Friday, April 10, 2026
Home Blog Page 115

গোবিন্দগঞ্জে পৈত্রিক সুত্রে জমি রক্ষায় পারিবারিক সংবাদ সম্মেলন

0

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের খুকশিয়া মৌজায় খতিয়ান নং – ৩০১, সাবেক – ৬ হালদাগ- ৩৩ এর মধ্যে ৬ শতাংশ জমির পৈত্রিক সুত্রে মালিকানা ভোগদখল রক্ষায় পারিবারিক ভাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২ জুলাই শুক্রবার সকালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রথের বাজারস্থ উক্ত সম্পতির উপরে ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া উক্ত সম্পতি অবৈধভাবে জোরপূর্বক ও সংখ্যালঘু ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে জবরদখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চিত্ত ও নিত্যগং। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমি রক্ষায় আপনাদের মাধ্যমে সরকার ও আইন শৃংখলা বাহিনীর প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপসহ সহযোগীতা কামনা করছি।

এসময় ভুক্তভোগী রবিউল ইসলামের মা রুপালী বেগম,বোন চায়না বেগম,চাচী রাশিদা বেগম,চাচা সাহেব মিয়া,ফুফা মোখলেছুর রহমানসহ স্থানীয়গণমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

বৃষ্টি আর লকডাউনে ঘরবন্দি মানুষ, দোয়ারাবাজারের রাস্তাঘাট ফাঁকা

0

লকডাউনের সঙ্গে বৃষ্টিতে সকাল থেকেই ঘরবন্দি মানুষ। তাছাড়া সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিনে দোয়ারাবাজারের রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা। বেশিরভাগ সড়কে অটো রিকশাসহ অল্প কিছু যানবাহন চলছে। তবে ব্যতিক্রমও রয়েছে কোথাও কোথাও।

শুক্রবার (২ জুলাই) দোয়ারাবাজারে সকাল থেকে বৃষ্টির থাকায় কিছু দোকান খোলা পাওয়া গেলেও লোকজনের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। উপজেলার বাংলাবাজারে মেইন গলিগুলোতে দোকানপাট বন্ধ থাকলেও ভেতরের গলিগুলোতে বেশকিছু দোকানপাট খোলা দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কমেছে। তবে উপজেলার সীমান্ত অঞ্চলের বাজারগুলোতে বিকাল ৫ টার পরে লকডাউন উপেক্ষিত চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। তবে খেঠে-খাওয়া কয়েকজন তাদের অসুবিধার কথা তুলে ধরলেও অন্যদিকে কেউ কেউ অকারণে হাঠ-বাজারে ঘোরাগুরি করার অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিন পরিদর্শনকালে ও খুঁজ নিয়ে জানাগেছে, সকালের দিকে বৃষ্টিপাত হওয়া হাটবাজার,রাস্তাঘাটে জনসমাগম তেমন লক্ষ্য করা যায়নি। উপজেলার বিভিন্ন বাজারের অধিকাৎশ দোকানপাঠও বন্ধ ছিল। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে যেন সবকিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করে। রাস্তাঘাটে মানুষজনের উপস্থিতি অনেকটাই বেড়ে যায়।করোনা ভাইরাস নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেন কোনো চিন্তা নেই। এমনকি কেউ কেউ লকডাউন কেমন হচ্ছে তা দেখতে হাঠ-বাজারে ঘোরাগুরি করার অভিযোগ রয়েছে।

সড়কসমূহে যানবাহন তেমন চলাচল না করলেও নিষেজ্ঞার বাহিরে থাকায় স্থানীয় সড়ক সমূহে বেটারী চালিত রিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।মাঝে-মধ্যে সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করেছে।পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা হাটবাজার থেকে চলে যাওয়ার পরই হাটবাজারে মানুষের সমাগম বেড়ে যায়। খুলতে শুরু করে বাজারের সব দোকানপাট।

এদিকে চলতি লকডাউন কার্যকর করতে স্থানীয় প্রশাসন তৎপর রয়েছে। সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্নস্থান ও সড়কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাংশু কুমার সিংহের নেতৃত্বে পুলিশ ও সেনাবাহিনী টহলের পাশাপাশি তারা লোকজনদের সরকারের নির্দেশ মানার তাগিদ প্রদান করেছেন।

