Wednesday, April 1, 2026
Home Blog Page 151

মাসজিদুল হারাম ও মাসজিদুন নববীর এক চমকপ্রদ ইতিহাস

0

হজ্জ কিংবা উমরাহ করতে যাঁরা মক্কায় হারাম শরীফে গিয়েছেন, তাঁরা সবাই নিশ্চয়ই একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছেন- চামড়া পোড়ানো প্রখর রোদে খোলা আকাশের নিচে কাবার চারপাশে তাওয়াফ করার সময় পায়ের তলাটা পুড়ে যায় না, বরং বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়।

কারণ, এর নেপথ্যে রয়েছে এক চমকপ্রদ ইতিহাস।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল (১৯০৮-২০০৮) একজন মিশরীয় প্রকৌশলী ও স্থপতি; লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। মিশরের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন প্রথম সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষার্থী- যিনি হাইস্কুল শেষে ‘রয়েল স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং’-এ ভর্তি হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ইউরোপে পাঠানো ছাত্রদের ভেতরেও তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ, ইসলামি আর্কিটেকচার-এর ওপর তিনটি ডক্টরেট ডিগ্রিপ্রাপ্ত প্রথম মিশরীয় প্রকৌশলী।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল প্রথম প্রকৌশলী- যিনি হারামাইন (মক্কা-মদিনা) সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ভার নিজের কাঁধে তুলে নেন। এই সুবিশাল কর্মযজ্ঞ তত্ত্বাবধান করার জন্য সৌদি বাদশাহ ফাহাদ এবং বিন লাদেন গ্রুপের সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও তিনি কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ করেননি; মোটা অংকের চেক উনি ফিরিয়ে দেন! তাঁর সততা ও কাজের প্রতি আন্তরিকতা তাঁকে বাদশাহ ফাহাদ, বাদশাহ আব্দুল্লাহসহ সকলের প্রিয়পাত্র ও বিশেষ আস্থাভাজন করে তোলে।

তিনি বাকার বিন লাদেনকে বলেছিলেন, এই দু’টি পবিত্র মসজিদের কাজের জন্য পারিশ্রমিক নিলে শেষ বিচারের দিনে আমি কোন মুখে আল্লাহর সামনে গিয়ে দাঁড়াবো?

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ৪৪ বছর বয়সে বিয়ে করেন। তাঁর স্ত্রী সন্তান জন্ম দিয়ে মারা যান। এরপর তিনি আর বিয়ে করেননি। মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর পুরোটা জীবন আল্লাহর ঘর রক্ষণাবেক্ষণে উৎসর্গ করেন। অর্থ-বিত্ত, খ্যাতি-যশ, মিডিয়ার লাইম লাইট থেকে দূরে সরে থেকে তিনি তাঁর ১০০ বছরের জীবনের পুরোটা সময় মক্কা ও মদীনার দুই মসজিদের সেবায় বিনিয়োগ করে গেছেন।

মক্কা-মদিনার হারাম শরীফের মার্বেলের কাজের সঙ্গে উনার জীবনের একটি বিস্ময়কর ঘটনা রয়েছে। উনি চেয়েছিলেন- মাসজিদুল হারামের মেঝে তাওয়াফকারীদের জন্য এমন মার্বেল দিয়ে আচ্ছাদিত করে দিতে- যার বিশেষ তাপ শোষণ ক্ষমতা রয়েছে। এই বিশেষ ধরনের মার্বেল সহজলভ্য ছিল না। এই ধরনের মার্বেল ছিল পুরো পৃথিবীতে কেবলমাত্র গ্রিসের ছোট্ট একটি পাহাড়ে।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল গ্রিসে গিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে মার্বেল কেনার চুক্তিস্বাক্ষর করে মক্কায় ফিরে এলেন এবং সাদা মার্বেলের মজুদও চলে এলো। যথাসময়ে বিশেষ নকশায় মাসজিদুল হারামের মেঝের সাদা মার্বেলের কাজ সম্পন্ন হলো।

