Thursday, April 9, 2026
Home Blog Page 127

লকডাউনে বন্ধ হয়ে গেল শাকিব খানের শুটিং

0

সম্প্রতিই ‘লিডার, আমিই বাংলাদেশ‘ নামের এক নতুন সিনামার শুটিং করছিলেন বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান।

সিনেমাটির পরিচালক তপু খান জানিয়েছে, সিনেমার শুটিং প্রায় ৭০ ভাগ শেষ হলেও বাকি কাজ লকডাউনের কারণে শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না।

যদিও শুটিংয়ের সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় কঠোর লকডাউনের ঘোষণা আসায় সিনেমার বাকি অংশের শুটিং অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এ প্রসঙ্গে তপু খানবলেন, ‘সর্বশেষ এফডিসিতে শুটিং করেছি। শাকিব ভাই নিজেই চাচ্ছিলেন দ্রুত কাজ শেষ করতে। কিন্তু চলমান পরিস্থিতিতে কাজ করা কতটুকু সম্ভব হবে বুঝতে পারছি না। যদিও শুটিং বন্ধের কোনো নির্দেশনা আমরা এখনও পাইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিনেমা হল যদি বন্ধ থাকে তাহলে সেটি আর সম্ভব হবে না। তারপরও আমরা কাজটি শেষ করে রাখতে চাচ্ছি।

চট্টগ্রামে সরকারি নিষেধাজ্ঞায় সাড়া দিয়েছেন সাধারণ মানুষ

0

মহামারি করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে সোমবার (২৮ জুন) থেকে শুরু হয়েছে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন। আর লকডাউনের প্রথমদিন সাধারণ মানুষ স্বপ্রণোদিত হয়েই সরকারি নিষেধাজ্ঞায় সাড়া দিয়েছেন।

প্রশাসনের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ ছাড়াই পুরোপুরি যানবাহন শূন‌্য হয়ে গেছে চট্টগ্রাম মহানগরী। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করলেও শহর জুড়ে কোথাও কোনো গণপরিবহন চলাচল করছে না।

নগরীর জিইসি মোড়ে দায়িত্ব পালন রত ট্রাফিক পুলিশের সদস্য সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘কোনো গণপরিবহন চলাচল করছে না, আমাদেরও অলস সময়। আমরা ট্রাফিক বক্সে বসে দায়িত্ব পালন করছি। শুধুমাত্র রিকশা আর কিছু ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করছে।’

অন্যদিকে, অফিস খোলা থাকায় রাস্তায় বের হয়ে গাড়ি না পাওয়ায় অনেককে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

লকডাউনের প্রথমদিনের পঞ্চগড়

0

মহামারি করোনার সংক্রমণ রোধে সারাদেশে চলছে সীমিত পরিসরের লকডাউন। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে ৩ দিনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

সোমবার (২৮ জুন) সকাল ৬টা থেকে ১ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত তিন দিনের বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে জেলা প্রশাসন। রোববার রাতে এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পঞ্চগড় জেলায় পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ব্যাতিত সকল গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে শপিংমল সহসকল ধরনের বিনোদন কেন্দ্র। আর হোটেল, রেস্তরাঁ ও খাবার দোকানগুলোতে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শুধু বিক্রি করা যাবে।

জেলা প্রশাসক জানান, আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা গেছে মগবাজারে বিস্ফোরণের কারণ

0

রবিবার (২৭ জুন) রাজধানীর মগবাজারে ভবনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর থেকেই উদ্ধার কাজ এবং বিস্ফোরণের কারণ জানার উদ্দ্যেশে করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস‌্যরা।

এ বিষয়ে বিষ্ফোরক অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ সোমবার (২৮ জুন) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ঘটনাস্থলে হাইড্রোকার্বনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ধরনের গ‌্যাস জমে এই বিস্ফোরণ হতে পারে। এটা কোনো সাধারণ বিস্ফোরণ নয়। শুধু গ্যাস লিকেজ থেকে এতো বড় বিস্ফোরণ অস্বাভাবিক।

অন্যদিকে, দুপুরে মগবাজার ওয়ারলেস গেটে বিস্ফোরিত এলাকা পরিদর্শন শেষে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, ‘বিস্ফোরিত এলাকায় মিথাইল গ্যাসের গন্ধ পাওয়া গেছে।

জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে কেউ বের হবেন না : আইজিপি

0

আমরা এখন মহামারি করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ মোকাবিলা করছি এবং করোনার আক্রমণটা এখন শীর্ষে আছে। আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে কেউ দয়া করে বের হবেন না। এমটাই বলেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

সোমবার (২৮ জুন) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে মগবাজার বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, কেউ যদি জরুরি প্রয়োজনে বের হন তাহলে অবশ্যই সীমিত সময়ের জন্য বের হবেন এবং সবাই অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন। মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশে করোনার যে অবস্থা হয়েছে তা আমাদের দেশে দেখতে চাই না। সেখানকার অভিজ্ঞতা আমরা সবাই জানি। সে কারণে দেশবাসীকে অনুরোধ করব সবাই ঘরে থাকবেন। বিনা প্রয়োজনে বেরোবেন না। বের হলে মাস্ক পরবেন এবং মাঠে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছে তাদেরকে সহয়তা করবেন।

জীবন কি-থেকে কি হয়ে যায় !

0

সদ্য নাবালক থেকে যখন বালকের পথে হাঁটতে শুরু করলাম, ঠিক তখনি মায়ের ইচ্ছেতে মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করিতে, আর সেজন্যই পাড়ি জমাতে হয় নানুদের বাড়িতে। নতুন জায়গায় অপরিচিত লোকজন খুব একাকি লাগতো, তবুও থেমে যায়নি পথচারীতে, সেই হাটা ৫/৬/৭/৮ এর গন্ডি পেরিয়ে হঠাৎ থমকে যাই !

কারণ আবেগের হাওয়া বইছিল অঙ্গে, সূর্য উদয়ের পূর্বের প্রার্থনা শেষে, অধ্যায়নের প্রস্তুতকালে স্নান করিবার জন্য রাস্তা ডিঙিয়ে জলসায় যাওয়া হত রোজ সকালে, পথিমধ্যে দেখা হতো এক মায়াবতী রূপসীর সাথে, মায়ের সাজে সজ্জিত হয়ে, এক মুষ্টি চুল রাবারে বন্দী, অঙ্গ কে আলিঙ্গন করে রেখেছিল স্কুল উনিফর্ম যাত্রা পাঠ্যশালায়।

অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে চাওয়া- যেন চোখের পলক থমকে গিয়েছে, যেন হ্যাভেন থেকে নেমে আসা নব ভূমিষ্ঠ এক আপ্সরা। মনের অনুভূতি প্রকাশ করিতে আমি ব্যাকুল হয়ে ছিলাম।

প্রকাশ করিবো বা কি করে, সেই সাহস হয়নি যে আমার, প্রতীক্ষায় চেয়ে রইলাম কি করে বলি মনের কথা, সময় যায়, দিন যায়। কিন্তু আমি সাহস সঞ্চয় করিতে পারিনি, মনের কথা জানান দিতে!

প্রতিনিয়ত কর্মশালায় মধ্যিখানে দেখা সেই পথে, কোন উপায় না পেয়ে প্রদান করিলাম সালাম, মুচকি হেসে চলে গিয়েছিল নিজের গন্তব্যের উদ্দেশে, কখনো পাইনি সালামের উত্তর, তবে সালামের প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠেছিল হাস্যজ্জল ঠোঁটে, দিন গিয়ে মাস পেরুলো, মাস গিয়ে বছর, কিন্তু রোজ আদান হতো আমার সালাম আর তাহার কখনো বিরক্ত – আবার কখনো হাসি, হয়তো সে বুজেছিল, আমার না বলা কথার বাণী, এইভাবে চলতে থাকে আমার নবম, দশম ,একাদশ, দ্বাদশ ।

দ্বাদশ পার করে চলে আসলাম নিজ গৃহে ! অপেক্ষা স্নাতকের গণ্ডি। আর অপেক্ষা করেছিলাম অপ্রত্যাশিত ভালোবাসার জন্য। সৃষ্টিকর্তা আমার মনের কথা শুনেওছিল । তাইতো স্নাতক এর শুরুতেই দেখা দিল সেই স্বপ্নের আপ্সরা, যাকে খুঁজে পেলাম ভার্চুয়াল জগতে।