এসময় সাথে ছিলেন দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ দেবদুলাল ধর, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. আতিয়ার রহমান প্রমুখ।উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। উপজেলার বাংলাবাজার,কলাউড়া, চৌধুরীপাড়া, হকনগর, বোগলাবাজার, মহব্বতপুর বাজারসহ বিভিন্ন মোড়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে দোকান বন্ধ করার পাশাপাশি আড্ডারত লোকজনকে ধাওয়া করা হয়।
চলমান বিধিনিষেধ অমান্য করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৩টি মামলায় ২ হাজার ৭শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আলাপকালে দোয়ারাবাজার থানা অফিসার ইনচার্জ দেবদুলাল ধর জানান, সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। আমরা চেষ্ঠা করছি মানুষকে সচেতন করতে। প্রয়োজনে আমরা আরও কঠোর হবো।

দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাংশু কুমার সিংহ জানান, করোনা মোকাবিলায় চলমান লকডাউনে সকলকে বিধিনিষেধ পালন করতে হবে। অন্যথায়, অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নড়াইলে পুলিশ প্রসাশনের সফল লকডাউন

0

নড়াইলে চলছে ১১ দিনের মত কঠোর লকডাউন। সরকারি ভাবে দেশব্যাপী লকডাউনের ঘোষণা করলেও নড়াইলে গত ২০ জুন রাত ১২ টা থেকে কঠোর লকডাউন পালন করা হচ্ছে।

সরকারি সিদ্ধান্তের পাশাপাশি বুধবার রাতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির এক সভায় জেলার জন্য আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সেহরাব হোসেন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, সিভিল সার্জন নাছিমা আক্তার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক কাজী ইসমাইল হোসেন লিটনসহ সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিববুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা থেকে পরবর্তী ৭ জুলাই রাত ১২ পর্যন্ত জেলার সর্বত্র কঠোর লকডাউন পালিত হবে। এ সময় প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে বেলা ১২ পযর্ন্ত কাঁচা বাজার,মাছের বাজার, ফলের দোকান খোলা থাকবে। শপিংমল, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান, হোটেল/রেস্তোরা, মুদি দোকান, চায়ের দোকানসহ সবকিছু বন্ধ থাকবে।

সড়ক ও নৌপথে গনপরিবহন ও সকল প্রকার যান্ত্রিক যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে জরুরী সেবা লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে। জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার করোনা ভাইরাস সংক্রামণের নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় আক্রান্তের হার ৩৯.৬৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় ২৩২ নমুনা পরীক্ষায় ৯২ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ২১ জন, লোহাগড়ায় ৪৩ জন এবং কালিয়া উপজেলায় ২৮ জন আক্রান্ত হয়েছ্।

এদিকে করোনায় তিনজনের মৃত্য হয়েছে। এর মধ্যে সদরে একজন এবং কালিয়া উপজেলায় দুইজন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৮ জন। জেলায় করোনায় এ পর্যন্ত মারা গেছে ৪৭ জন। জেলায় এ পর্যন্ত দুই হাজার ৭৬০ জনের করোনা পজেটিভ হয়েছে। সুস্থ হয়েছে দুই হাজার ৭৩ জন। উজ্জ্বল রায় জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

খুলনা গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আরও ২৭ মৃত্যু

0

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় প্রাণ হারিয়েছে আরও ২৭ জন। শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ২০১ জন।

শুক্রবার (২ জুলাই) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে খুলনায় ৯ জন, কুষ্টিয়ায় ৭জন, ঝিনাইদহে ৩জন, চুয়াডাঙ্গায় ৩ জন, যশোরে ২জন, বাগেরহাটে, নড়াইল ও মেহেরপুরে ১ জন করে মারা গেছেন।

করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৫৮ হাজার ৭২১ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১৩৬ জন। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৯ হাজার ৩৫৪ জন।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে মোবাইল কোর্টে জরিমানা