এর ঠিক ১৫ বছর পরে সৌদি সরকার তাঁকে মাসজিদুন নব্বীর চারদিকের চত্বরও একইভাবে সাদা মার্বেল দিয়ে ঢেকে দিতে বললেন। কিন্তু ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল দিশেহারা বোধ করলেন! কেননা ওই বিশেষ ধরনের মার্বেল কেবলমাত্র গ্রিসের ওই ছোট্ট জায়গা বাদে গোটা পৃথিবীর কোথাও পাওয়া যায় না এবং সেখানে যতটুকু ছিল, তার অর্ধেক ইতোমধ্যেই কিনে মক্কার হারাম শরীফে কাজে লাগানো হয়ে গেছে। যেটুকু মার্বেল অবশিষ্ট ছিল- সেটা মাসজিদুন নব্বীর প্রশস্ত চত্বরের তুলনায় সামান্য!

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল আবার গ্রিসে গেলেন। সেই কোম্পানির সি.ই.ও-র সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন, ওই পাহাড় আর কতটুকু অবশিষ্ট আছে? সি.ই.ও জানালেন, ১৫ বছর আগে উনি কেনার পরপরই পাহাড়ের বাকি অংশটুকুও বিক্রি হয়ে যায়! এই কথা শুনে তিনি এতটাই বিমর্ষ হলেন যে, তাঁর কফি পর্যন্ত শেষ করতে পারলেন না! সিদ্ধান্ত নিলেন- পরের ফ্লাইটেই মক্কায় ফিরে যাবেন। অফিস ছেড়ে বেরিয়ে আসার আগে কী মনে করে যেন অফিস সেক্রেটারির কাছে গিয়ে সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা জানতে চাইলেন- যিনি বাকি মার্বেল কিনেছিলেন।

যদিও এটা অনেক দুরূহ কাজ, তবু কামালের পুনঃপুন অনুরোধে সে পুরোনো রেকর্ড চেক করে জানাবে বলে কথা দিলো। নিজের নাম এবং ফোন নম্বর রেখে বেরিয়ে আসার সময় কামাল মনে মনে ভাবলেন- কে কিনেছে, ১৫ বছর পরে তা জেনেই-বা আর লাভ কী?
পরদিন এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে অফিস সেক্রেটারি ফোনে জানাল, সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা খুঁজে পাওয়া গেছে! কামাল ধীর গতিতে অফিসের দিকে যেতে যেতে ভাবলেন- ঠিকানা পেয়েই-বা লাভ কী? মাঝে তো অনেকগুলো বছর পেরিয়ে গেছে…।
অফিসে পৌঁছলে সেক্রেটারি তাঁকে ওই ক্রেতার নাম-ঠিকানা দিলেন। ঠিকানা হাতে নিয়ে ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইলের হৃদ্স্পন্দন বেড়ে গেল, যখন তিনি দেখলেন- বাকি মার্বেলের ক্রেতা একটি সৌদি কোম্পানি!

কামাল সেদিনই সৌদি আরব ফিরে গেলেন। সেখানে পৌঁছে তিনি কোম্পানির ডিরেক্টর এডমিন-এর সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন- মার্বেলগুলো দিয়ে তাঁরা কী করেছেন, যা অনেক বছর আগে গ্রিস থেকে কিনেছিলেন?

ডিরেক্টর এডমিন প্রথমে কিছুই মনে করতে পারলেন না। কোম্পানির স্টক রুমে যোগাযোগ করে জানতে চাইলেন- ১৫ বছর আগে গ্রিস থেকে আনা সাদা মার্বেলগুলো দিয়ে কী করা হয়েছিল? তারা খোঁজ করে জানাল- সেই সাদা মার্বেল পুরোটাই স্টকে পড়ে আছে, কোথাও ব্যবহার করা হয়নি!