বার্তা আদান-প্রদান চলতে থাকে মাসব্যাপী , সময়ের সাথে সাথে মনের আরজি প্রদান করি। অবশেষে প্রত্যাশার সুফল বয়ে আনলো, যেন পৃথিবীর সমস্ত সুখ এসে আমাকে বরণ করে নিল, অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা তাও যাকে বলতে পারিনি মনের কথা পরিশেষে সেই যদি হয় অধিকারের ব্যক্তিত্ব মনুষ্য।

আমি যে হই আনন্দে আত্মহারা, তাইতো মাতৃ গৃহে না গিয়ে চলে যাই তাহার সন্ধানে । ভালোবাসায় বর্ণের পর, প্রথম দেখা হয় বৃষ্টি উজ্জ্বল প্রকৃতির মাঝে, প্রথম দেখেই হেসেছিল তিনি, সেই হাসি বরণ করে নিয়েছিলাম আমি আর বৃষ্টি । প্রথম দেখাই প্রকৃতি বরণ করে নিয়েছিল আমাদের, প্রথম স্পর্শ যেন প্রকৃতির মিরাক্কেল। সেই অনুভূতি আজও অনুভব করি। কর্মব্যস্ততায় ফিরে এসেছি ব্যস্ত ইট-পাথরে দেশে।

কিন্তু মন তো মানে না সে সর্বদায় তাহার আলিঙ্গনে জড়িয়ে রেখেছিল নিজেকে! দেহখানি রোবটের মতন সজ্জিত ছিল আমার কর্মব্যস্ততায়। দিন গেল মাস পেরিয়ে, আবার চলতে শুরু করলাম তার খোঁজে।

অবশেষে সুখ এসে জড়িয়ে নিলো আমায়, তাহার হাসি উজ্জ্বল চেহারা ঐ চোখের চাহনি যেন ঘায়েল করে আমায়, প্রশান্তির নিঃশ্বাস চলো দু’তিন দিন, সেইসাথে বক্ষে জড়িয়ে নেওয়ার সৌভাগ্য হল অর্জন।

খানিক সময়ের জন্য উপলব্ধি করিতে পারলাম যেন এই বন্ধন আমার জন্য অপেক্ষায় চেয়েছিল। চলতে থাকে আমাদের ভালোবাসার দিনগুলি, দুজন দুজনের প্রেমে যেন অমর হয়ে গিয়েছি, তাহাকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে আমার উদাসীন মন! সে যেন স্থিরতা খুঁজে পাচ্ছেনা তাহাকে ছাড়া ।

পরিশেষে কেটে গেলো একটি বছর। সময়ের সাথে সাথে ভালোবাসার গভীরতা যেন আকাশচুম্বী, তাহার দীর্ঘ অনুপস্থিতে-চিন্তার ভাঁজ কপালে ভেসে ওঠে। যেন উন্মাদ হয়ে যায় তাহার খোঁজে, মোটেও সহ্য হত না তাহার দীর্ঘ অনুপস্থিতি, খানিকের অনুপস্থিতি উদাসীন করে তুলিত আমায়! একদিনের শব্দ ধ্বনি না শুনিলে, তন্দ্রায় বরণ করি তো না মোরে ! এইরকম কয়েক রাত কাটিয়েছি তাহার চিন্তায় ।

এত অরাজকতার পরেও চলিতে থাকে ভালোবাসা তাহার গতিতে , রাগ অভিমান সবকিছু ভুলে গিয়ে সে জড়িয়ে নিত তাহার ভালোবাসায় । কতশত বার এইরকম ভাঙ্গিয়ে ছিল মোর অভিমান! যেন ধৈর্যশীলতার মুকুট পরে জন্মেছিল। মন থেকে শ্রদ্ধা জানাই তোমার এই ধৈর্যশীলতা কে।

আর আমি তাহার ভালোবাসার পরশে পাগল প্রায়, এইভাবে কেটে যায় আরও একটি বছর । কোথায় যেন পড়েছি অতিরিক্ত ভালোবাসা কারণে, অনেকেই হয়েছে পাগল আবার অনেকের হয়েছে বিচ্ছেদ আমারও হয়েছিল ক্ষণিকের সমাপ্তি। আগুনে পুড়ে যেমন সোনা খাঁটি হয়, তেমনি ঝগড়ার পরে ভালবাসা মধুর হয় ….