0

ত্রিশাল উপজেলায় সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ নিশ্চিতকল্পে বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই ) উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রিশাল ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তরিকুল ইসলাম এবং মাঈদুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

সকাল ৬ ঘটিকা থেকে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে দুপুর ১২.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত ১৩ টি মামলায় ১৮,৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

মাস্ক পরিধান না করে বাইরে বের হওয়া, কোন যৌক্তিক কারণ ছাড়া বাইরে বের হওয়া, অননুমোদিত দোকান খোলা রাখা, অননুমোদিত যানবাহন চালনা, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ব্যবসা পরিচালনা করা , চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দেয়া।

মোবাইল কোর্টে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ত্রিশাল থানা পুলিশ, বাংলাদেশ আনসার সহায়তা প্রদান করেন।
উপজেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ও বিধিনিষেধ নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট অব্যাহত থাকবে।

নড়াইলে জীবিকার টানে বৃদ্ধ মোসলেমের সব্জি বিক্রি!

0

ভয়াল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণকে উপেক্ষা করে সব্জির ঝুলি পিঠে নিয়ে বাঁশের লাঠিতে ভর করে আস্তে আস্তে ছুটছেন নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা মোসলেম মোল্যা। তার বয়স এখন ৯৮ বছর। এই বয়সেও জীবন জীবিকার টানে থেমে নেই মোসলেম। পিঠে সব্জির ঝুলি নিয়ে বেচাকেনা করছে বাঁচার তাগিদে সে।

সোমবার (২৮ জুন) দুপুরে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার প্রধান সড়কের সামনে মোসলেম মোল্যার সঙ্গে কথা হয় এসময় তিনি জানান, তার জন্ম নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের মুলদাইড় গ্রামে। সংসারে তার স্ত্রী ও চার কন্যা সন্তান রয়েছে। অভাব আর অনটনে সঙ্গে যুদ্ধ করে চার কন্যা সন্তানকে আগেই বিয়ে দিয়েছেন। বিয়ের পর তার কন্যা সন্তানরা শশুর বাড়িতে ভালোই আছে।

আলাপকালে তিনি জানান, তার নিজের কোন জায়গা-জমি নাই। অন্যের বাড়িতে একটি ঝুপড়ি ঘর তুলে মানবেতর ভাবে জীবনযাপন করছেন বৃদ্ধ মোসলেম। অভাবের তাড়নায় বয়সের ভারে ন্যূজ মোসলেম মোল্যা আর্মি স্টাইলে পর্বত আরোহীদের মতো সব্জি পিঠে করে বিভিন্ন বাড়িতে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করেন। এ দিয়ে তার স্ত্রী কে নিয়ে কোন রকম দিনাতিপাত করছেন। তিনি অত্যন্ত আবেগপ্রবন হয়ে এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি কোন সরকারি অনুদান পাই না, এমনকি আমাকে কেউই একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড পর্যন্ত করে দেয়নি। তার সাথে যখন কথা হয় তার কপাল দিয়ে ঘাম ঝরছিল ও চোখে-মুখে ছিল ক্লান্তির ছাপ।

গ্রামের বিভিন্ন পরিত্যক্ত জায়গা থেকে কচুর লতি, ঘাটকোল, কচুর ডগা, কলমি শাক ও থানকুনির পাতা ইত্যাদি সংগ্রহ করে বিভিন্ন এলাকার বাড়িতে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করেন তিনি।বৃদ্ধ মোসলেম একজন ধর্মপরায়ন মানুষ, তিনি ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। সৎভাবে উপার্জন করে বেঁচে থাকতে চাই, এ জন্য কষ্ট হয়! তবুও ভিক্ষাবৃত্তি করতে চাইনা।

আজ আমার যদি একটা ছেলে থাকতো, হয়তো আমার এ বয়সে এতটা কষ্ট করতে হতো না। সত্যি বলতে কি বয়স অনেক হয়েছে এখন আর কষ্ট করতে পারিনা,যদি আমার একটা বয়স্ক ভাতার কার্ড হতো বা কেও আমার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতো তাহলে হয়তো। এ কষ্ট থেকে কিছুটা আছান পেতাম!