এই কথা শুনে কামাল শিশুর মতো ফোঁপাতে শুরু করলেন। কান্নার কারণ জানতে চাইলে তিনি পুরো ঘটনা কোম্পানির মালিককে খুলে বললেন। ড. কামাল ওই কোম্পানিকে সৌদি সরকারের পক্ষে একটি ব্লাংক চেক দিয়ে ইচ্ছেমতো অংক বসিয়ে নিতে বললেন।

কিন্তু কোম্পানির মালিক যখন জানতে পারলেন- এই সাদা মার্বেলে রাসূল (সা.)-এর মসজিদ চত্বর বাঁধানোর জন্য ব্যবহৃত হবে, তৎক্ষণাৎ তিনি এর বিনিময় মূল্য নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, আল্লাহ্ সুবহানুতায়ালা আমাকে দিয়ে এটা কিনিয়েছিলেন আবার তিনিই আমাকে এর কথা ভুলিয়ে দিয়েছেন; কেননা এই মার্বেল রাসূল (সা.)-এর মসজিদের উদ্দেশ্যেই এসেছে।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

স্বাধীনতার ৫০ বছরেরও স্বীকৃতি মেলেনি গোপালগঞ্জের তারাকান্দর গণহত্যার

0

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাজাকার-আলবদরদের সহযোগীতায় পাকিস্থানী বাহিনী গণহত্যা শুরু করেছিলো ২৫ মার্চের কাল রাত থেকে। সেই থেকেই বাংলাদেশের একেকটি জনপদকে বধ্যভূমিতে পরিণত করেছে পাকিস্থানী বাহিনী ও তাদের দোসররা। আর তেমনি একটি গণহত্যা হয়েছিল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের তারকান্দর গ্রামে।

বাংলা মাসের ১৯ জৈষ্ঠ্য (২ জুন) এদিন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার তারাকান্দর গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা মিলে তারাকান্দর গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে গণ-কবর দিয়েছিল।

কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও স্বীকৃতি না মেলায় তারাকান্দর গণহত্যা রয়েছে লোক চক্ষুর অড়ালে। তাই স্বাধীনতার এত বছর পরও এই গণহত্যার ইতিহাস অজানা থেকে গেছে সবার কাছে। ঠাঁয় হয়নি ইতিহাসের পাতায় তারাকান্দরে গণহত্যার।

এমনকি, স্বাধীনতার ৫০ বছরের এখানে নির্মিত হয়নি কোন স্মৃতিফলক। দিবসটি উদযাপনে নেয়া হয় না কোন উদ্যোগ। শুধু স্বজনহারা মানুষেরা চোখের পানি ফেলে নিহতদের স্মরণ করেন। শহীদদের নামের তালিকা দিয়ে ওই স্থানে একটি স্মৃতিফলক নির্মানের দাবী জানিয়েছে নিহত ও আহতদের স্বজনেরা।

তারাকান্দর গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ১৯৭১ সালের ১৯ জৈষ্ঠের (০২ জুন) সকালটা ছিল অন্যান্য দিনের মতো শুভ্র। কিন্তু, দিনের বাকীটা সময় যে রক্তের হলিখেলায় শুভ্র সকালটা রক্তবরণ ধারন করবে তা বুঝতে পারেনি সেই গ্রামের মানুষ।

এদিন কোটালীপাড়া থানা থেকে তিনটি গান বোটে করে ঘাঘর নদী দিয়ে ১১জন পাকিস্তানী সেনা গোপালপুর আসে। সেখানে পাকিস্তানের পতাকা উড়িয়ে অপেক্ষা করছিল স্থানীয় দোসর রাজাকার। এরপরই স্থানীয় দোসর রাজাকারদের সহযোগীতায় হিন্দু প্রধান এলাকা তারাকান্দর গ্রামে এসে শুরু করে হত্যাযজ্ঞ।