ঝগড়া কখনো ভালোবাসা কে শেষ করতে পারে না বরং ভালোবাসাকে ভালো বাসতে শেখায়। আমারও তাই হয়েছিল। পারেনি থাকতে, তাইতো রাগ অভিমান ক্রোধ সকল কিছুর পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে ফিরে এসেছি তাঁরই কাছে। ভালোবাসার চাদরে আবার আবদ্ধ হলাম, দীর্ঘ থেকে দীর্ঘ হোক এই পথচলা !!

ফয়সাল আহমেদ আর্ণব
তোলারাম কলেজ নারায়ণগঞ্জ
অনার্স তৃতীয় বর্ষ (বাংলা বিভাগ)

বিশ্বে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আরও ৬ হাজার মানুষের মৃত্যু

সারাবিশ্বে গত ২৪ ঘন্টায় মহামারি করোনায় প্রাণ হারিয়েছে আরও প্রায় ৬ হাজার মানুষ। একই সময় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ লাখের বেশি মানুষের।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ‌্য মতে, সোমবার (২৮ জুন) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৮১৭ জন। আর এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৮ কোটি ১৮ লাখ ৬১ হাজার ২৬৮ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫ হাজার ৯৬০ জন। করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ লাখ ৯ হাজার ১৭৯ জনের। সারাবিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন ১৬ কোটি ৬৩ লাখ ৭৩ হাজার ৯৬২ জন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে।

মগবাজারে ভবন বিস্ফোরণের ঘটনায় চলছে আলামত সংগ্রহ

0

সোমবার (২৮ জুন) সকাল থেকেই মগবাজারে ভবন বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস‌্যরা।

দুর্ঘটনাকবলিত ভবনের চারপাশ ঘুরে ও ফায়ার সার্ভিসসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস‌্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে শর্মা হাউসের রান্নাঘর থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে। তবে তদন্তের পর কেন বিস্ফোরণ হলো তার আসল কারন বলা যাবে।

বিস্ফোরণে ভবনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের নিচতলায় অবস্থিত শর্মা হাউসটির ভেতরে আসবাবপত্রসহ স্থাপনার বিম বিধ্বস্ত হয়েছে। ভবনটির পেছনদিকে দোতলা ও নিচতলার অনেকাংশ ধসে পড়েছে। এখনো পর্যন্ত ভবনটির ধ্বংসস্তুপ একইভাবে রয়েছে। আলামত সংগ্রহের পর তা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে, বিস্ফোরণের সময় ওই সড়কের তিনটি বাসও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনটি বাসের প্রায় শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন।

বিস্ফোরণের কারণ তদন্তে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, র‌্যাব এর পাশাপাশি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সিআইডি, এনএসআই, এসবি এবং বোমা বিশেষজ্ঞ দল তদন্ত শুরু করেছে।

সাতক্ষীরায় করোনায় আরও ৭ জনের মৃত‌্যু

0

সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় প্রাণ হারিয়েছে আরও ৭ জন। নতুন আক্রান্ত হয়েছে ৪৪ জন।

সোমবার (২৮ জুন) সকালে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মানস কুমার মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডা. জয়ন্ত কুমার সরকার জানান, জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন মোট ৩২৮ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৬৬ জন।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৪৪ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩৮৩ জন।

খুলনায় করোনায় আরও ১১ জনের মৃত‌্যু

0

খুলনায় মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় প্রাণ হারিয়েছে আরও ১১ জন। নতুন আক্রান্ত হয়েছে ৩২৭ জন।

সোমবার (২৮ জুন) সকালে খুলনা করোনা ডেডিকেট হাসপাতাল ও গাজী মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্ররা এ তথ্য তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, খুলনা করোনা ডেডিকেট হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত ১৬৯ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এরমধ্যে রেড জোনে ৯৯ জন, ইয়ালো জোনে ২৫ জন, আইসিইউতে ১৯ জন এবং এইচডিইউতে ২০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪১জন।

অন্যদিকে, খুলনার গাজী মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত তার হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৯৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৬ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ জন। আইসিইউতে রয়েছেন চারজন আর এইচডিইউতে আছেন ৯ জন।