সব্জির ঝুলি নিয়ে আর মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হতো না আপনারাতো জানেন এই করোনা মহামারীর লকডাউনকে উপেক্ষা করে দুমুঠো ভাতের জন্য আমাকে এ কাজ করতে হচ্ছে, এ বয়সে যদি করোনায় আক্রান্ত হই তাহলে আর রক্ষা হবে না। অসহায় ভূমিহীন বৃদ্ধ মোসলেমের সহযোগিতায় সমাজের বিত্তবান মানুষরা এগিয়ে আসবেন-এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

কারেন্ট জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকার করায় বিলুপ্তির পথে দেশি প্রজাতির মাছ

0

গাইবান্ধার বিভিন্ন উম্মুক্ত জলাশয় ও খাল বিলে নতুন পানি জমে থাকায় কারেন্ট জালের মাধ্যমে অবাধে চলছে ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা মাছ শিকার। বেশি লাভের আশায় এ নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার করছেন স্থানীয় জেলেরা। দীর্ঘদিন থেকে অব্যাহতভাবে অবৈধ কারন্টে জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হলেও আইনের যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে সরকারি বিধি উপেক্ষা করে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে কারেন্ট জালের অবাধ বাণিজ্য গড়ে তুলেছে। এছাড়াও এ মৌসুমে জলাশয় গুলোতে পোনা মাছ ডিমওয়ালা মা মাছ ধরা বা কারেন্ট জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও প্রশাসনকে বৃদ্ধাংগুলী দেখিয়ে কারেন্ট জালের ব্যবসা ও জাল দিয়ে মাছ নিধন চলছে দেদারসে ।

বিষয়গুলো মৎস্য দপ্তর তদারকি করা কিংবা কারেন্ট জাল ব্যবহারকারী ও বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার কথা থাকলেও খালে বিলে পানি আসার পরেও অদৃশ্য কারণে কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে দেখা যায় গাইবান্ধার বিভিন্ন উপজেলার প্রতিটি খাল বিলে শুরু হয়েছে পোনা মাছ নিধনের মহোৎসব। এখন শত শত জেলেকে কারেন্ট জালের সাহায্যে মাছ আহরণ করতে দেখা যায়। বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতারা প্রকাশ্যে কারেন্ট জাল ক্রয় বিক্রয় করছেন।স্থানীয়রা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে দেদারছে ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে অবৈধ কারেন্ট জাল। এই জাল ব্যবহার করে খালে-বিলে পোনা মাছ শিকার করছে। দেশীয় প্রজাতির নানা প্রকার মাছের পোনা নহ ডিমওয়ালা মা মাছ এই জালের ফাঁদে আটকা পড়ে।

আর এ কারণে দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ এখন গাইবান্ধায় বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের ঝিনাইর পাতা গ্রামের এক কৃষক বলেন, স্থানীয় হাসপাতাল বালুয়া বাজার থেকে তিনি ছোট মাছ ধরার জন্য আধা কেজি কারেন্ট ক্রয় করেছেন। তার এলাকার বিভিন্ন জলাশয়ে মাছ শিকার করতেই তিনি কারেন্ট জাল কিনেছনে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাইবান্ধা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুদ দাইয়ান জানান,, এই কারেন্ট জাল’ ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষেধ। এটা মাটির সাথে আটকে থাকে যার ফলে ছোট বড় সব মাছ আটকে যায়। এই জালের ব্যবহার থেকে সকলকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হলো। যদি কেউ না মানে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ কর্তৃক ৩২ টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার

0

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন মানুষের হারিয়ে যাওয়া ৩২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর বুধবার তা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