এসময় মুক্তিকামী মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুললেও পাক বাহিনীর ভারী অস্ত্রের সামনে টিকতে না পেরে পিছু হটতে বাধ্য হয়। আশ্রয় নেয় ডোবায়, ঝোপঝাড়ে, পুকুরের কচুরিপানার মধ্যে। স্থানীয় রাজাকার ও আলবদররা পাকিস্তানি বাহিনীকে সাথে নিয়ে তারাকান্দর গ্রামের ঢুকে বিভিন্ন বাড়ী ঘরে লুটপাট চালিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে দুই শতাধিক মানুষকে হত্যা করে ফেলে রেখে চলে যায়।

সকাল থেকে শুরু হয়ে এ হত্যাযজ্ঞ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এ হত্যাকান্ডে পরিচয় পাওয়া রাধিকা বৈদ্য, বিশ্বনাথ বৈদ্যর স্ত্রী পরিষ্কার বৈদ্য এবং তার দুই মেয়ে, পচু মণ্ডলের স্ত্রী, কুটিশ্বর মণ্ডল, লক্ষ্মণ বিশ্বাস, দীনেশ হালদার, পোকাই, কালু বালা, বিমল ঢালীর মা, মহেন্দ্র বৈদ্য, তার স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে এবং রাজেশ বাড়ৈর স্ত্রীসহ শিশু-নারী এবং নাম না জানা বহু মানুষকে তারাকান্দর বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। মাঠে ও পুকুর পাড়ে পরে থাকে সারি সারি লাশ।

এদিকে, স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও স্বীকৃতি মেলেনি তারকান্দর গণহত্যার। এমনকি দিবসটি পালন করা তো দূরের কথা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে নির্মান হয়নি কোন স্মৃতিফলক।

পাকিস্থানী হানাদারদের সেই নির্মম নৃশংসতার সাক্ষী মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যাওয়া নটবর রায় (৭৫) বলেন, পাকিস্থানী সেনা ও রাজাকারদের তাড়া খেয়ে ওইদিন একটি কচুরিপানা ভর্তি ডোবার মধ্যে আশ্রয় নিয়েছিলাম। আমাদের বাড়ির সামনে পুকুরের পাশের একটা ডোবার মধ্যে পালিয়েছিল নয়জন। তাদের কাউকে গুলি করে, কাউকে কুপিয়ে, চোখ তুলে নানাভাবে নির্যাতন করে হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা। পাকিস্থানী সেনারা এই গ্রামের নিরীহ নারী-পুরুষ ও শিশুকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছিলো। নিজেকে কোন রকমে বাঁচাতে পেরেছিলাম। পাকিস্থানী সেনাবাহিনী চলে যাবার পর উপরে উঠে আসি তখন দেখি সারি সারি লাশের স্তুপ। সেই ভয়াল দৃশ্যের কথা এখনো মনে পড়লে আঁতকে উঠি।

তারাকান্দর গ্রামের ৬৫ বছরের বৃদ্ধা সবিতা রানী রায় বলেন, পাকিস্থানী বাহিনী যখন এ গ্রামে হত্যাযজ্ঞ চালায় তখন আমার বিয়ে হয়নি। প্রাণ বাঁচাতে বাবার সাথে খাল ঝাঁপিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলাম। পরে আমার বিয়ে হলে এখানে ফিরে আছি। তখন পুকুর, খাল ও ডোবার মধ্যে সারি সারি মাথার খুলি, হাড়-গোড পড়েছিলো।

একই গ্রামের রমেশ রায় বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও তারাকান্দর গণহত্যার কোন স্বীকৃতি মেলেনি। এমন কি এখানে কোন স্মৃতিফলকও নির্মাণ হয়নি। এ কারনে আমার শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারি না। এমনকি নতুন প্রজন্মও এ গণহত্যার সঠিক ইতিহাস জানতে পারছে না। আমরা চাই এ গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়ে এখানে একটি স্মৃতিফলক নির্মাণ করা হোক।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম মাহফুজুর রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ধরতে রাখতে আমাদের বদ্ধভূমিগুলো সংরক্ষণ করা দরকার। নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরতে এসব বদ্ধভূমি বা স্মৃতি সংরক্ষণ অত্যাবশ্যকীয়। ইতিমধ্যে তারাকান্দর বদ্ধভূমিটি সংরক্ষনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করি দ্রুত বদ্ধভূমিটি সংরক্ষণ করা হবে।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

