Friday, April 10, 2026
Home Blog Page 108

ফেনীতে সেনাবাহিনী দেখে জামাইকে রেখে পালালো সবাই

0

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নে সরকারের দেয়া ৭ দিনের কঠোর লকডাউনের বিধিনিষেধ অমান্য করে বিয়ে আয়োজনের সংবাদে সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে কনের বাড়িতে উপস্থিত হন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকির হোসেন।

রোববার (৪ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ওই ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর সদস্যদের দেখেই বরকে রেখে পালিয়ে যান অতিথিসহ বাড়ির লোকজন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, বিধিনিষেধ অমান্য করে ইউনিয়নের সফরপুর গ্রামের ছলিম উদ্দিন মুন্সি বাড়ির হেদায়েত উল্লাহর মেয়ের বিয়ের আয়োজন করা হয়। এই সংবাদ পেয়ে টহলরত সেনা সদস্যদের নিয়ে এসিল্যান্ড সেখানে অভিযান চালান।

এ সময় বিয়ে বাড়িতে সেনা সদস্যদের দেখে বরযাত্রী ও আগত অতিথিরা দিক-বিদিক ছুটোছুটি করে পালিয়ে যান। পরে স্বাস্থ্যবিধি না মানার দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে মেয়ের বাবার কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে স্বল্প পরিসরে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

রাজবাড়ি জেলার লুচির রেসেপি

লুচি কিন্তু অনেক জেলারই বিখ্যাত খাবার। তবে আমাদের রাজবাড়ী জেলার অতিথি আপ্যায়নে লুচির বেশ সমাদর। সকালের খাবার বা বিকালের জল খাবারেও পাওয়া যায় লুচির সাথে বাহারি সবজি বা মাংস। মিষ্টি জাতীয় খাবারের সাথেও লুচি খেতে বেশ মজাদার।

আসলে আমি নিজেও লুচির ভক্ত। লুচি সবজি আমার খুব পছন্দের একটা খাবার। লুচির সাথে পায়েস, রসমালাই, রসগোল্লার ঝোল দিয়ে খেতে মিষ্টি প্রেমীদের মন্দ লাগে না।

লুচি তৈরির রেসিপিঃ আটা বা ময়দা, চিনি, লবন, সয়াবিন তেল বা সরিষা তেল এবং পানি৷

শুরুতে ময়দা, সামান্য চিনি, সামান্য লবন ও একটু তেল দিয়ে ভালো করে ১০ মিনিট হাত দিয়ে মেখে নিতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত ময়দা হাতের মুঠোয় চাপ দিলে দলা না বাধে ততক্ষণ পর্যন্ত মাখতে হবে। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মেখে রুটির থেকে ছোট ডো এর মতো করতে হবে। ছোট ছোট ডো গুলো বেলে নিয়ে কড়াইয়ে গরম তেলে মিডিয়াম আঁচে ভাজতে হবে।

অবশ্যই ঢুবো তেলে ভাজতে হবে। আর এই ভাজার সময় কিছু টেকনিক আছে। তেলে দেওয়ার কয়েক সেকেন্ড পর চামচ বা খুন্তি দিয়ে লুচির উপর চাপ দিয়ে ভাজলে লুচি ছবির মতোই ফুলে উঠবে। এরপর গরম গরম পরিবেশন করতে হবে। লুচির সাথে খাসির কলিজা ভুনা, মুরগীর লটপটি, চিকেন চাপ, আবার নিরামিষ সবজি কারো কারো পছন্দ।

উদ্যেক্তা ও অনলাইন গ্রুপ

বর্তমান যুগ পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ্য ভাবে ই-কর্মাস এর উপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে ২০১৯ এর মহামারি করোনাভাইরাস দেশে যখন হানা দেয় তখন প্রায় সব কর্মক্ষেত্রই অনেকাংশে অচল হয়ে পড়ে। আর এই অচল মুর্হূতটাকে কাজে লাগিয়েছে তরুণ কিছু উদ্যেক্তরা এর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে নারী উদ্যেক্তা।