জানা গেছে, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও দিক নির্দেশনায় দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের আইসিটি শাখার একদল চৌকশ কর্মকর্তা জেলার বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের হারিয়ে যাওয়া, চুরি ও ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য নিরলস ও নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত জুন মাসে মোট ৩২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনের মধ্যে রয়েছে, আই ফোন-২টি, স্যামসাং গ্যালাক্সি-৮টি, স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব-১টি, ভিভো-৫টি, অপপো-৪টি, এক্সমি-১টি, রেডমি-১টি, রিয়েলমি-৪টি, সিমপোনি-৪টি, ভিশন-১টি ও পোকো-১টি। এ কাজের নেতৃত্বে ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশসুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) সজিব খান।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এ সকল মোবাইল ফোন গুলো উদ্ধার করে আনা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ৩২টি মোবাইল ফোন মালিকদের সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকে এনে তাদের কাছে তা হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) ইকবাল হোসেনসহ সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, জেলা বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমানসহ, জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

কুষ্টিয়ায় গত একমাসে করোনায় ৯৯জনের মৃত্যু

0

কুষ্টিয়ায় মে মাসের শেষ সপ্তাহে করোনার চিত্র ছিল স্বাভাবিক। সবকিছু ঠিকমতো চলছিল। হাসপাতাল গুলোতে আইসোলেশনে রোগী ভর্তি ছিলেন সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৩৫ জন। চিকিৎসক, নার্স ও স্বেচ্ছাসেবকেরা তাঁদের সেবা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ করে সেই চিত্র বদলে গেল। গত এক মাসজুড়ে করোনার দাপটে নাজেহাল হলো কুষ্টিয়া।

জুনের শুরুর দিকে হু হু করে বাড়তে থাকে রোগী। মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হতে থাকে। প্রতিদিন চলে রোগী শনাক্তের রেকর্ড ভাঙা আর গড়া। জুনের মাঝামাঝি থেকে জেলায় চলাচলে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়। শেষ সপ্তাহে আসে লকডাউন। কিন্তু তত দিনে জেলার আনাচে কানাচে করোনার টেউ আছড়ে পড়ে।

বুধবার মাসের শেষ দিনে জেলায় এক দিনে সর্বোচ্চ ৮৩০টি নমুনা পরীক্ষায় ৩২৪ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। নমুনা অনুপাতে শনাক্তের হার ৩৯.৩ শতাংশ। মৃত্যু হয় ৯ জনের।

জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির দেওয়া জুন মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জেলায় এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৫০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে জুন মাসের ৩০ দিনে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৭২ জনের। এখন পর্যন্ত করোনায় মোট মারা গেছেন ২১৫ জন, এর মধ্যে জুন মাসে মারা গেছেন ৯৯ জন।

করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে রোগীর চাপ সামাল দিতে ২৫ জুন থেকে ২৫০ শয্যার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালকে করোনা ডেডিকেডেট ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে সেখানে ২ শতাধিক করোনা রোগী চিকিৎসাধীন।

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক আক্রামুজ্জামান মিন্টু বলছেন, প্রতি ঘরে করোনা পৌঁছে গেছে। সঠিকভাবে ও দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু এই কাজটা গ্রামের মানুষ করছেন না। এতেই মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এ এস এম মুসা কবিরের মতে, ‘এখন আর কোনো দোষারোপ না করে কাজে মনোযোগ দিতে হবে। গ্রামের প্রতি ঘরে ঘরে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সবাইকে খোঁজ নিতে হবে। কারও জ্বর, ঠান্ডা, কাশি জাতীয় উপসর্গ দেখা দিলেই তাঁকে আইসোলেশনে রাখতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসা নিতে যত দেরি হবে, মৃত্যুর ঝুঁকি তত বাড়বে।’

জেলার সিভিল সার্জন এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, জুনে করোনার দাপট বাড়বে, এমন একটা ধারণা পাওয়া গিয়েছিল। তবে এতটা হবে, সেটা কল্পনার বাইরে ছিল। মানুষকে সচেতন করা ছাড়া আর করোনা মোকাবিলার কোনো পথ নেই।

সারাদেশে করোনায় একদিনে রেকর্ড মৃত‌্যু ১৪৩

0

মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় প্রাণ হারিয়েছে ১৪৩ জন। এটা দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এখন র্পযন্ত দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো মোট ১৪ হাজার ৬৪৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৩০১ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৯ লাখ ২১ হাজার ৫৫৯ জনে।

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।