

মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে ইরানে

কোভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করছে ইরান। এ ঘোষণা দিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, করোনাভাইরাসের মহামারী কার্যকরভাবে মোকাবেলায় যেসব জায়গাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বলে ঘোষণা করা হবে, সেসব স্থানে ৫ জুলাই থেকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। যেসব জায়গায় জনসমাগম বেশি হয়, সেখানে অবশ্যই মাস্ক পরে যেতে হবে।

রোববার রাজধানী তেহরানের করোনাভাইরাস প্রতিরোধবিষয়ক সদর দফতরে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট রুহানি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই আমি বলছি যে, আমাদের দীর্ঘদিন ধরে করোনাভাইরাসের সঙ্গে বসবাস করার মতো অবস্থা তৈরি করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে এই ভাইরাস প্রতিরোধ করার প্রধান উপায়। তাই লোকজনকে সেটি মানতে হবে।

রুহানি বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধের দ্বিতীয় উপায় হচ্ছে মাস্ক পরা। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং আগামী ৫ জুলাই থেকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হবে। তিনি বলেন, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোকে রেড জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং সবাইকে সংশ্লিষ্ট দিকনির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে সর্বপ্রথম করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে বিশ্বের যেসব দেশে মারাত্মকভাবে আঘাত হানে এই ভাইরাস, ইরান তার অন্যতম। দেশটিতে বহু মানুষ আক্রান্ত হয়েছিল, সেই তুলনায় মৃত্যু ছিল খুবই কম। ইরান সফলভাবেই করোনা মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়।