তবে এই পদক্ষেপটা হুট করে নেয়নি কেউ। কথায় আছে প্রত্যেকটা জিনিস ও কাজের পিছনেই থাকেন একজন কারিগর। আর এই উদ্যেক্তাদের সংষ্ক্রিয়তার পিছনেও রয়েছে একজন কারিগরের হাত। আর তিনি হচ্ছেন বর্তমান অনলাইন বিজনেসের অতি জনপ্রিয় মুখ রাজিব আহমেদ স্যার। তার অনুপ্রেরনা ও দিক-নির্দেশনায় এগিয়ে চলেছে বাংলার হাজারও তরুন-নারীরা।

এরই মধ্যে তার নির্দেশনায় গড়ে উঠেছে বেশকিছু জনপ্রিয় গ্রুপ ও ছোট ছোট অনেক ফেসবুক গ্রুপ। এরই একটি ছোট গ্রুপ হচ্ছে- নীল মৃত্তিকা পরিবার। অন্যান্য গ্রুপের মতন রাজিব আহমেদ স্যারের নির্দেশনামতন অনেক উদ্যোক্তারাই এক্টিভ হেয়ে বাড়াচ্ছে নিজের পরিচিতি। র্অজন করে নিচ্ছে নিজের গ্রুপ খুলার মতন যোগ্যতা।

আজ এমনই এক সদস্যর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব যিনি নিজের শ্রম ও মেধা দিয়ে পরিচিত হচ্ছে সবার কাছে। তার নাম জাকিয়া ফেরদৌস। যিনি তার ইন্টারনেটে দেওয়া পুরো সময় থেকে ৩ ভাগের এক ভাগ সময় নীল মৃত্তিকা পরিবারে দিচ্ছেন আর পরিচিত হচ্ছেন ১৪০০ সদস্যের এই ছোট পরিবারে।

শুধু নীল মৃত্তিকা পরিবারেই নয় তিনি ইতিমধ্যেই রাজিব আহমেদের Digital Skills for Bangladesh গ্রুপে সময় দিয়ে, ১০ মিনিট রাইটিং পোস্ট ২ বার , ১০০ প্রেজেন্টেশন পোস্ট ও রিডিং সিলেবাস পুরোটাই শেষ করেছে। প্রতিটা পদক্ষেপ খুব যত্ন করে পালন করেছেন জন্য আজ সকলের কাছে এতোটা পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।

জাকিয়া উদ্যোগ শুরু করেন ২০২০ সালে। গত বছর ৩৫ দিন করোনার সাথে লড়াই করেছেন আর সেই কঠিন সময়ে খুঁজে পেয়েছেন ডিএসবিকে। সেই কোয়ারান্টাইনের সময়ে ১২ ই জুলাই ডিএসবি ও রাজিব স্যারকে পেয়েছিলেন। আর সেই থেকেই আপুর উদ্যোগ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা শুরু হলো। শুরু হলো আপুর ই-কমার্স নিয়ে জানাশোনা আর সময় দেওয়া রাজীব আহমেদ স্যারের গ্রুপে। তারপর ধীরে ধীরে ১ বছর সময় অতিবাহিত হচ্ছে আর ই-কমার্সে Jakia’s dream এর একটা শক্ত ভীত তৈরি হচ্ছে।

প্রোডাক্ট আনা, লাইভ করার মধ্যেই যে ই-কমার্স এখন সীমাবদ্ধ নয় সেটা জাকিয়া আপু বুঝতে পেরেই ডিএসবিতে বাংলা ভাষায় টাইপিং ও কন্টেন্ট লেখা শিখতে শুরু করেন, রিডিং সিলেবাস শেষ করে ইংরেজিতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে নিজের উদ্যোগের জন্য অনেক আইডিয়া পাচ্ছেন।

ছোট থেকেই কিছু করার স্বপ্ন দেখতেন। হঠাৎ বাবার মৃত্যু বিয়ে হয়ে যাওয়া সেই স্বপ্নের পথে বড় বাধা হয়ে গেল কারণ নতুন পরিবারের কোন সমর্থন পায়নি জাকিয়া।