দল বাড়ছে ক্রিকেট বিশ্বকাপে

আইসিসির সর্বশেষ বোর্ডসভায় ওয়ানডে ও টি-২০ বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।এফটিপির পরবর্তী চক্রে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে অংশ নিতে ১৪ দলকে অনুমোদন দিলো আইসিসি।

জানা গেছে, ২০২৭ বিশ্বকাপ থেকে ১৪টি দল অংশ নেবে। ম্যাচ হবে ৫৪টি। অতীতে টি-২০ বিশ্বকাপে ১৬টি দল অংশ নিলেও ২০২৪ সাল থেকে ২০টি দল অংশ নেবে। প্রতি আসরে ৫৫টি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ২০২৩ সালে। এই বিশ্বকাপে খেলবে ১০টি দল। ১০ দল নিয়ে এটাই হবে শেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ২০২১ ও ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগের মতো ১৬টি দল অংশ নেবে।

এনেইচ২৪/জেএস/২০২১

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো মিছিলে হামলা

0

লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরের মেঘনাতীর রক্ষা বাঁধ প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী পরিষদের কমিটি (একনেক) সভায় অনুমোদন দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে রামগতি কমলনগর বাঁচাও মঞ্চ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ আনন্দ মিছিলে হামলা করে স্থানীয় আ’লীগ কর্মীরা। হামলায় আহত হয়েছেন বাঁচাও মঞ্চের ৫ জন কর্মী।

অভিযোগ উঠে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি নুরুল আমিন মাস্টারের নেতৃত্বে এ হামলা চালান উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রাজু ও চর ফলকন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন বাঘা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রধানমন্ত্রী, পানি সম্পদ মন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদের ছবি সম্বলিত ব্যানারে মিছিল বের করলে আ’লীগ কর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। আ’লীগ কর্মীরা এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে।

মঞ্চের আহবায়ক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট আব্দুস সাত্তার পালোয়ান বলেন, মেঘনার ভাঙন থেকে রামগতি-কমলনগর রক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একনেকে যে প্রকল্প পাস করেছেন, তাতে আমরা আনন্দিত । তার ধারাবাহিকতায় মঞ্চের পক্ষ থেকে আমরা সন্ধ্যায় আনন্দ মিছিল করতে বের হয়েছি।

মিছিলে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অতিথি ছিলেন। অথচ তারা আমাদের মিছিলে না উপস্থিত হয় উল্টো মিছিলে হামলা করেছে। এ সময় আমাকে রক্ষার জন্য মঞ্চের কর্মীরা চেষ্টা করতে গেলে ৫জন আহত হন। মঞ্চের পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই৷

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোছলেহ উদ্দিন এ প্রসঙ্গে বলেন, আওয়ামীলীগ কর্মীরা মিছিল করছিল। এ সময় পাশে কমলনগর-রামগতি বাঁচাও মঞ্চের কর্মীরা ব্যানার নিয়ে অপেক্ষা করছে মিছিল করার জন্য।

আ’লীগ কর্মীরা মঞ্চের কর্মীদের মিছিলে আহবান করলে তারা ভিন্ন মিছিল করবে বলে জানায়৷ এরপর ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আ ইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

ভারত ফেরত কিশোরীর মামলার পর সাতক্ষীরা থেকে গ্রেপ্তার ৩

0

ভারতে পাচার হয়ে নির্যাতনের শিকার এক কিশোরীর মামলার পর নারী পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতক্ষীরা থেকে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ থেকে বুধবার সকালে এক বার্তা পাঠিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিস্তারিত পরে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