কিভাবে প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যেতে হয় স‍্যারের কাছ থেকেই শিখেছেন তিনি। এজন্য নিজের উদ‍্যোগ নিয়ে নিজের পরিচিতি তৈরির জন‍্য কাজ করছেন নিয়মিত।

ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রাজীব আহমেদ স্যার এর মতে, ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে ২০২২ সাল হবে ছোট ছোট গ্রুপ গুলোর বছর। ছোট ছোট গ্রুপ গুলো নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রেখে ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন দিক উন্মোচন করবে।

ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে রাজীব আহমেদ স্যারের ডিজিটাল স্কীল ফর বাংলাদেশ গ্রুপ এমন হাজারো জাকিয়ার স্বপ্ন পূরণে জ্ঞান দান করে আসছে।

সারাদেশে করোনায় ২৪ ঘন্টায় প্রাণহানি ১৫৩

0

সারাদেশে মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১৫৩ জন। এখন র্পযন্ত দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ হাজার ৬৫ জন।

রোববার (৪ জুলাই) স্বাস্থ‌্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ‌্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৬৬১ জন। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৭ জন।

নীলফামারীতে করোনায় ১জনের মৃত্যু

0

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত শনিবার সন্ধায় ওই উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের আতিকুল ইসলাম দুদু রংপুর কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে মারা যান। তিনি মাগুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুদু গত ২২ জুন করোনা উপসর্গ নিয়ে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিনেই তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ২৪ জুন তিনি নমুনা দেন।

গত ১ জুলাই তার করোনা পজেটিভ আসে। পরে তাকে রংপুর কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওই দিন তিনি মারা যান।

ডিজিটাল হাটে ১ লাখ গরু বিক্রির টার্গেট : মেয়র আতিকুল

0

ডিজিটাল হাটে এ বছর ১ লাখ গরু বিক্রির টার্গেট নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ডিজিটাল হাট বসাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ই-ক্যাব।

রোববার (৪ জুলাই) অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল হাট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন, ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সার, ডেইরি মালিক সমিতির সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদসহ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

মেয়র বলেন, ‘গত বছর তিন সপ্তাহে ডিজিটাল হাটে ২৭ হাজার গরু বিক্রি হয়েছে। এবার ১ লাখ বিক্রির টার্গেট। এক লাখ বিক্রি করতে পারলে ৫ লাখ লোক গরুর হাটে যাবে না। এছাড়া, মানবসেবা প্ল্যাটফর্মে চামড়া বিক্রি করে মানুষের মধ্যে টাকা বিলি করা যাবে। এবার স্টোর পদ্ধতি চালু হয়েছে। গ্রাহক যখন গরু পেয়ে যাবেন, তখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা রিলিজ হবে।

তিনি বলেন, ‘এ বছর ১ হাজার গরুকে আমাদের নির্ধারিত স্লাটার হাউজে (জবাইখানায়) কোরবানি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। যারা ১০ জুলাইয়ের মধ্যে কোরবানির গরু কিনে বুকিং দেবে তাদের কোরবানি মাংস আমরা বাসায় পৌঁছে দেব।

সুস্থ থাকতে হলে কঠোর বিধিনিষেধ মানতে হবে

0

নীলফামারীতে করোনার আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। সংক্রমণের হার যাতে কমিয়ে আনা যায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করে চলেছে। গত মাসে সংক্রমণ হার অনেক কম ছিল। এ কয়দিনে আক্রন্তের হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই কঠোর বিধিনিষেধ মানতে হবে। কথাগুলো বলেন, নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান চৌধুরী।

রবিবার (৪ জুলাই) দুপুরে সৈয়দপুরে লকডাউন পস্থিতি পরিদর্শনে এসে তিনি আরও বলেন, লকডাউন যদি সুষ্ঠুভাবে পালিত হয় সেই লক্ষ্যে সারাদেশের মত এ জেলাতেও সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।

এসময় সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রমিজ আলম, নীলফামারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল) সারোয়ার আলম, সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আবুল হাসনাত খান উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বলেন, নীলফামারীতে সবার সহযোগীতায় লকডাউন সফল হচ্ছে এবং মানুষও তা পালনে এগিয়ে এসেছে। এখোনো যেসব ত্রুটি পরিলক্ষিত হচ্ছে সেগুলা নিয়ে আমরা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। আমরা সকলকে নিয়ে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে চাই। যাতে সংক্রমণ বৃদ্ধি না পায়।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রমিজ আলম বলেন, জেলার মধ্যে সৈয়দপুরে দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। চলমান লকডাউন বিধিনিষেদ না মানলে পসিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। তাই সকলকে সরকারি বিধি মেনে চলার আহবান জানান।

বাগেরহাটে করোনা শনাক্তের সংখ্যা, হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা

0

বাগেরহাটে গত কয়েকদিন ধরে ক্রমাগত বেড়ে চলছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। রোববার (৪ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত জেলার সদর হাসপাতালের ৫০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ভর্তি রয়েছে ৫৬ জন।

সংকট নিরসনে খুলনা ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে চিকিৎসক ও নার্স আনা হচ্ছে। শনাক্তের হার বিবেচনায় এটিকে সংক্রমণের ‘দ্রুত উর্ধ্বগতি’ হিসেবে দেখছেন সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় বাগেরহাটে ৩৩৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১৫৩ জনের করোনা শনাক্ত পাওয়া গেছে। এতে শনাক্তের হার ৪৬ শতাংশ। পরিস্থিতি যদি আরও খারাপ হয়, তাহলে পক্ষে সেবা দেওয়া কঠিন হবে।

জেলায় করোনা সংক্রমণের হার ৪৬ শতাংশ হলেও সদর উপজেলায় এই হার ৫৪ শতাংশ। জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৭৭৩ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৮৯ জনের। সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১ হাজার ৫৪ জন।

করোনা ইউনিটের জন্য সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট থাকলেও নেই আইসিইউ সুবিধা। আইসিইউ সেবা দিতে না পারায় রোগীদের খুলনাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

লকডাউনের চতুর্থ দিনে সিলেটে রাস্তায় বেড়েছে যানবাহন

0

মহামারি করোনার সংক্রমণ রোধে সরকারের দেয়া লকডাউনের ৪র্থ দিন রোববার (৪ জুলাই) সিলেটের রাস্তা-ঘাটে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল কিছুটা বেড়েছে। তবে লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

বিভিন্ন মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশির পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, সেনাবাহিনী ও র‌্যাব সদস্যরাও টহলে রয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করছেন তারা।

নগরে সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন সড়কে মাইকিং করছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। দুপুরে নগরের মদিনা মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন বাস্তবায়নে অভিযানে বের হন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন।

সিলেট জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে শুরু থেকে সিলেট নগর ও জেলার সবকটি উপজেলায় ৩৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করছে। এসব টিম লকডাউন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জরিমানা, মামলা করছে।

ফিলিপিন্সে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ২৯ জন নিহত

ফিলিপিন্সের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ৪০ জন। রোববার বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিমানটিতে ৯২ জন আরোহী ছিল। এদের অধিকাংশই সেনা সদস্য, যারা সম্প্রতি প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন।

এক বিবৃতিতে ফিলিপিন্সের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে সি-১৩০ বিমানটি জোলো আইল্যান্ডে অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। বিমানটিতে থাকা সেনারা দক্ষিণের দ্বীপ মিন্দানাওয়ের কাগায়ান ডি অরো থেকে রওনা দিয়েছিল।

সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল সবেজনা বলেন, ‘বিমানটি রানওয়ে স্পর্শ করতে পারেনি, পুনরায় শক্তি সঞ্চয় করার চেষ্টা করলেও এটি ব্যর্থ হয়। বিমানে হামলার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর তদন্ত শুরু হবে।