বার্তায় বলা হয়, ভারতে পাচার হওয়া এক কিশোরী ৩ মাস নির্যাতনের ও বন্দিদশা থেকে পালিয়ে দেশে ফিরে হাতিরঝিল থানায় মামলা করার পর ওই ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই তিন জনের একজন একহাজার নারী পাচার করেছে।

ভারতের বেঙ্গালুরুতে সম্প্রতি বাংলাদেশের ২২ বছরের এক তরুণীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হয়।

ওই ঘটনায় ভারতের বেঙ্গালুরু পুলিশ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে টিকটক হৃদয় বাবুসহ দুজন পালানোর সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে তারা সবাই বাংলাদেশি।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

আফগানিস্তানের কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ১০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে মঙ্গলবার পৃথক দুটি বোমা হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১২ জন।

এখানেই হতাহতের ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অন্য হামলাটি হয় উত্তর কাবুলে। যেখানে কোন প্রাণহানি হয়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানকার বৈদ্যুতিক গ্রিড।

দেশটির হাজারা জাতিগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে প্রথম বোমা হামলাটি চালানো হয়। হামলাটি হয় হাজারা নেতা মোহাম্মদ মোহাকিক এর বাড়ির কাছে একটি শিয়া মসজিদের সামনে।

বেশিরভাগ হাজারা জনগোষ্ঠীই শিয়া মতের অনুসারী। তবে দ্বিতীয় হামলাটির কারণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানায় আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে এখন পর্যন্ত এ হামলায় দায় স্বীকার করেনি কেউ।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

৬ লাখ কোটি টাকার বাজেট অধিবেশন বসছে বিকেলে

২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য বুধবার বিকেলে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। করোনা পরিস্থিতির কারণে গতবারের মতো এবারও অধিবেশন হবে সংক্ষিপ্ত।

জানা যায়, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যাবতীয় প্রস্তুতিসহ সার্বিক পরিকল্পনা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি কার্যদিবসে উপস্থিতি সংখ্যা ১০০-১২০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে। এক্ষেত্রে একজন সংসদ সদস্য ৩-৪ কার্যদিবস অধিবেশনে যোগ দেবেন।

যোগদানের জন্য তাদের করোনা নেগেটিভ সনদ থাকা বাধ্যতামূলক। একদিন করোনার টেস্টের নেগেটিভ ফলাফলের ভিত্তিতে পরপর দুদিন অধিবেশনে যোগ দেওয়া যাবে। ফলে সংসদে যোগদানের জন্য সংসদ সদস্যদের একাধিকবার নমুনা পরীক্ষার প্রয়োজন পড়বে।

বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তারা জানান, বিশাল আকারের এই বাজেটে সর্বাধিক গুরুত্ব পাবে মানুষের জীবন ও জীবিকা। জোর দেওয়া হবে স্বাস্থ্য খাতে। করোনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত সবার জন্য কিছু না কিছু দেওয়ার চেষ্টা করবেন অর্থমন্ত্রী।

কর্মকর্তারা আরও জানান, আসছে বাজেটের মোট আকার হতে পারে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার। বাজেটে মোট আয় ৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। সামগ্রিক ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ২ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা।

মানুষের হাতে টাকার সরবরাহ বাড়াতে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি বেসরকারি খাতেও বিনিয়োগ টানার চেষ্টা থাকবে বছর জুড়েই। এ জন্য বাজেটে মোট উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ কোটি টাকা।

এরমধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা ধরা হচ্ছে। আর মোট অনুন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হবে প্রায় ৯৮ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংক ঋণ নেওয়া হবে ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা।

কর্মকর্তারা আরও জানান, বাজেট প্রস্তাব উত্থাপনের পর ২ দিন বিরতি দিয়ে ৬ জুন থেকে বাজেট আলোচনা শুরু হবে। সোমবার (৭ জুন) সম্পূরক বাজেট পাসের পর অধিবেশন আবারও মুলতবি করা হবে।

এরপর টানা ৬ দিন বিরতি দিয়ে আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা ১৪ জুন শুরু হবে। এ আলোচনা চলবে ১৫, ১৬, ১৭ ও ২৮ জুন। সাধারণ আলোচনা শেষে ২৯ জুন অর্থবিল এবং ৩০ জুন মূল বাজেট ও নির্দিষ্টকরণ বিল পাস হবে। পরদিন পহেলা জুলাই বাজেট অধিবেশন শেষ হবে।

নতুন বছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর মাত্র পাঁচ দিন আলোচনা হবে। আলোচনায় নির্ধারিত সংখ্যক সরকার ও বিরোধী দলের সদস্য অংশ নেবেন। পুরো বাজেট পাসের প্রক্রিয়া ব্যয় হবে ১০ দিন। অধিবেশনে বাজেট ছাড়াও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের সম্ভাবনা রয়েছে।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

গোপালগঞ্জে গ্রাম্য ডাক্তারকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

0

গোপালগঞ্জে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে সন্তোষ বিশ্বাস নামে এক গ্রাম্য ডাক্তারের গলা কেটে হত্যা চেষ্টা করেছে শংকর পাটোয়ারী নামে এক বখাটে যুবক। এ ঘটনায় ওই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

আহত সন্তোষ বিশ্বাস সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের সতীশ বিশ্বাসের ছেলে। সে পেশায় একজন গ্রাম্য ডাক্তার। গ্রেপ্তারকৃত বখাটে যুবক শংকর পাটোয়ারী এই গ্রামের স্বপন পাটোয়ারীর ছেলে।

ওসি জানান, প্রতিবেশী স্বপন পাটোয়ারীর বখাটে ছেলে শংকর পাটোয়ারী সন্তোষ বিশ্বাসের গাছের আম পাড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র্র করে সে (সন্তোষ বিশ্বাস) শংকর পাটারীকে গালমন্দ করেন।

এ ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার গভীর রাতে শংকর পাটোয়ারী ঔষধ নেয়ার কথা বলে ওই গ্রাম্য ডাক্তারের বাড়ীতে এসে তাকে ডাক দিলে তিনি দরজা খুলে দেন। এ সময় শংকর পাটারী ধারালো ছুরি দিয়ে তার গলায় কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে এলাকাবাসী আহত সন্তোষ বিশ্বাসকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ওই বখাটে যুবক শংকর পাটোরীকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।

আহত সন্তোষ বিশ্বাস বলেন, রাতে ঔষধ নিয়ে দরজায় নক করে শংকর পাটোয়ারী। এসময় দরজা খুলে সে ভিতরে প্রবেশ করে আমার গলায় চুরি দিয়ে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

রাজধানীর কালশীর বাউনিয়া বাঁধ বস্তিতে আগুন

0

রাজধানীর কালশী এলাকার বাউনিয়া বাঁধ বস্তিতে বুধবার (২ মে) দুপুরে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে ডিউটি অফিসার সঞ্জয় এ তথ‌্য নিশ্চিত করেছেন।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা নাসরীন সুলতানা জানান, কালশীর বাউনিয়া বাঁধ বস্তির একটি ঝাড়ুর গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এর আশেপাশে বেশ কয়েকটি বসত ঘর রয়েছে। আগুন যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে সে জন‌্য কাজ চলছে।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১

বঙ্গবন্ধুর ৪ খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব-পদক বাতিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

0

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের চার খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব ও পদক বাতিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

বুধবার (২ জুন) সচিবালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে যোগদানের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর চার খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব ও পদক বাতিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করলে আপনারা পাবেন। এর আগে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭২তম সভায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানসহ বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত ৪ খুনি শরিফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

তাদের খেতাব বাতিলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে জামুকার সদস্য ও সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছিল।

এনএইচ২৪/জেএস/২০২১